আজকের পত্রিকা ডেস্ক

চীনের তৈরি অত্যাধুনিক মাল্টিরোল অ্যাটাক হেলিকপ্টার জেট-১০ এখন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে। এক সপ্তাহ ধরে পাকিস্তানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, পাকিস্তান আর্মি অ্যাভিয়েশন কর্পস এই হেলিকপ্টারগুলো মাঠপর্যায়ে ব্যবহার শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, এই সরবরাহ পাকিস্তানের আকাশযুদ্ধ সক্ষমতায় বড় ধরনের আপগ্রেড এবং আঞ্চলিক সামরিক ভারসাম্যে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই হেলিকপ্টারের একটি সংস্করণ পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) এরই মধ্যে চীন-ভারত সীমান্তের পাহাড়ি এলাকায় মোতায়েন করেছে।
গত মঙ্গলবার পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একজন সদস্য সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও আপলোড করেন, যেখানে হেলিকপ্টারটিকে সামরিক ঘাঁটি থেকে আকাশপথে উড়তে দেখা যায়। ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘পাকিস্তানের জেট-১০ অ্যাটাক হেলিকপ্টারের প্রথম ঝলক। এটি আকাশ থেকে মাটিতে আঘাত হানতে সক্ষম পরবর্তী প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সাজানো।’
এর আগে গত সোমবার আরও এক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী একটি জেট-১০-এর ছবি পোস্ট করেন। হেলিকপ্টারটির ফিউজলেজ ও লেজে ‘পাকিস্তান আর্মি’ লেখা ও ‘৭৮৬-৩০১’ সিরিয়াল নম্বর ছিল। এই ছবিই পাকিস্তান আর্মি অ্যাভিয়েশন কর্পসের মধ্যে জেট-১০-এর অপারেশনাল স্ট্যাটাসের প্রথম বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনে বলা হয়েছে, আজ শনিবার (২ আগস্ট) মুলতান গ্যারিসনে সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল সাইয়েদ আসিম মুনির এই হেলিকপ্টারগুলোর উদ্বোধন করেছেন।
জুলাই মাসের শুরুতে বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম জানায়, পাকিস্তান ৪০টি জেট-১০ অ্যাটাক হেলিকপ্টার তাদের বাহিনীতে যুক্ত করেছে, যা তাদের বিমানযুদ্ধের সক্ষমতা বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে এটি কেনার ও সরবরাহের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী মার্চ মাসে ইসলামাবাদে পাকিস্তানের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে হেলিকপ্টারগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করবে।
এই খবর এমন এক সময়ে সামনে আসছে, এর ঠিক কিছুদিন আগে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী দ্বারা ব্যবহৃত আরও একটি চীনা বিমান জে-১০সি বৈশ্বিক গণমাধ্যমে শিরোনাম হয়েছিল। গত ৭ মে পাকিস্তান-ভারত সংঘর্ষের সময় এই জে-১০সি ভারতীয় রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছিল।
ওই সংঘর্ষের পর থেকে চীন ও পাকিস্তানের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা ঘন ঘন বৈঠক করছেন। এর মধ্যে জুনে দুই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের মধ্যে একটি বৈঠক এবং গত মাসে ইসলামাবাদে বিমানবাহিনীর প্রধানদের মধ্যে আলোচনাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
গত ২৫ জুলাই চীনের সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের প্রথম র্যাঙ্কের ভাইস চেয়ারম্যান ঝাং ইউওক্সিয়া বেইজিংয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল জেনারেল আসিম মুনিরের সঙ্গে বৈঠক করেন। কাশ্মীরে সর্বশেষ উত্তেজনার পর থেকে ঝাং হলেন পাকিস্তানের সামরিক নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনকারী সর্বোচ্চ পদস্থ পিএলএ কর্মকর্তা। তিনি সামরিক সম্পর্ককে চীন-পাকিস্তান সম্পর্কের একটি প্রধান স্তম্ভ হিসেবে তুলে ধরেন এবং কৌশলগত সমন্বয়, গভীরতর সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক শান্তির জন্য যৌথ প্রচেষ্টার আহ্বান জানান।
চার দশক ধরে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর বহরে শুধু এএইচ-১ এফ কোবরা ও সীমিতসংখ্যক রুশ নির্মিত এমআই-৩৫ হিন্ডস হেলিকপ্টার ছিল। কিন্তু এই পুরোনো বিমানগুলোকে এখন আধুনিক যুদ্ধের প্রয়োজনের জন্য অপ্রতুল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জেট-১০ হেলিকপ্টারের বৈশিষ্ট্য
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, জেট-১০ হেলিকপ্টারগুলোর ইঞ্জিনের শক্তি, সুরক্ষাব্যবস্থা ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধক্ষমতা (ইলেকট্রোম্যাগনেটিক স্পেকট্রাম) পিএলএর স্ট্যান্ডার্ড ভ্যারিয়েন্টকে ছাড়িয়ে গেছে।
জেট-১০ ভারতের কাছে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি অ্যাপাচি হেলিকপ্টারের চেয়ে বেশি শক্তি উৎপাদনে সক্ষম বলে দাবি করা হচ্ছে। এর সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় প্রায় ৩০০ কিলোমিটার। এটি অস্ত্র ও জ্বালানিবোঝাই অবস্থায় যুদ্ধক্ষেত্রে টানা ৮০০ থেকে ১ হাজার ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত উড়তে পারে।
পাইলটের সুরক্ষা বাড়াতে এতে ব্যবহার করা হয়েছে টাইটানিয়াম ও সিরামিক কম্পোজিট আর্মার। এতে রয়েছে উন্নত অ্যাভিওনিকস, সক্রিয় ইলেকট্রনিক্যালি স্ক্যানড অ্যারে (এইএসএ)-ভিত্তিক মিসাইল অ্যাপ্রোচ ওয়ার্নিং সিস্টেম এবং ডাইরেকশনাল ইনফ্রারেড কাউন্টার মেজারস। এসব প্রযুক্তি পাইলটদের যুদ্ধ পরিস্থিতি সম্পর্কে অধিক সচেতনতা ও মিসাইল প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াবে।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রনিক প্রতিরোধব্যবস্থা—রাডার, অতিবেগুনি ও লেজার সতর্কতা, উন্নত ইনফ্রারেড প্রতিরোধকারী ব্যবস্থা, ইঞ্জিন এক্সহস্ট পরিবর্তন ও ইনফ্রারেড সাপ্রেসর, যা হেলিকপ্টারের তাপ চিহ্ন কমিয়ে দেবে। এগুলো চীনা হেলিকপ্টারগুলোতে আগে দেখা যায়নি।
অস্ত্রসজ্জায় রয়েছে ছয়টি আর্মস স্টেশন, যা থেকে নিক্ষেপ করা যাবে ২৫ কিলোমিটার পাল্লার সিএম-৫০২ কেজি প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল এবং ২৩ মিলিমিটার কামান। এই প্রযুক্তি পুরোনো মডেলের এএইচ-১ এফ ও টি-১২৯ হেলিকপ্টারের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর।
পাকিস্তানের এই উন্নত হেলিকপ্টার মোতায়েনের বিপরীতে ভারতও নিজস্ব বহর আধুনিকায়ন করছে। গত ২২ জুলাই ভারতীয় সেনাবাহিনী যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রথম তিনটি এএইচ-৬৪ই অ্যাপাচি গার্ডিয়ান হেলিকপ্টার কিনেছে। সর্বশেষ সংস্করণের এই হেলিকপ্টারগুলো পশ্চিম সীমান্তে, অর্থাৎ পাকিস্তান সীমান্তে মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে।
আরও খবর পড়ুন:

