
ই-৩ সেন্ট্রি মূলত বোয়িং ৭০৭/৩২০-এর একটি পরিবর্তিত সংস্করণ, যার ওপরে একটি ঘূর্ণায়মান রাডার ডোম থাকে। এর রাডারের ক্ষেত্র ৩৭৫ কিলোমিটারের বেশি। এটি আকাশযুদ্ধের কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার হিসেবে কাজ করে এবং বিরতিহীনভাবে ৮ ঘণ্টা উড়তে পারে।

ইরানের দ্রুতগামী আক্রমণকারী এসব বোট এবং উপকূল ও বিভিন্ন দ্বীপে থাকা মিসাইল ঘাঁটিগুলো ধ্বংস করার লক্ষ্যে নেমেছে এসব ফাইটার ও হেলিকপ্টার। তাদের মূল লক্ষ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি পুনরায় উন্মুক্ত করা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের অবসান ঘটানো।

এফ-৩৫ কোনো তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ প্রতিফলিত করে না। যা স্টেলথ প্রযুক্তির প্রধান বৈশিষ্ট্য। এ কারণেই হয়তো আগের হামলাগুলোতে এটি ধ্বংস হয়নি। তবে এবার ইরান সম্ভবত ইও/আইআর সেন্সর ব্যবহার করে এটিকে শনাক্ত করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলার লক্ষ্যে লড়াই জোরদার করেছে। এই জলপথের ওপর দিয়ে অনেক নিচু দিয়ে উড়া যুদ্ধবিমান পাঠিয়ে ইরানের নৌযান ধ্বংস করা হচ্ছে এবং অ্যাপাচি হেলিকপ্টার দিয়ে ইরানের প্রাণঘাতী ড্রোন ভূপাতিত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা।