রমজান মাসে সৌদি আরবের অন্যতম পবিত্র নগরী মদিনার মসজিদে নববির ছাদে আরও ৯০ হাজার মুসল্লির নামাজে ব্যবস্থা করছে কর্তৃপক্ষ। ফলে মসজিদটিতে আরও বেশি রোজাদার নামাজের সুযোগ পাবেন। সৌদি আরব সরকারের মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববি পরিচালনা কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
গালফ নিউজের খবরে বলা হয়েছে, মসজিদে নববির ছাদের আয়তন প্রায় ৬৭ হাজার বর্গমিটার। ২৪টি সিঁড়ির সাহায্যে এই ছাদে ওঠা যাবে। এ ছাড়া নির্বিঘ্নে নামাজ নিশ্চিতে আরও অন্যান্য সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, নামাজের আগে ও পরে ছাদে ওঠা-নামার সুবিধার্থে আরও ছয়টি এস্কেলেটর যুক্ত করা হয়েছে।
সৌদি সরকারের উদ্যোগ অর্থায়নে এই প্রকল্পে আরও অর্থায়ন করেছে দেশটির বিভিন্ন দাতব্য ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। নামাজের জন্য প্রস্তুত করার লক্ষ্যে এরই মধ্যে মসজিদের ছাদ পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করা হয়েছে, সুগন্ধি ছিটানো হয়েছে এবং নামাজের জন্য বিভিন্ন আকারের পাঁচ হাজার মাদুর বিছানো হয়েছে।
এ ছাড়া, চলতি রমজানে মসজিদের ছাদে ইফতারেরও সুব্যবস্থা আছে। এর বাইরে, প্রতিদিন রোজাদারদের মধ্যে খাবার, জমজমের পানি ও ২০ হাজার কপি কোরআন শরিফ বিতরণ করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, মসজিদে নববিতে মাগরিবের আজানের আগে ইফতারের প্রস্তুতি শুরুর নির্দেশিকা ও দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। এমনকি মাগরিবের সময়ই ঘোষণা করে দেওয়া হচ্ছে রাতে এশা ও তারাবি নামাজের জন্য ছাদটি সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত কি না।

ইরানে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের লক্ষ্য অর্জনে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয়েছে বলে বিশ্বের প্রধান ৮০টি থিংকট্যাংক বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ’ গত এক মাসে প্রকাশিত এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ...
১ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি সচল করতে সামরিক অভিযানের বৈধতা চেয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপনের চেষ্টা চালাচ্ছে আমিরাত। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলোকে নিয়ে একটি শক্তিশালী সামরিক জোট গঠনের জন্যও তারা লবিং করছে বলে জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে স্থল অভিযান চালালে মার্কিন সেনারা শুধু ছদ্মবেশী জঙ্গি বা লুকিয়ে থাকা সন্ত্রাসীদেরই মুখোমুখি হবে না; তাদের সামনে দাঁড়াবে একটি সুসংগঠিত ও বিপুলসংখ্যক যোদ্ধার বাহিনী, যারা মাতৃভূমি রক্ষাকে সর্বোচ্চ লক্ষ্য হিসেবে দেখে। গত চার দশকে বিপুল অর্থ ব্যয় করে প্রতিরক্ষার এই কাঠামো গড়ে তুলেছে তেহরান।
২ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর প্রেক্ষাপটে ১৯৪৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ন্যাটো সামরিক জোট গঠিত হয়। এই জোটের উদ্দেশ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব রক্ষা। স্নায়ুযুদ্ধের পুরোটা সময় ন্যাটো জোট কাজ করেছে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্প্রসারণবাদ ও প্রভাব মোকাবিলায়।
৩ ঘণ্টা আগে