চীনের তৈরি অত্যাধুনিক মাল্টিরোল অ্যাটাক হেলিকপ্টার জেট-১০ এখন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে। এক সপ্তাহ ধরে পাকিস্তানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, পাকিস্তান আর্মি অ্যাভিয়েশন কর্পস এই হেলিকপ্টারগুলো মাঠপর্যায়ে ব্যবহার শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, এই সরবরাহ পাকিস্তানের আকাশযুদ্ধ সক্ষমতায় বড় ধরনের আপগ্রেড এবং আঞ্চলিক সামরিক ভারসাম্যে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই হেলিকপ্টারের একটি সংস্করণ পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) এরই মধ্যে চীন-ভারত সীমান্তের পাহাড়ি এলাকায় মোতায়েন করেছে।
গত মঙ্গলবার পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একজন সদস্য সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও আপলোড করেন, যেখানে হেলিকপ্টারটিকে সামরিক ঘাঁটি থেকে আকাশপথে উড়তে দেখা যায়। ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘পাকিস্তানের জেট-১০ অ্যাটাক হেলিকপ্টারের প্রথম ঝলক। এটি আকাশ থেকে মাটিতে আঘাত হানতে সক্ষম পরবর্তী প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সাজানো।’
এর আগে গত সোমবার আরও এক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী একটি জেট-১০-এর ছবি পোস্ট করেন। হেলিকপ্টারটির ফিউজলেজ ও লেজে ‘পাকিস্তান আর্মি’ লেখা ও ‘৭৮৬-৩০১’ সিরিয়াল নম্বর ছিল। এই ছবিই পাকিস্তান আর্মি অ্যাভিয়েশন কর্পসের মধ্যে জেট-১০-এর অপারেশনাল স্ট্যাটাসের প্রথম বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনে বলা হয়েছে, আজ শনিবার (২ আগস্ট) মুলতান গ্যারিসনে সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল সাইয়েদ আসিম মুনির এই হেলিকপ্টারগুলোর উদ্বোধন করেছেন।
জুলাই মাসের শুরুতে বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম জানায়, পাকিস্তান ৪০টি জেট-১০ অ্যাটাক হেলিকপ্টার তাদের বাহিনীতে যুক্ত করেছে, যা তাদের বিমানযুদ্ধের সক্ষমতা বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে এটি কেনার ও সরবরাহের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী মার্চ মাসে ইসলামাবাদে পাকিস্তানের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে হেলিকপ্টারগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করবে।
এই খবর এমন এক সময়ে সামনে আসছে, এর ঠিক কিছুদিন আগে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী দ্বারা ব্যবহৃত আরও একটি চীনা বিমান জে-১০সি বৈশ্বিক গণমাধ্যমে শিরোনাম হয়েছিল। গত ৭ মে পাকিস্তান-ভারত সংঘর্ষের সময় এই জে-১০সি ভারতীয় রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছিল।
ওই সংঘর্ষের পর থেকে চীন ও পাকিস্তানের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা ঘন ঘন বৈঠক করছেন। এর মধ্যে জুনে দুই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের মধ্যে একটি বৈঠক এবং গত মাসে ইসলামাবাদে বিমানবাহিনীর প্রধানদের মধ্যে আলোচনাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
গত ২৫ জুলাই চীনের সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের প্রথম র্যাঙ্কের ভাইস চেয়ারম্যান ঝাং ইউওক্সিয়া বেইজিংয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল জেনারেল আসিম মুনিরের সঙ্গে বৈঠক করেন। কাশ্মীরে সর্বশেষ উত্তেজনার পর থেকে ঝাং হলেন পাকিস্তানের সামরিক নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনকারী সর্বোচ্চ পদস্থ পিএলএ কর্মকর্তা। তিনি সামরিক সম্পর্ককে চীন-পাকিস্তান সম্পর্কের একটি প্রধান স্তম্ভ হিসেবে তুলে ধরেন এবং কৌশলগত সমন্বয়, গভীরতর সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক শান্তির জন্য যৌথ প্রচেষ্টার আহ্বান জানান।
চার দশক ধরে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর বহরে শুধু এএইচ-১ এফ কোবরা ও সীমিতসংখ্যক রুশ নির্মিত এমআই-৩৫ হিন্ডস হেলিকপ্টার ছিল। কিন্তু এই পুরোনো বিমানগুলোকে এখন আধুনিক যুদ্ধের প্রয়োজনের জন্য অপ্রতুল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জেট-১০ হেলিকপ্টারের বৈশিষ্ট্য
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, জেট-১০ হেলিকপ্টারগুলোর ইঞ্জিনের শক্তি, সুরক্ষাব্যবস্থা ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধক্ষমতা (ইলেকট্রোম্যাগনেটিক স্পেকট্রাম) পিএলএর স্ট্যান্ডার্ড ভ্যারিয়েন্টকে ছাড়িয়ে গেছে।
জেট-১০ ভারতের কাছে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি অ্যাপাচি হেলিকপ্টারের চেয়ে বেশি শক্তি উৎপাদনে সক্ষম বলে দাবি করা হচ্ছে। এর সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় প্রায় ৩০০ কিলোমিটার। এটি অস্ত্র ও জ্বালানিবোঝাই অবস্থায় যুদ্ধক্ষেত্রে টানা ৮০০ থেকে ১ হাজার ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত উড়তে পারে।
পাইলটের সুরক্ষা বাড়াতে এতে ব্যবহার করা হয়েছে টাইটানিয়াম ও সিরামিক কম্পোজিট আর্মার। এতে রয়েছে উন্নত অ্যাভিওনিকস, সক্রিয় ইলেকট্রনিক্যালি স্ক্যানড অ্যারে (এইএসএ)-ভিত্তিক মিসাইল অ্যাপ্রোচ ওয়ার্নিং সিস্টেম এবং ডাইরেকশনাল ইনফ্রারেড কাউন্টার মেজারস। এসব প্রযুক্তি পাইলটদের যুদ্ধ পরিস্থিতি সম্পর্কে অধিক সচেতনতা ও মিসাইল প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াবে।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রনিক প্রতিরোধব্যবস্থা—রাডার, অতিবেগুনি ও লেজার সতর্কতা, উন্নত ইনফ্রারেড প্রতিরোধকারী ব্যবস্থা, ইঞ্জিন এক্সহস্ট পরিবর্তন ও ইনফ্রারেড সাপ্রেসর, যা হেলিকপ্টারের তাপ চিহ্ন কমিয়ে দেবে। এগুলো চীনা হেলিকপ্টারগুলোতে আগে দেখা যায়নি।
অস্ত্রসজ্জায় রয়েছে ছয়টি আর্মস স্টেশন, যা থেকে নিক্ষেপ করা যাবে ২৫ কিলোমিটার পাল্লার সিএম-৫০২ কেজি প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল এবং ২৩ মিলিমিটার কামান। এই প্রযুক্তি পুরোনো মডেলের এএইচ-১ এফ ও টি-১২৯ হেলিকপ্টারের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর।
পাকিস্তানের এই উন্নত হেলিকপ্টার মোতায়েনের বিপরীতে ভারতও নিজস্ব বহর আধুনিকায়ন করছে। গত ২২ জুলাই ভারতীয় সেনাবাহিনী যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রথম তিনটি এএইচ-৬৪ই অ্যাপাচি গার্ডিয়ান হেলিকপ্টার কিনেছে। সর্বশেষ সংস্করণের এই হেলিকপ্টারগুলো পশ্চিম সীমান্তে, অর্থাৎ পাকিস্তান সীমান্তে মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে।
আরও খবর পড়ুন:
আজকের পত্রিকা ডেস্ক

চীনের তৈরি অত্যাধুনিক মাল্টিরোল অ্যাটাক হেলিকপ্টার জেট-১০ এখন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে। এক সপ্তাহ ধরে পাকিস্তানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, পাকিস্তান আর্মি অ্যাভিয়েশন কর্পস এই হেলিকপ্টারগুলো মাঠপর্যায়ে ব্যবহার শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, এই সরবরাহ পাকিস্তানের আকাশযুদ্ধ সক্ষমতায় বড় ধরনের আপগ্রেড এবং আঞ্চলিক সামরিক ভারসাম্যে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই হেলিকপ্টারের একটি সংস্করণ পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) এরই মধ্যে চীন-ভারত সীমান্তের পাহাড়ি এলাকায় মোতায়েন করেছে।
গত মঙ্গলবার পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একজন সদস্য সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও আপলোড করেন, যেখানে হেলিকপ্টারটিকে সামরিক ঘাঁটি থেকে আকাশপথে উড়তে দেখা যায়। ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘পাকিস্তানের জেট-১০ অ্যাটাক হেলিকপ্টারের প্রথম ঝলক। এটি আকাশ থেকে মাটিতে আঘাত হানতে সক্ষম পরবর্তী প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সাজানো।’
এর আগে গত সোমবার আরও এক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী একটি জেট-১০-এর ছবি পোস্ট করেন। হেলিকপ্টারটির ফিউজলেজ ও লেজে ‘পাকিস্তান আর্মি’ লেখা ও ‘৭৮৬-৩০১’ সিরিয়াল নম্বর ছিল। এই ছবিই পাকিস্তান আর্মি অ্যাভিয়েশন কর্পসের মধ্যে জেট-১০-এর অপারেশনাল স্ট্যাটাসের প্রথম বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনে বলা হয়েছে, আজ শনিবার (২ আগস্ট) মুলতান গ্যারিসনে সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল সাইয়েদ আসিম মুনির এই হেলিকপ্টারগুলোর উদ্বোধন করেছেন।
জুলাই মাসের শুরুতে বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম জানায়, পাকিস্তান ৪০টি জেট-১০ অ্যাটাক হেলিকপ্টার তাদের বাহিনীতে যুক্ত করেছে, যা তাদের বিমানযুদ্ধের সক্ষমতা বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে এটি কেনার ও সরবরাহের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী মার্চ মাসে ইসলামাবাদে পাকিস্তানের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে হেলিকপ্টারগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করবে।
এই খবর এমন এক সময়ে সামনে আসছে, এর ঠিক কিছুদিন আগে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী দ্বারা ব্যবহৃত আরও একটি চীনা বিমান জে-১০সি বৈশ্বিক গণমাধ্যমে শিরোনাম হয়েছিল। গত ৭ মে পাকিস্তান-ভারত সংঘর্ষের সময় এই জে-১০সি ভারতীয় রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছিল।
ওই সংঘর্ষের পর থেকে চীন ও পাকিস্তানের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা ঘন ঘন বৈঠক করছেন। এর মধ্যে জুনে দুই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের মধ্যে একটি বৈঠক এবং গত মাসে ইসলামাবাদে বিমানবাহিনীর প্রধানদের মধ্যে আলোচনাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
গত ২৫ জুলাই চীনের সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের প্রথম র্যাঙ্কের ভাইস চেয়ারম্যান ঝাং ইউওক্সিয়া বেইজিংয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল জেনারেল আসিম মুনিরের সঙ্গে বৈঠক করেন। কাশ্মীরে সর্বশেষ উত্তেজনার পর থেকে ঝাং হলেন পাকিস্তানের সামরিক নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনকারী সর্বোচ্চ পদস্থ পিএলএ কর্মকর্তা। তিনি সামরিক সম্পর্ককে চীন-পাকিস্তান সম্পর্কের একটি প্রধান স্তম্ভ হিসেবে তুলে ধরেন এবং কৌশলগত সমন্বয়, গভীরতর সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক শান্তির জন্য যৌথ প্রচেষ্টার আহ্বান জানান।
চার দশক ধরে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর বহরে শুধু এএইচ-১ এফ কোবরা ও সীমিতসংখ্যক রুশ নির্মিত এমআই-৩৫ হিন্ডস হেলিকপ্টার ছিল। কিন্তু এই পুরোনো বিমানগুলোকে এখন আধুনিক যুদ্ধের প্রয়োজনের জন্য অপ্রতুল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জেট-১০ হেলিকপ্টারের বৈশিষ্ট্য
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, জেট-১০ হেলিকপ্টারগুলোর ইঞ্জিনের শক্তি, সুরক্ষাব্যবস্থা ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধক্ষমতা (ইলেকট্রোম্যাগনেটিক স্পেকট্রাম) পিএলএর স্ট্যান্ডার্ড ভ্যারিয়েন্টকে ছাড়িয়ে গেছে।
জেট-১০ ভারতের কাছে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি অ্যাপাচি হেলিকপ্টারের চেয়ে বেশি শক্তি উৎপাদনে সক্ষম বলে দাবি করা হচ্ছে। এর সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় প্রায় ৩০০ কিলোমিটার। এটি অস্ত্র ও জ্বালানিবোঝাই অবস্থায় যুদ্ধক্ষেত্রে টানা ৮০০ থেকে ১ হাজার ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত উড়তে পারে।
পাইলটের সুরক্ষা বাড়াতে এতে ব্যবহার করা হয়েছে টাইটানিয়াম ও সিরামিক কম্পোজিট আর্মার। এতে রয়েছে উন্নত অ্যাভিওনিকস, সক্রিয় ইলেকট্রনিক্যালি স্ক্যানড অ্যারে (এইএসএ)-ভিত্তিক মিসাইল অ্যাপ্রোচ ওয়ার্নিং সিস্টেম এবং ডাইরেকশনাল ইনফ্রারেড কাউন্টার মেজারস। এসব প্রযুক্তি পাইলটদের যুদ্ধ পরিস্থিতি সম্পর্কে অধিক সচেতনতা ও মিসাইল প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াবে।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রনিক প্রতিরোধব্যবস্থা—রাডার, অতিবেগুনি ও লেজার সতর্কতা, উন্নত ইনফ্রারেড প্রতিরোধকারী ব্যবস্থা, ইঞ্জিন এক্সহস্ট পরিবর্তন ও ইনফ্রারেড সাপ্রেসর, যা হেলিকপ্টারের তাপ চিহ্ন কমিয়ে দেবে। এগুলো চীনা হেলিকপ্টারগুলোতে আগে দেখা যায়নি।
অস্ত্রসজ্জায় রয়েছে ছয়টি আর্মস স্টেশন, যা থেকে নিক্ষেপ করা যাবে ২৫ কিলোমিটার পাল্লার সিএম-৫০২ কেজি প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল এবং ২৩ মিলিমিটার কামান। এই প্রযুক্তি পুরোনো মডেলের এএইচ-১ এফ ও টি-১২৯ হেলিকপ্টারের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর।
পাকিস্তানের এই উন্নত হেলিকপ্টার মোতায়েনের বিপরীতে ভারতও নিজস্ব বহর আধুনিকায়ন করছে। গত ২২ জুলাই ভারতীয় সেনাবাহিনী যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রথম তিনটি এএইচ-৬৪ই অ্যাপাচি গার্ডিয়ান হেলিকপ্টার কিনেছে। সর্বশেষ সংস্করণের এই হেলিকপ্টারগুলো পশ্চিম সীমান্তে, অর্থাৎ পাকিস্তান সীমান্তে মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে।
আরও খবর পড়ুন:

