
কানাডায় এখন শীতের মৌসুম। আবহাওয়া অধিদপ্তর আগেই জানিয়েছিল, কিংস্টনে ২০ মার্চ তুষারপাত হবে। হয়েছেও তাই। তারপরও দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর এ দিন মুসলিম সম্প্রদায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং ধর্মীয় ভাব গাম্ভির্যে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্যাপন করেছেন।

১৪৪৭ হিজরি (২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ) রমজান মাসজুড়ে মসজিদে নববির অভ্যন্তরে এবং এর বিশাল চত্বরে অবস্থানরত রোজাদারদের মধ্যে এই বিপুল পরিমাণ ইফতার অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে বিতরণ করা হয়। সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে পরিবেশন করা এই ইফতারসামগ্রীর গুণমান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরাসরি তত্ত্বাবধান করেছে জেনারেল অথরিটি।

পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দধারা এখনো আমাদের জনপদে প্রবহমান। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার পর আমরা মেতে উঠেছি উৎসবের আমেজে। কিন্তু উৎসবের এই ডামাডোলে আমরা কি একবারও ভেবে দেখেছি, বিদায়ী রমজান আমাদের হৃদয়ে কী বীজ বুনে দিয়ে গেল? রমজান কেবল এক মাস না খেয়ে থাকার নাম নয়, বরং এটি ছিল এক আধ্যাত্মিক বসন্ত...

রমজানের কোনো রোজা যদি শরিয়তসম্মত কারণে ছুটে যায়, তবে পরবর্তী সময়ে তা আদায় করে নেওয়া ফরজ। পবিত্র কোরআনে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ‘তোমাদের মধ্যে কেউ অসুস্থ বা সফরে থাকলে সে অন্য সময় সেই সংখ্যা পূরণ করবে।’ (সুরা বাকারা: ১৮৫)। এ আয়াত থেকে বোঝা যায়, রমজানের রোজা যদি কোনো কারণে আদায় করা না যায়...