
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে মানুষের বড় ভয় হলো, এটি চাকরি কেড়ে নেবে। তবে ছোট ব্যবসার ক্ষেত্রে চিত্রটা ভিন্ন হতে পারে। এআইয়ের ব্যবহার ব্যবসার পরিধি বাড়ালে নতুন কর্মীর প্রয়োজনও তৈরি হতে পারে। এআইকে কর্মী কমানোর হাতিয়ার হিসেবে না দেখে কাজ সহজ করার প্রযুক্তি হিসেবে ভাবুন।

মানসিকভাবে মানুষ প্রতিটি সম্পর্কের এক জটিল ছক বা মানচিত্র তৈরি করতে ওস্তাদ। কে কার অনুগত, কার সঙ্গে কার প্রতিযোগিতা কিংবা কে কখন কার বিরুদ্ধে যেতে পারে—প্রতিনিয়ত আমাদের মন এসবের হিসাব রাখে। কিন্তু সম্পর্কের এই অভ্যন্তরীণ মানচিত্রে বন্ধুত্বের চেয়ে শত্রুতা বা বিরোধের ছাপ বেশি স্পষ্ট হয়। কখনো ভেবে দেখে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মডেলগুলো এখন আর কেবল মানুষের দেওয়া আদেশ পালন করছে না, বরং নিজেদের সিদ্ধান্তেই ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাইবার নিরাপত্তাব্যূহ ভেদ করছে। সম্প্রতি সিলিকন ভ্যালির শীর্ষ দুই এআই গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘ওপেনএআই’ এবং ‘অ্যানথ্রোপিক’ স্বীকার করেছে যে, তাদের অপ্রকাশিত

ডিজিটাল বিপ্লব আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগিয়ে বর্তমান যুগের প্রতিষ্ঠানগুলো শুধু লাভবান হয়নি। শতবর্ষী প্রতিষ্ঠানগুলোও এর সুবিধা নিয়ে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন মানুষ ক্লাউড কম্পিউটিং, ডেটা অ্যানালিটিক এবং জেনারেটিভ এআইয়ের মতো আধুনিক প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে বিশ্বমঞ্চে সাড়া....