চীনের তৈরি অত্যাধুনিক মাল্টিরোল অ্যাটাক হেলিকপ্টার জেট-১০ এখন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে। এক সপ্তাহ ধরে পাকিস্তানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, পাকিস্তান আর্মি অ্যাভিয়েশন কর্পস এই হেলিকপ্টারগুলো মাঠপর্যায়ে ব্যবহার শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, এই সরবরাহ পাকিস্তানের আকাশযুদ্ধ সক্ষমতায় বড় ধরনের আপগ্রেড এবং আঞ্চলিক সামরিক ভারসাম্যে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই হেলিকপ্টারের একটি সংস্করণ পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) এরই মধ্যে চীন-ভারত সীমান্তের পাহাড়ি এলাকায় মোতায়েন করেছে।
গত মঙ্গলবার পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একজন সদস্য সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও আপলোড করেন, যেখানে হেলিকপ্টারটিকে সামরিক ঘাঁটি থেকে আকাশপথে উড়তে দেখা যায়। ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘পাকিস্তানের জেট-১০ অ্যাটাক হেলিকপ্টারের প্রথম ঝলক। এটি আকাশ থেকে মাটিতে আঘাত হানতে সক্ষম পরবর্তী প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সাজানো।’
এর আগে গত সোমবার আরও এক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী একটি জেট-১০-এর ছবি পোস্ট করেন। হেলিকপ্টারটির ফিউজলেজ ও লেজে ‘পাকিস্তান আর্মি’ লেখা ও ‘৭৮৬-৩০১’ সিরিয়াল নম্বর ছিল। এই ছবিই পাকিস্তান আর্মি অ্যাভিয়েশন কর্পসের মধ্যে জেট-১০-এর অপারেশনাল স্ট্যাটাসের প্রথম বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনে বলা হয়েছে, আজ শনিবার (২ আগস্ট) মুলতান গ্যারিসনে সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল সাইয়েদ আসিম মুনির এই হেলিকপ্টারগুলোর উদ্বোধন করেছেন।
জুলাই মাসের শুরুতে বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম জানায়, পাকিস্তান ৪০টি জেট-১০ অ্যাটাক হেলিকপ্টার তাদের বাহিনীতে যুক্ত করেছে, যা তাদের বিমানযুদ্ধের সক্ষমতা বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে এটি কেনার ও সরবরাহের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী মার্চ মাসে ইসলামাবাদে পাকিস্তানের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে হেলিকপ্টারগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করবে।
এই খবর এমন এক সময়ে সামনে আসছে, এর ঠিক কিছুদিন আগে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী দ্বারা ব্যবহৃত আরও একটি চীনা বিমান জে-১০সি বৈশ্বিক গণমাধ্যমে শিরোনাম হয়েছিল। গত ৭ মে পাকিস্তান-ভারত সংঘর্ষের সময় এই জে-১০সি ভারতীয় রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছিল।
ওই সংঘর্ষের পর থেকে চীন ও পাকিস্তানের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা ঘন ঘন বৈঠক করছেন। এর মধ্যে জুনে দুই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের মধ্যে একটি বৈঠক এবং গত মাসে ইসলামাবাদে বিমানবাহিনীর প্রধানদের মধ্যে আলোচনাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
গত ২৫ জুলাই চীনের সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের প্রথম র্যাঙ্কের ভাইস চেয়ারম্যান ঝাং ইউওক্সিয়া বেইজিংয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল জেনারেল আসিম মুনিরের সঙ্গে বৈঠক করেন। কাশ্মীরে সর্বশেষ উত্তেজনার পর থেকে ঝাং হলেন পাকিস্তানের সামরিক নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনকারী সর্বোচ্চ পদস্থ পিএলএ কর্মকর্তা। তিনি সামরিক সম্পর্ককে চীন-পাকিস্তান সম্পর্কের একটি প্রধান স্তম্ভ হিসেবে তুলে ধরেন এবং কৌশলগত সমন্বয়, গভীরতর সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক শান্তির জন্য যৌথ প্রচেষ্টার আহ্বান জানান।
চার দশক ধরে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর বহরে শুধু এএইচ-১ এফ কোবরা ও সীমিতসংখ্যক রুশ নির্মিত এমআই-৩৫ হিন্ডস হেলিকপ্টার ছিল। কিন্তু এই পুরোনো বিমানগুলোকে এখন আধুনিক যুদ্ধের প্রয়োজনের জন্য অপ্রতুল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জেট-১০ হেলিকপ্টারের বৈশিষ্ট্য
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, জেট-১০ হেলিকপ্টারগুলোর ইঞ্জিনের শক্তি, সুরক্ষাব্যবস্থা ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধক্ষমতা (ইলেকট্রোম্যাগনেটিক স্পেকট্রাম) পিএলএর স্ট্যান্ডার্ড ভ্যারিয়েন্টকে ছাড়িয়ে গেছে।
জেট-১০ ভারতের কাছে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি অ্যাপাচি হেলিকপ্টারের চেয়ে বেশি শক্তি উৎপাদনে সক্ষম বলে দাবি করা হচ্ছে। এর সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় প্রায় ৩০০ কিলোমিটার। এটি অস্ত্র ও জ্বালানিবোঝাই অবস্থায় যুদ্ধক্ষেত্রে টানা ৮০০ থেকে ১ হাজার ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত উড়তে পারে।
পাইলটের সুরক্ষা বাড়াতে এতে ব্যবহার করা হয়েছে টাইটানিয়াম ও সিরামিক কম্পোজিট আর্মার। এতে রয়েছে উন্নত অ্যাভিওনিকস, সক্রিয় ইলেকট্রনিক্যালি স্ক্যানড অ্যারে (এইএসএ)-ভিত্তিক মিসাইল অ্যাপ্রোচ ওয়ার্নিং সিস্টেম এবং ডাইরেকশনাল ইনফ্রারেড কাউন্টার মেজারস। এসব প্রযুক্তি পাইলটদের যুদ্ধ পরিস্থিতি সম্পর্কে অধিক সচেতনতা ও মিসাইল প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াবে।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রনিক প্রতিরোধব্যবস্থা—রাডার, অতিবেগুনি ও লেজার সতর্কতা, উন্নত ইনফ্রারেড প্রতিরোধকারী ব্যবস্থা, ইঞ্জিন এক্সহস্ট পরিবর্তন ও ইনফ্রারেড সাপ্রেসর, যা হেলিকপ্টারের তাপ চিহ্ন কমিয়ে দেবে। এগুলো চীনা হেলিকপ্টারগুলোতে আগে দেখা যায়নি।
অস্ত্রসজ্জায় রয়েছে ছয়টি আর্মস স্টেশন, যা থেকে নিক্ষেপ করা যাবে ২৫ কিলোমিটার পাল্লার সিএম-৫০২ কেজি প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল এবং ২৩ মিলিমিটার কামান। এই প্রযুক্তি পুরোনো মডেলের এএইচ-১ এফ ও টি-১২৯ হেলিকপ্টারের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর।
পাকিস্তানের এই উন্নত হেলিকপ্টার মোতায়েনের বিপরীতে ভারতও নিজস্ব বহর আধুনিকায়ন করছে। গত ২২ জুলাই ভারতীয় সেনাবাহিনী যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রথম তিনটি এএইচ-৬৪ই অ্যাপাচি গার্ডিয়ান হেলিকপ্টার কিনেছে। সর্বশেষ সংস্করণের এই হেলিকপ্টারগুলো পশ্চিম সীমান্তে, অর্থাৎ পাকিস্তান সীমান্তে মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে।
আরও খবর পড়ুন:

বড় মার্কিন কোম্পানিগুলোকে ‘ডি-ইন্ডিয়ানাইজ’ করা বা কোম্পানিগুলো থেকে ‘ভারতীয় নির্মূলের’ আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশিষ্ট ভাষ্যকার ও জরিপকারী মার্ক মিশেল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি আরও জানান, এ প্রক্রিয়ায় সহায়তা করতে একটি নতুন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান গড়তে চান তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
১৪ বছরের কম বয়সী স্কুলছাত্রীদের জন্য হিজাব বা বোরকার মতো মাথা ঢেকে পরে এমন পোশাক নিষিদ্ধ করেছে অস্ট্রিয়া। এই নিষেধাজ্ঞা সরকারি ও বেসরকারি দুই ধরনের স্কুলের ছাত্রীদের জন্যই প্রযোজ্য হবে। এ-সংক্রান্ত একটি আইন পাস করেছে দেশটি।
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাজ্যের ব্রিস্টলে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক যুগের ইতিহাস সম্পর্কিত ৬০০ টিরও বেশি ‘অতি মূল্যবান’ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন চুরির ঘটনা সামনে এসেছে। অ্যাভন এবং সমারসেট পুলিশ এই ঘটনাকে ‘হাই-ভ্যালু বার্গলারি’ বা ‘অতি মূল্যবান বস্তু চুরি’ বলে চিহ্নিত করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ইতালির বিলাসবহুল ব্র্যান্ড প্রাডা ভারতের ঐতিহ্যবাহী ‘কোলাপুরি’ চপ্পলের অনুকরণে সীমিত সংস্করণের কিছু স্যান্ডেল বাজারে আনতে যাচ্ছে। প্রতিটি স্যান্ডেলের মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ৮০০ ইউরো বা ৯৩০ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ১২ হাজার টাকা। চলতি বছরের জুনে পেটেন্ট নিয়ে তীব্র সমালোচনার...
১৪ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

বড় মার্কিন কোম্পানিগুলোকে ‘ডি-ইন্ডিয়ানাইজ’ করা বা কোম্পানিগুলো থেকে ‘ভারতীয় নির্মূলের’ আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশিষ্ট ভাষ্যকার ও জরিপকারী মার্ক মিশেল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি আরও জানান, এ প্রক্রিয়ায় সহায়তা করতে একটি নতুন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান গড়তে চান তিনি। এ মন্তব্যে মার্কিন প্রযুক্তি খাতে ভারতীয় পেশাজীবীদের ভূমিকা নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে এবং ভারতীয়দের মধ্যে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
মিশেল লিখেছেন, ‘আমার জীবনে কখনো কিছু এভাবে চাইনি। বড় বড় করপোরেশনকে ডি-ইন্ডিয়ানাইজ করতে সাহায্য করার জন্য নতুন করপোরেট পরামর্শক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে চাই আমি।’
কয়েক দিন আগে একটি পডকাস্টে যুক্তরাষ্ট্রে এইচ–১বি ভিসা কর্মসূচির আওতায় ভারতীয় পেশাজীবীদের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন রর্যাসমুসেন রিপোর্টসের প্রধান জরিপকারী মিশেল।
৮ ডিসেম্বর প্রচারিত ‘দ্য ওয়্যার রুম’ নামে ওই পডকাস্টে স্টিফেন ব্যাননের সঙ্গে আলোচনায় মিশেল এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচিতে ভারতীয়দের প্রাধান্য নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি দাবি করেন, অ্যাপলের মতো বড় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত একজন সিনিয়র এইচ-১বি ডেভেলপারকে দেশে ফেরানো অর্থনৈতিকভাবে ১০ জন বেআইনি অভিবাসীকে বহিষ্কারের সমান।
মিশেল বলেন, ‘অ্যাপলে থাকা প্রতিটি এইচ-১বি সিনিয়র ডেভেলপারকে যদি আমরা ফেরত পাঠাই, সেটি অর্থনৈতিক দিক থেকে সম্ভবত ১০ জন বেআইনি অভিবাসীকে দেশছাড়া করার সমান হবে। তাই এটা আমরা এখনো কেন করিনি, বুঝতে পারছি না। আর হ্যাঁ, অনেকেই এন্ট্রি লেভেলের, কিন্তু অনেকে বিপুল পরিমাণ অর্থও আয় করছে।’
এসব কারণে ১ কোটি ২০ লাখ মার্কিন প্রযুক্তিকর্মী বেকার হয়ে পড়েছেন বলে দাবি এই মার্কিন জরিপকারীর। তিনি মনে করেন, ‘বিদেশি শ্রমশক্তি’ সিলিকন ভ্যালিকে ‘ইন্ডিফাই’ বা ‘ভারতীয়করণ’ করেছে।
মিশেল আরও বলেন, সিলিকন ভ্যালিতে দেশের সবচেয়ে দামি রিয়েল এস্টেট রয়েছে। আর সেখানে কর্মশক্তির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই বিদেশে জন্ম নেওয়া। ওয়ালমার্টের ভবনগুলোতে ৮৫ থেকে ৯৫ শতাংশ ছিলেন ভারতীয় নাগরিক। তাঁরা এসব স্বর্ণসুযোগের পথ ধরে এসে চাকরিগুলো দখল করে নিচ্ছেন।
মিশেল আরও অভিযোগ করেন, শীর্ষ মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো কম খরচের অভিবাসী শ্রমশক্তির ওপর নির্ভর করছে। তাঁর দাবি, কোম্পানিগুলো সিনিয়র মার্কিন ইঞ্জিনিয়ারদের এড়িয়ে যাচ্ছে, কারণ তাঁদের হাতে রয়েছে ‘তৃতীয় বিশ্বের তরুণ ইঞ্জিনিয়ারদের এক অন্তহীন ভান্ডার’।
মিশেল আরও বলেন, ‘আমার মতো যাদের পরিবার আছে, যাদের কিছুটা বেশি বেতন দিতে হয়, তাদের হয়তো দু-একবার বেতন বেড়েছে। আমার স্বাস্থ্যবিমার খরচও একটু বেশি। আমাদের খুব সহজেই প্রতিস্থাপন করা যায় আর আমাকে দিয়েই আমার বিকল্পজনকে প্রশিক্ষণ করানো যায়।’
মিশেল বলেন, ‘একজন এইচ-১বি ডেভেলপার, যিনি ৯০ হাজার ডলার আয় করেন, তাঁকে আনা মানে ঘণ্টায় ৯ ডলার করে আয় করা ১০জন আনডকুমেন্টেড শ্রমিককে আমদানি করার সমান।’
সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, মার্কিন প্রযুক্তি খাতের প্রায় ৬৬ শতাংশ কর্মী বিদেশি। এর মধ্যে ২৩ শতাংশ ভারতীয় এবং ১৮ শতাংশ চীনা। এই প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় মিশেল এ মন্তব্য করেন।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে মিশেলের ‘ডি-ইন্ডিয়ানাইজ’ মন্তব্য। তিনি ‘বর্ণবাদী’ মন্তব্য করেছেন বলে অনেকে অভিযোগ তোলেন।
এক্সে এক ব্যবহারকারী লেখেন, ‘আপনি যদি বলতেন, বড় মার্কিন কোম্পানিগুলোকে “ডি-জিউ” করতে চান, তবে আপনার কোনো ক্যারিয়ারই থাকত না। কিন্তু মার্কিন রক্ষণশীল মহলে একটি “মডেল মাইনরিটি”র বিরুদ্ধে সরাসরি বর্ণবাদী হওয়া যেন স্বাভাবিক।’
অন্য একজন লিখেছেন, ‘খেয়াল করুন, এই মানুষটি এইচ–১বি থেকে সরাসরি “ইন্ডিয়ানস”-এ চলে গেছেন। মানে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া দ্বিতীয় প্রজন্মের ভারতীয়–আমেরিকানদেরও তিনি বঞ্চিত করতে চান।’
আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘ভাবুন তো, অন্য কোনো জাতিগোষ্ঠীকে নিয়ে কেউ এমন কথা বললে কী হতো। তাই হয়তো আপনার চাকরির সুযোগ এত সীমিত।’

বড় মার্কিন কোম্পানিগুলোকে ‘ডি-ইন্ডিয়ানাইজ’ করা বা কোম্পানিগুলো থেকে ‘ভারতীয় নির্মূলের’ আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশিষ্ট ভাষ্যকার ও জরিপকারী মার্ক মিশেল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি আরও জানান, এ প্রক্রিয়ায় সহায়তা করতে একটি নতুন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান গড়তে চান তিনি। এ মন্তব্যে মার্কিন প্রযুক্তি খাতে ভারতীয় পেশাজীবীদের ভূমিকা নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে এবং ভারতীয়দের মধ্যে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
মিশেল লিখেছেন, ‘আমার জীবনে কখনো কিছু এভাবে চাইনি। বড় বড় করপোরেশনকে ডি-ইন্ডিয়ানাইজ করতে সাহায্য করার জন্য নতুন করপোরেট পরামর্শক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে চাই আমি।’
কয়েক দিন আগে একটি পডকাস্টে যুক্তরাষ্ট্রে এইচ–১বি ভিসা কর্মসূচির আওতায় ভারতীয় পেশাজীবীদের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন রর্যাসমুসেন রিপোর্টসের প্রধান জরিপকারী মিশেল।
৮ ডিসেম্বর প্রচারিত ‘দ্য ওয়্যার রুম’ নামে ওই পডকাস্টে স্টিফেন ব্যাননের সঙ্গে আলোচনায় মিশেল এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচিতে ভারতীয়দের প্রাধান্য নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি দাবি করেন, অ্যাপলের মতো বড় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত একজন সিনিয়র এইচ-১বি ডেভেলপারকে দেশে ফেরানো অর্থনৈতিকভাবে ১০ জন বেআইনি অভিবাসীকে বহিষ্কারের সমান।
মিশেল বলেন, ‘অ্যাপলে থাকা প্রতিটি এইচ-১বি সিনিয়র ডেভেলপারকে যদি আমরা ফেরত পাঠাই, সেটি অর্থনৈতিক দিক থেকে সম্ভবত ১০ জন বেআইনি অভিবাসীকে দেশছাড়া করার সমান হবে। তাই এটা আমরা এখনো কেন করিনি, বুঝতে পারছি না। আর হ্যাঁ, অনেকেই এন্ট্রি লেভেলের, কিন্তু অনেকে বিপুল পরিমাণ অর্থও আয় করছে।’
এসব কারণে ১ কোটি ২০ লাখ মার্কিন প্রযুক্তিকর্মী বেকার হয়ে পড়েছেন বলে দাবি এই মার্কিন জরিপকারীর। তিনি মনে করেন, ‘বিদেশি শ্রমশক্তি’ সিলিকন ভ্যালিকে ‘ইন্ডিফাই’ বা ‘ভারতীয়করণ’ করেছে।
মিশেল আরও বলেন, সিলিকন ভ্যালিতে দেশের সবচেয়ে দামি রিয়েল এস্টেট রয়েছে। আর সেখানে কর্মশক্তির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই বিদেশে জন্ম নেওয়া। ওয়ালমার্টের ভবনগুলোতে ৮৫ থেকে ৯৫ শতাংশ ছিলেন ভারতীয় নাগরিক। তাঁরা এসব স্বর্ণসুযোগের পথ ধরে এসে চাকরিগুলো দখল করে নিচ্ছেন।
মিশেল আরও অভিযোগ করেন, শীর্ষ মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো কম খরচের অভিবাসী শ্রমশক্তির ওপর নির্ভর করছে। তাঁর দাবি, কোম্পানিগুলো সিনিয়র মার্কিন ইঞ্জিনিয়ারদের এড়িয়ে যাচ্ছে, কারণ তাঁদের হাতে রয়েছে ‘তৃতীয় বিশ্বের তরুণ ইঞ্জিনিয়ারদের এক অন্তহীন ভান্ডার’।
মিশেল আরও বলেন, ‘আমার মতো যাদের পরিবার আছে, যাদের কিছুটা বেশি বেতন দিতে হয়, তাদের হয়তো দু-একবার বেতন বেড়েছে। আমার স্বাস্থ্যবিমার খরচও একটু বেশি। আমাদের খুব সহজেই প্রতিস্থাপন করা যায় আর আমাকে দিয়েই আমার বিকল্পজনকে প্রশিক্ষণ করানো যায়।’
মিশেল বলেন, ‘একজন এইচ-১বি ডেভেলপার, যিনি ৯০ হাজার ডলার আয় করেন, তাঁকে আনা মানে ঘণ্টায় ৯ ডলার করে আয় করা ১০জন আনডকুমেন্টেড শ্রমিককে আমদানি করার সমান।’
সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, মার্কিন প্রযুক্তি খাতের প্রায় ৬৬ শতাংশ কর্মী বিদেশি। এর মধ্যে ২৩ শতাংশ ভারতীয় এবং ১৮ শতাংশ চীনা। এই প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় মিশেল এ মন্তব্য করেন।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে মিশেলের ‘ডি-ইন্ডিয়ানাইজ’ মন্তব্য। তিনি ‘বর্ণবাদী’ মন্তব্য করেছেন বলে অনেকে অভিযোগ তোলেন।
এক্সে এক ব্যবহারকারী লেখেন, ‘আপনি যদি বলতেন, বড় মার্কিন কোম্পানিগুলোকে “ডি-জিউ” করতে চান, তবে আপনার কোনো ক্যারিয়ারই থাকত না। কিন্তু মার্কিন রক্ষণশীল মহলে একটি “মডেল মাইনরিটি”র বিরুদ্ধে সরাসরি বর্ণবাদী হওয়া যেন স্বাভাবিক।’
অন্য একজন লিখেছেন, ‘খেয়াল করুন, এই মানুষটি এইচ–১বি থেকে সরাসরি “ইন্ডিয়ানস”-এ চলে গেছেন। মানে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া দ্বিতীয় প্রজন্মের ভারতীয়–আমেরিকানদেরও তিনি বঞ্চিত করতে চান।’
আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘ভাবুন তো, অন্য কোনো জাতিগোষ্ঠীকে নিয়ে কেউ এমন কথা বললে কী হতো। তাই হয়তো আপনার চাকরির সুযোগ এত সীমিত।’

চীনের তৈরি অত্যাধুনিক মাল্টিরোল অ্যাটাক হেলিকপ্টার জেট-১০ এখন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে। এক সপ্তাহ ধরে পাকিস্তানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, পাকিস্তান আর্মি অ্যাভিয়েশন কর্পস এই হেলিকপ্টারগুলো মাঠপর্যায়ে ব্যবহার শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞেরা বলছেন...
০৩ আগস্ট ২০২৫
১৪ বছরের কম বয়সী স্কুলছাত্রীদের জন্য হিজাব বা বোরকার মতো মাথা ঢেকে পরে এমন পোশাক নিষিদ্ধ করেছে অস্ট্রিয়া। এই নিষেধাজ্ঞা সরকারি ও বেসরকারি দুই ধরনের স্কুলের ছাত্রীদের জন্যই প্রযোজ্য হবে। এ-সংক্রান্ত একটি আইন পাস করেছে দেশটি।
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাজ্যের ব্রিস্টলে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক যুগের ইতিহাস সম্পর্কিত ৬০০ টিরও বেশি ‘অতি মূল্যবান’ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন চুরির ঘটনা সামনে এসেছে। অ্যাভন এবং সমারসেট পুলিশ এই ঘটনাকে ‘হাই-ভ্যালু বার্গলারি’ বা ‘অতি মূল্যবান বস্তু চুরি’ বলে চিহ্নিত করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ইতালির বিলাসবহুল ব্র্যান্ড প্রাডা ভারতের ঐতিহ্যবাহী ‘কোলাপুরি’ চপ্পলের অনুকরণে সীমিত সংস্করণের কিছু স্যান্ডেল বাজারে আনতে যাচ্ছে। প্রতিটি স্যান্ডেলের মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ৮০০ ইউরো বা ৯৩০ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ১২ হাজার টাকা। চলতি বছরের জুনে পেটেন্ট নিয়ে তীব্র সমালোচনার...
১৪ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

১৪ বছরের কম বয়সী স্কুলছাত্রীদের জন্য হিজাব বা বোরকার মতো মাথা ঢেকে পরে এমন পোশাক নিষিদ্ধ করেছে অস্ট্রিয়া। এই নিষেধাজ্ঞা সরকারি ও বেসরকারি দুই ধরনের স্কুলের ছাত্রীদের জন্যই প্রযোজ্য হবে। এ-সংক্রান্ত একটি আইন পাস করেছে দেশটি।
নতুন এই আইনে বলা হয়েছে, ১৪ বছরের কম বয়সী মেয়েরা ‘ঐতিহ্যবাহী মুসলিম’ মাথা ঢেকে রাখে এমন পোশাক, যেমন হিজাব বা বোরকা পরে স্কুলে যেতে পারবে না।
আইনে বলা হয়েছে, হিজাব নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে স্কুল কর্তৃপক্ষ ও আইনগত অভিভাবকদের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনায় বসতে হবে। বারবার নিয়ম ভাঙা হলে শিশু ও যুবকল্যাণ সংস্থাকে বিষয়টি জানাতে হবে। শেষপর্যন্ত প্রয়োজন হলে পরিবার বা অভিভাবকদের সর্বোচ্চ ৮০০ ইউরো (১ লাখ ১৪ হাজার ৪০০ টাকা) পর্যন্ত জরিমানা করা যেতে পারে।
এর আগে ২০২০ সালে ১০ বছরের কম বয়সী মেয়েশিশুদের জন্য হিজাব নিষিদ্ধের একটি আইন সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগে দেশটির সাংবিধানিক আদালত বাতিল করে দেন। কারণ, আইনটি সরাসরি মুসলমানদের লক্ষ্য করে করা হয়েছিল।
অস্ট্রিয়ার তিনটি মধ্যপন্থী দল—ওইভিপি (ÖVP), এসপিও (SPÖ) ও নিওস (Neos)-এর নেতৃত্বাধীন রক্ষণশীল জোট বলছে, এই আইন ‘লিঙ্গ সমতার প্রতি সুস্পষ্ট অঙ্গীকার’।
সরকারের সদস্যরা বলছেন, এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হলো কন্যাশিশুদের ক্ষমতায়ন করা। তাঁদের দাবি, এটি মেয়েদের ‘বঞ্চনা বা দমন-পীড়ন’ থেকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্যই নেওয়া হয়েছে।
লিবারেল নিওস দলের সংসদীয় নেতা ইয়ানিক শেটি বলেন, এটি কোনো ধর্মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নয়। এ দেশের মেয়েদের স্বাধীনতা রক্ষার জন্যই এই পদক্ষেপ।
নিষেধাজ্ঞাটি প্রায় ১২ হাজার শিশুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে বলে জানান তিনি।
অন্য দিকে নিষেধাজ্ঞার পক্ষে ভোট দেওয়া ডানপন্থী বিরোধী দল অস্ট্রিয়ার ফ্রিডম পার্টি (এফপিও) বলেছে, আইনটি যথেষ্ট দূর পর্যন্ত যায়নি। এটি ‘প্রথম ধাপ’, যা সম্প্রসারিত করে সব শিক্ষার্থী ও স্কুলকর্মীর জন্য প্রযোজ্য করা উচিত।
এফপিওর পরিবারের বিষয়ে দলের মুখপাত্র রিকার্ডা বার্গার বলেন, স্কুলে হিজাবের ওপর সামগ্রিক নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন। ইসলাম ধর্মের রাজনীতিকীকরণের কোনো স্থান এখানে নেই।
তবে সমালোচকেরা বলছেন, এই আইন দেশে ইসলামবিদ্বেষ আরও উসকে দিতে পারে এবং এটি সংবিধানবিরোধীও হতে পারে।
বিরোধী দল গ্রিনসের সিগরিড মাউরার নতুন আইনটিকে ‘স্পষ্টভাবেই অসাংবিধানিক’ বলে মন্তব্য করেছেন।
অস্ট্রিয়ার সরকারি ইসলামিক কমিউনিটি (আইজিজিও) জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করে এবং সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করবে। তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, শিশুদের ক্ষমতায়নের বদলে তাদের কলঙ্কিত ও প্রান্তিক করে দেওয়া হবে। তারা আইনটির সাংবিধানিকতা পর্যালোচনা করবে এবং প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছে।
আইজিজিও আরও বলেছে, সাংবিধানিক আদালত ইতিমধ্যে ২০২০ সালেই স্পষ্টভাবে রায় দিয়েছেন, এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা অসাংবিধানিক, কারণ এটি একটি ধর্মীয় সংখ্যালঘুকে লক্ষ্য করে এবং সমতার নীতি লঙ্ঘন করে।
এ নিয়ে সরকার বলছে, তারা এমন পরিস্থিতি এড়ানোর চেষ্টা করেছে। সংসদীয় নেতা ইয়ানিক শেটি বলেন, ‘এটি সাংবিধানিক আদালতের পরীক্ষায় টিকবে কি না, আমি জানি না। আমরা আমাদের সর্বোচ্চটুকু করেছি।’
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে এই আইনের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হবে। এরপর আগামী সেপ্টেম্বরে নতুন শিক্ষাবর্ষের শুরু থেকে নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি কার্যকর হবে।

১৪ বছরের কম বয়সী স্কুলছাত্রীদের জন্য হিজাব বা বোরকার মতো মাথা ঢেকে পরে এমন পোশাক নিষিদ্ধ করেছে অস্ট্রিয়া। এই নিষেধাজ্ঞা সরকারি ও বেসরকারি দুই ধরনের স্কুলের ছাত্রীদের জন্যই প্রযোজ্য হবে। এ-সংক্রান্ত একটি আইন পাস করেছে দেশটি।
নতুন এই আইনে বলা হয়েছে, ১৪ বছরের কম বয়সী মেয়েরা ‘ঐতিহ্যবাহী মুসলিম’ মাথা ঢেকে রাখে এমন পোশাক, যেমন হিজাব বা বোরকা পরে স্কুলে যেতে পারবে না।
আইনে বলা হয়েছে, হিজাব নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে স্কুল কর্তৃপক্ষ ও আইনগত অভিভাবকদের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনায় বসতে হবে। বারবার নিয়ম ভাঙা হলে শিশু ও যুবকল্যাণ সংস্থাকে বিষয়টি জানাতে হবে। শেষপর্যন্ত প্রয়োজন হলে পরিবার বা অভিভাবকদের সর্বোচ্চ ৮০০ ইউরো (১ লাখ ১৪ হাজার ৪০০ টাকা) পর্যন্ত জরিমানা করা যেতে পারে।
এর আগে ২০২০ সালে ১০ বছরের কম বয়সী মেয়েশিশুদের জন্য হিজাব নিষিদ্ধের একটি আইন সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগে দেশটির সাংবিধানিক আদালত বাতিল করে দেন। কারণ, আইনটি সরাসরি মুসলমানদের লক্ষ্য করে করা হয়েছিল।
অস্ট্রিয়ার তিনটি মধ্যপন্থী দল—ওইভিপি (ÖVP), এসপিও (SPÖ) ও নিওস (Neos)-এর নেতৃত্বাধীন রক্ষণশীল জোট বলছে, এই আইন ‘লিঙ্গ সমতার প্রতি সুস্পষ্ট অঙ্গীকার’।
সরকারের সদস্যরা বলছেন, এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হলো কন্যাশিশুদের ক্ষমতায়ন করা। তাঁদের দাবি, এটি মেয়েদের ‘বঞ্চনা বা দমন-পীড়ন’ থেকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্যই নেওয়া হয়েছে।
লিবারেল নিওস দলের সংসদীয় নেতা ইয়ানিক শেটি বলেন, এটি কোনো ধর্মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নয়। এ দেশের মেয়েদের স্বাধীনতা রক্ষার জন্যই এই পদক্ষেপ।
নিষেধাজ্ঞাটি প্রায় ১২ হাজার শিশুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে বলে জানান তিনি।
অন্য দিকে নিষেধাজ্ঞার পক্ষে ভোট দেওয়া ডানপন্থী বিরোধী দল অস্ট্রিয়ার ফ্রিডম পার্টি (এফপিও) বলেছে, আইনটি যথেষ্ট দূর পর্যন্ত যায়নি। এটি ‘প্রথম ধাপ’, যা সম্প্রসারিত করে সব শিক্ষার্থী ও স্কুলকর্মীর জন্য প্রযোজ্য করা উচিত।
এফপিওর পরিবারের বিষয়ে দলের মুখপাত্র রিকার্ডা বার্গার বলেন, স্কুলে হিজাবের ওপর সামগ্রিক নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন। ইসলাম ধর্মের রাজনীতিকীকরণের কোনো স্থান এখানে নেই।
তবে সমালোচকেরা বলছেন, এই আইন দেশে ইসলামবিদ্বেষ আরও উসকে দিতে পারে এবং এটি সংবিধানবিরোধীও হতে পারে।
বিরোধী দল গ্রিনসের সিগরিড মাউরার নতুন আইনটিকে ‘স্পষ্টভাবেই অসাংবিধানিক’ বলে মন্তব্য করেছেন।
অস্ট্রিয়ার সরকারি ইসলামিক কমিউনিটি (আইজিজিও) জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করে এবং সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করবে। তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, শিশুদের ক্ষমতায়নের বদলে তাদের কলঙ্কিত ও প্রান্তিক করে দেওয়া হবে। তারা আইনটির সাংবিধানিকতা পর্যালোচনা করবে এবং প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছে।
আইজিজিও আরও বলেছে, সাংবিধানিক আদালত ইতিমধ্যে ২০২০ সালেই স্পষ্টভাবে রায় দিয়েছেন, এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা অসাংবিধানিক, কারণ এটি একটি ধর্মীয় সংখ্যালঘুকে লক্ষ্য করে এবং সমতার নীতি লঙ্ঘন করে।
এ নিয়ে সরকার বলছে, তারা এমন পরিস্থিতি এড়ানোর চেষ্টা করেছে। সংসদীয় নেতা ইয়ানিক শেটি বলেন, ‘এটি সাংবিধানিক আদালতের পরীক্ষায় টিকবে কি না, আমি জানি না। আমরা আমাদের সর্বোচ্চটুকু করেছি।’
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে এই আইনের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হবে। এরপর আগামী সেপ্টেম্বরে নতুন শিক্ষাবর্ষের শুরু থেকে নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি কার্যকর হবে।

চীনের তৈরি অত্যাধুনিক মাল্টিরোল অ্যাটাক হেলিকপ্টার জেট-১০ এখন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে। এক সপ্তাহ ধরে পাকিস্তানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, পাকিস্তান আর্মি অ্যাভিয়েশন কর্পস এই হেলিকপ্টারগুলো মাঠপর্যায়ে ব্যবহার শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞেরা বলছেন...
০৩ আগস্ট ২০২৫
বড় মার্কিন কোম্পানিগুলোকে ‘ডি-ইন্ডিয়ানাইজ’ করা বা কোম্পানিগুলো থেকে ‘ভারতীয় নির্মূলের’ আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশিষ্ট ভাষ্যকার ও জরিপকারী মার্ক মিশেল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি আরও জানান, এ প্রক্রিয়ায় সহায়তা করতে একটি নতুন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান গড়তে চান তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাজ্যের ব্রিস্টলে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক যুগের ইতিহাস সম্পর্কিত ৬০০ টিরও বেশি ‘অতি মূল্যবান’ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন চুরির ঘটনা সামনে এসেছে। অ্যাভন এবং সমারসেট পুলিশ এই ঘটনাকে ‘হাই-ভ্যালু বার্গলারি’ বা ‘অতি মূল্যবান বস্তু চুরি’ বলে চিহ্নিত করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ইতালির বিলাসবহুল ব্র্যান্ড প্রাডা ভারতের ঐতিহ্যবাহী ‘কোলাপুরি’ চপ্পলের অনুকরণে সীমিত সংস্করণের কিছু স্যান্ডেল বাজারে আনতে যাচ্ছে। প্রতিটি স্যান্ডেলের মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ৮০০ ইউরো বা ৯৩০ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ১২ হাজার টাকা। চলতি বছরের জুনে পেটেন্ট নিয়ে তীব্র সমালোচনার...
১৪ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

যুক্তরাজ্যের ব্রিস্টলে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক যুগের ইতিহাস সম্পর্কিত ৬০০ টিরও বেশি ‘অতি মূল্যবান’ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন চুরির ঘটনা সামনে এসেছে। অ্যাভন এবং সমারসেট পুলিশ এই ঘটনাকে ‘হাই-ভ্যালু বার্গলারি’ বা ‘অতি মূল্যবান বস্তু চুরি’ বলে চিহ্নিত করেছে। চুরি যাওয়া সামগ্রীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নিদর্শন ভারতসহ ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিভিন্ন উপনিবেশ থেকে সংগৃহীত।
পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত ২৫ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে এই চুরির ঘটনা ঘটে। রাত ১টা থেকে ২টার মধ্যে চারজন অজ্ঞাতপরিচয় শ্বেতাঙ্গ পুরুষ ব্রিস্টলের কিউম্বারল্যান্ড রোড এলাকার একটি গুদামে প্রবেশ করে, যেখানে জাদুঘরের ‘ব্রিটিশ এম্পায়ার অ্যান্ড কমনওয়েলথ’ সংগ্রহশালার সামগ্রী সংরক্ষিত ছিল। মূল জাদুঘর নয়, বরং গুদাম থেকে এই বিশাল সংখ্যক প্রত্নবস্তু চুরি যাওয়ায় সংগ্রহশালাটির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চুরি যাওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির এক কর্মকর্তার কোমরের বেল্টের বাকল, হাতির দাঁতের খোদাই করা একটি বুদ্ধমূর্তি, সামরিক পদক, ব্যাজ, গয়না, রুপার বাসন, ব্রোঞ্জের মূর্তি এবং ভূতাত্ত্বিক নমুনা। প্রতিটি সামগ্রীর সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক মূল্য অনেক।
ঘটনাটি সেপ্টেম্বরে ঘটলেও, দু’মাসেরও বেশি সময় পর পুলিশ চলতি মাসে সন্দেহভাজন চার ব্যক্তির সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করে জনগণের সহায়তা চেয়েছে। প্রকাশিত ঝাপসা ফুটেজে দেখা গেছে, চারজন শ্বেতাঙ্গ পুরুষ ওই এলাকায় ব্যাগ নিয়ে ঘুরছে।
এই বিলম্ব প্রসঙ্গে পুলিশ কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা না দিলেও, অ্যাভন ও সমারসেট পুলিশের গোয়েন্দা কনস্টেবল ড্যান বার্গান এক বিবৃতিতে চুরির ঘটনাকে শহরের জন্য ‘এক বিশাল সাংস্কৃতিক ক্ষতি’ বলে উল্লেখ করেছেন।
গোয়েন্দা কনস্টেবল বার্গান আরও বলেন, ‘চুরি হওয়া এই জিনিসগুলোর অনেকগুলোই ব্যক্তিগত দান, যা ব্রিটিশ ইতিহাসের একটি বহু-স্তরীয় দিক সম্পর্কে গভীর ধারণা দেয়। এই সংগ্রহশালাটি ঔপনিবেশিক ইতিহাস, সাম্রাজ্যের কাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার বিরল দলিল।’
পুলিশ আশা করছে, এই গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক সম্পদগুলো উদ্ধার এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে সাধারণ মানুষ এগিয়ে আসবেন। গোয়েন্দা দল বর্তমানে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ, ফরেনসিক তদন্ত এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে।

যুক্তরাজ্যের ব্রিস্টলে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক যুগের ইতিহাস সম্পর্কিত ৬০০ টিরও বেশি ‘অতি মূল্যবান’ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন চুরির ঘটনা সামনে এসেছে। অ্যাভন এবং সমারসেট পুলিশ এই ঘটনাকে ‘হাই-ভ্যালু বার্গলারি’ বা ‘অতি মূল্যবান বস্তু চুরি’ বলে চিহ্নিত করেছে। চুরি যাওয়া সামগ্রীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নিদর্শন ভারতসহ ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিভিন্ন উপনিবেশ থেকে সংগৃহীত।
পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত ২৫ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে এই চুরির ঘটনা ঘটে। রাত ১টা থেকে ২টার মধ্যে চারজন অজ্ঞাতপরিচয় শ্বেতাঙ্গ পুরুষ ব্রিস্টলের কিউম্বারল্যান্ড রোড এলাকার একটি গুদামে প্রবেশ করে, যেখানে জাদুঘরের ‘ব্রিটিশ এম্পায়ার অ্যান্ড কমনওয়েলথ’ সংগ্রহশালার সামগ্রী সংরক্ষিত ছিল। মূল জাদুঘর নয়, বরং গুদাম থেকে এই বিশাল সংখ্যক প্রত্নবস্তু চুরি যাওয়ায় সংগ্রহশালাটির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চুরি যাওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির এক কর্মকর্তার কোমরের বেল্টের বাকল, হাতির দাঁতের খোদাই করা একটি বুদ্ধমূর্তি, সামরিক পদক, ব্যাজ, গয়না, রুপার বাসন, ব্রোঞ্জের মূর্তি এবং ভূতাত্ত্বিক নমুনা। প্রতিটি সামগ্রীর সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক মূল্য অনেক।
ঘটনাটি সেপ্টেম্বরে ঘটলেও, দু’মাসেরও বেশি সময় পর পুলিশ চলতি মাসে সন্দেহভাজন চার ব্যক্তির সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করে জনগণের সহায়তা চেয়েছে। প্রকাশিত ঝাপসা ফুটেজে দেখা গেছে, চারজন শ্বেতাঙ্গ পুরুষ ওই এলাকায় ব্যাগ নিয়ে ঘুরছে।
এই বিলম্ব প্রসঙ্গে পুলিশ কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা না দিলেও, অ্যাভন ও সমারসেট পুলিশের গোয়েন্দা কনস্টেবল ড্যান বার্গান এক বিবৃতিতে চুরির ঘটনাকে শহরের জন্য ‘এক বিশাল সাংস্কৃতিক ক্ষতি’ বলে উল্লেখ করেছেন।
গোয়েন্দা কনস্টেবল বার্গান আরও বলেন, ‘চুরি হওয়া এই জিনিসগুলোর অনেকগুলোই ব্যক্তিগত দান, যা ব্রিটিশ ইতিহাসের একটি বহু-স্তরীয় দিক সম্পর্কে গভীর ধারণা দেয়। এই সংগ্রহশালাটি ঔপনিবেশিক ইতিহাস, সাম্রাজ্যের কাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার বিরল দলিল।’
পুলিশ আশা করছে, এই গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক সম্পদগুলো উদ্ধার এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে সাধারণ মানুষ এগিয়ে আসবেন। গোয়েন্দা দল বর্তমানে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ, ফরেনসিক তদন্ত এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে।

চীনের তৈরি অত্যাধুনিক মাল্টিরোল অ্যাটাক হেলিকপ্টার জেট-১০ এখন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে। এক সপ্তাহ ধরে পাকিস্তানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, পাকিস্তান আর্মি অ্যাভিয়েশন কর্পস এই হেলিকপ্টারগুলো মাঠপর্যায়ে ব্যবহার শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞেরা বলছেন...
০৩ আগস্ট ২০২৫
বড় মার্কিন কোম্পানিগুলোকে ‘ডি-ইন্ডিয়ানাইজ’ করা বা কোম্পানিগুলো থেকে ‘ভারতীয় নির্মূলের’ আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশিষ্ট ভাষ্যকার ও জরিপকারী মার্ক মিশেল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি আরও জানান, এ প্রক্রিয়ায় সহায়তা করতে একটি নতুন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান গড়তে চান তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
১৪ বছরের কম বয়সী স্কুলছাত্রীদের জন্য হিজাব বা বোরকার মতো মাথা ঢেকে পরে এমন পোশাক নিষিদ্ধ করেছে অস্ট্রিয়া। এই নিষেধাজ্ঞা সরকারি ও বেসরকারি দুই ধরনের স্কুলের ছাত্রীদের জন্যই প্রযোজ্য হবে। এ-সংক্রান্ত একটি আইন পাস করেছে দেশটি।
৩ ঘণ্টা আগে
ইতালির বিলাসবহুল ব্র্যান্ড প্রাডা ভারতের ঐতিহ্যবাহী ‘কোলাপুরি’ চপ্পলের অনুকরণে সীমিত সংস্করণের কিছু স্যান্ডেল বাজারে আনতে যাচ্ছে। প্রতিটি স্যান্ডেলের মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ৮০০ ইউরো বা ৯৩০ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ১২ হাজার টাকা। চলতি বছরের জুনে পেটেন্ট নিয়ে তীব্র সমালোচনার...
১৪ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইতালির বিলাসবহুল ব্র্যান্ড প্রাডা ভারতের ঐতিহ্যবাহী ‘কোলাপুরি’ চপ্পলের অনুকরণে সীমিত সংস্করণের কিছু স্যান্ডেল বাজারে আনতে যাচ্ছে। প্রতিটি স্যান্ডেলের মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ৮০০ ইউরো বা ৯৩০ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ১২ হাজার টাকা। চলতি বছরের জুনে পেটেন্ট নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে প্রাডা ভারতীয় কারিগরদের সঙ্গে মিলে নতুন এই উদ্যোগ নিয়েছে।
প্রাডার জ্যেষ্ঠ নির্বাহী লোরেঞ্জো বেরতেল্লি এসব তথ্য জানিয়েছেন।
রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বেরতেল্লি জানান, প্রাডা প্রথম পর্যায়ে মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকে ২ হাজার জোড়া স্যান্ডেল তৈরি করবে। সেখানে ভারতীয় কারিগরদের দক্ষতা ও ইতালিয়ান প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটবে। এ জন্য প্রাডা ভারতের দুটি রাষ্ট্রীয় সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করেছে। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো—লেদার ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যান্ড চর্মাকার ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন ও ড. বাবু জগজীবন রাম লেদার ইন্ডাস্ট্রিজ ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন।
বেরতেল্লি বলেন, ‘আমরা স্থানীয় প্রস্তুতকারকদের ঐতিহ্যগত দক্ষতার সঙ্গে আমাদের ম্যানুফ্যাকচারিং টেকনিক যুক্ত করব।’ ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিশ্বব্যাপী ৪০টি প্রাডা স্টোর ও অনলাইনে এই সংস্করণের বিক্রি শুরু হবে।
ছয় মাস আগে মিলানের শোতে প্রাডা একটি স্যান্ডেল প্রদর্শন করে, যা দেখতে অনেকটাই ১২শ শতকের ভারতীয় কোলাপুরি চপ্পলের মতো ছিল। সেই ছবি ভাইরাল হলে ভারতীয় কারিগর ও রাজনীতিবিদেরা তীব্র প্রতিবাদ জানান। পরে প্রতিষ্ঠানটি স্বীকার করে যে তাদের নকশা ভারতীয় ঐতিহ্য থেকে অনুপ্রাণিত এবং এরপরই ভারতীয় কারিগরদের সঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেয়।
চুক্তি অনুযায়ী, তিন বছরের অংশীদারত্বের আওতায় কারিগরদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এর মধ্যে ভারতেই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি থাকবে, পাশাপাশি কারিগরেরা স্বল্প সময়ের জন্য ইতালির প্রাডা একাডেমিতেও শেখার সুযোগ পাবেন।
মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকে কোলাপুরি চপ্পলের উৎপত্তি। এগুলো মূলত এখনো ওই অঞ্চলের প্রান্তিক সম্প্রদায়ের মানুষের হাতে তৈরি হয়। শিল্পীরা আশা করছেন, প্রাডার সহযোগিতা নতুন প্রজন্মকে কাজে আকৃষ্ট করবে এবং দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এই ঐতিহ্য নতুনভাবে বাঁচবে।
লেদার ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যান্ড চর্মাকার ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রেরণা দেশভরত বলেন, ‘প্রাডা যখন এই কারুকর্মকে বিলাসবহুল পণ্যের মর্যাদা দেবে, তখন স্বাভাবিকভাবেই এর চাহিদা বাড়বে।’
বেরতেল্লি জানান, এই প্রকল্পে কয়েক মিলিয়ন ইউরো ব্যয় হবে এবং কারিগরদের ন্যায্য পারিশ্রমিক দেওয়া হবে।
যদিও প্রাডা এ বছর দিল্লিতে তাদের প্রথম বিউটি স্টোর খুলেছে। তবে বেরতেল্লি জানান, আগামী বছরে ভারতে নতুন কোনো রিটেইল ফ্যাশন আউটলেট বা কারখানা খোলার পরিকল্পনা নেই। তিন থেকে পাঁচ বছর পর বিষয়টি বিবেচনায় আসতে পারে।
বেরতেল্লি বলেন, ভারতে এখনই নতুন কোনো স্টোরের পরিকল্পনা নেই, তবে এটি নিয়ে আমরা গুরুত্বসহকারে ভাবছি। ভারতই আমাদের জন্য ‘পরবর্তী বড় সম্ভাবনাময় বাজার’।
বৈশ্বিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ডেলয়েট গ্লোবালের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ভারতের বিলাসবহুল পণ্যের বাজারের মূল্য ছিল প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলার, যা ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। তবে এটি এখনো চীনের তুলনায় অনেক ছোট; যেখানে ২০২৪ সালে বাজারের আকার ছিল প্রায় ৪৯.৫ বিলিয়ন ডলার।
বেশির ভাগ গ্লোবাল ব্র্যান্ডই ভারতীয় বাজারে প্রবেশ করেছে রিলায়েন্স বা আদিত্য বিরলা গ্রুপের মতো বড় কনগ্লোমারেটের অংশীদারত্বে। তবে বেশি সময় লাগলেও প্রাডা নিজেরাই ভারতের বাজারে প্রবেশ করতে চায়।

ইতালির বিলাসবহুল ব্র্যান্ড প্রাডা ভারতের ঐতিহ্যবাহী ‘কোলাপুরি’ চপ্পলের অনুকরণে সীমিত সংস্করণের কিছু স্যান্ডেল বাজারে আনতে যাচ্ছে। প্রতিটি স্যান্ডেলের মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ৮০০ ইউরো বা ৯৩০ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ১২ হাজার টাকা। চলতি বছরের জুনে পেটেন্ট নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে প্রাডা ভারতীয় কারিগরদের সঙ্গে মিলে নতুন এই উদ্যোগ নিয়েছে।
প্রাডার জ্যেষ্ঠ নির্বাহী লোরেঞ্জো বেরতেল্লি এসব তথ্য জানিয়েছেন।
রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বেরতেল্লি জানান, প্রাডা প্রথম পর্যায়ে মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকে ২ হাজার জোড়া স্যান্ডেল তৈরি করবে। সেখানে ভারতীয় কারিগরদের দক্ষতা ও ইতালিয়ান প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটবে। এ জন্য প্রাডা ভারতের দুটি রাষ্ট্রীয় সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করেছে। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো—লেদার ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যান্ড চর্মাকার ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন ও ড. বাবু জগজীবন রাম লেদার ইন্ডাস্ট্রিজ ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন।
বেরতেল্লি বলেন, ‘আমরা স্থানীয় প্রস্তুতকারকদের ঐতিহ্যগত দক্ষতার সঙ্গে আমাদের ম্যানুফ্যাকচারিং টেকনিক যুক্ত করব।’ ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিশ্বব্যাপী ৪০টি প্রাডা স্টোর ও অনলাইনে এই সংস্করণের বিক্রি শুরু হবে।
ছয় মাস আগে মিলানের শোতে প্রাডা একটি স্যান্ডেল প্রদর্শন করে, যা দেখতে অনেকটাই ১২শ শতকের ভারতীয় কোলাপুরি চপ্পলের মতো ছিল। সেই ছবি ভাইরাল হলে ভারতীয় কারিগর ও রাজনীতিবিদেরা তীব্র প্রতিবাদ জানান। পরে প্রতিষ্ঠানটি স্বীকার করে যে তাদের নকশা ভারতীয় ঐতিহ্য থেকে অনুপ্রাণিত এবং এরপরই ভারতীয় কারিগরদের সঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেয়।
চুক্তি অনুযায়ী, তিন বছরের অংশীদারত্বের আওতায় কারিগরদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এর মধ্যে ভারতেই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি থাকবে, পাশাপাশি কারিগরেরা স্বল্প সময়ের জন্য ইতালির প্রাডা একাডেমিতেও শেখার সুযোগ পাবেন।
মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকে কোলাপুরি চপ্পলের উৎপত্তি। এগুলো মূলত এখনো ওই অঞ্চলের প্রান্তিক সম্প্রদায়ের মানুষের হাতে তৈরি হয়। শিল্পীরা আশা করছেন, প্রাডার সহযোগিতা নতুন প্রজন্মকে কাজে আকৃষ্ট করবে এবং দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এই ঐতিহ্য নতুনভাবে বাঁচবে।
লেদার ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যান্ড চর্মাকার ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রেরণা দেশভরত বলেন, ‘প্রাডা যখন এই কারুকর্মকে বিলাসবহুল পণ্যের মর্যাদা দেবে, তখন স্বাভাবিকভাবেই এর চাহিদা বাড়বে।’
বেরতেল্লি জানান, এই প্রকল্পে কয়েক মিলিয়ন ইউরো ব্যয় হবে এবং কারিগরদের ন্যায্য পারিশ্রমিক দেওয়া হবে।
যদিও প্রাডা এ বছর দিল্লিতে তাদের প্রথম বিউটি স্টোর খুলেছে। তবে বেরতেল্লি জানান, আগামী বছরে ভারতে নতুন কোনো রিটেইল ফ্যাশন আউটলেট বা কারখানা খোলার পরিকল্পনা নেই। তিন থেকে পাঁচ বছর পর বিষয়টি বিবেচনায় আসতে পারে।
বেরতেল্লি বলেন, ভারতে এখনই নতুন কোনো স্টোরের পরিকল্পনা নেই, তবে এটি নিয়ে আমরা গুরুত্বসহকারে ভাবছি। ভারতই আমাদের জন্য ‘পরবর্তী বড় সম্ভাবনাময় বাজার’।
বৈশ্বিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ডেলয়েট গ্লোবালের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ভারতের বিলাসবহুল পণ্যের বাজারের মূল্য ছিল প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলার, যা ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। তবে এটি এখনো চীনের তুলনায় অনেক ছোট; যেখানে ২০২৪ সালে বাজারের আকার ছিল প্রায় ৪৯.৫ বিলিয়ন ডলার।
বেশির ভাগ গ্লোবাল ব্র্যান্ডই ভারতীয় বাজারে প্রবেশ করেছে রিলায়েন্স বা আদিত্য বিরলা গ্রুপের মতো বড় কনগ্লোমারেটের অংশীদারত্বে। তবে বেশি সময় লাগলেও প্রাডা নিজেরাই ভারতের বাজারে প্রবেশ করতে চায়।

চীনের তৈরি অত্যাধুনিক মাল্টিরোল অ্যাটাক হেলিকপ্টার জেট-১০ এখন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে। এক সপ্তাহ ধরে পাকিস্তানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, পাকিস্তান আর্মি অ্যাভিয়েশন কর্পস এই হেলিকপ্টারগুলো মাঠপর্যায়ে ব্যবহার শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞেরা বলছেন...
০৩ আগস্ট ২০২৫
বড় মার্কিন কোম্পানিগুলোকে ‘ডি-ইন্ডিয়ানাইজ’ করা বা কোম্পানিগুলো থেকে ‘ভারতীয় নির্মূলের’ আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশিষ্ট ভাষ্যকার ও জরিপকারী মার্ক মিশেল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি আরও জানান, এ প্রক্রিয়ায় সহায়তা করতে একটি নতুন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান গড়তে চান তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
১৪ বছরের কম বয়সী স্কুলছাত্রীদের জন্য হিজাব বা বোরকার মতো মাথা ঢেকে পরে এমন পোশাক নিষিদ্ধ করেছে অস্ট্রিয়া। এই নিষেধাজ্ঞা সরকারি ও বেসরকারি দুই ধরনের স্কুলের ছাত্রীদের জন্যই প্রযোজ্য হবে। এ-সংক্রান্ত একটি আইন পাস করেছে দেশটি।
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাজ্যের ব্রিস্টলে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক যুগের ইতিহাস সম্পর্কিত ৬০০ টিরও বেশি ‘অতি মূল্যবান’ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন চুরির ঘটনা সামনে এসেছে। অ্যাভন এবং সমারসেট পুলিশ এই ঘটনাকে ‘হাই-ভ্যালু বার্গলারি’ বা ‘অতি মূল্যবান বস্তু চুরি’ বলে চিহ্নিত করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে