
ছত্তিশগড়ের সুকমা জেলায় আজ সোমবার (৯ জুন) সকালে আইইডি বিস্ফোরণে নিহত হয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) আকাশ রাও গিরিপুঞ্জে। এ ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন আরও দুই নিরাপত্তাকর্মী। বিস্ফোরণটি ঘটে সুকমার কন্তা থানার অন্তর্গত দোন্দরা গ্রামের কাছে, এ সময় পুলিশ ও সেন্ট্রাল রিজার্ভ ফোর্সের (সিআরপিএফ) একটি যৌথ দল পেট্রোলিংয়ে বেরিয়েছিল।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাটিতে পুঁতে রাখা ছিল একটি শক্তিশালী প্রেসার আইইডি। এএসপি গিরিপুঞ্জের নেতৃত্বে একটি দল যখন এলাকাটি টহল দিচ্ছিল, ঠিক তখনই বিস্ফোরণটি ঘটে। ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। পরে রায়পুরে আনা হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত এএসপি আকাশ রাও গিরিপুঞ্জে ২০১৩ ব্যাচের এক দক্ষ এবং সাহসী অফিসার ছিলেন। মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায় কাজ করতে গিয়ে তিনি বহুবার সাফল্য অর্জন করেন বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা। তাঁর মৃত্যুতে রাজ্যের নিরাপত্তা মহলে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
ঘটনার পরপরই গোটা এলাকায় চিরুনি তল্লাশি শুরু হয়েছে। আরও আইইডি পুঁতে রাখা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ) ও রাজ্য পুলিশের যৌথ টিম।
রাজ্যের ডেপুটি মুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মা এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আকাশ গিরিপুঞ্জের মৃত্যু আমাদের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। দোষীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।’ তিনি মাওবাদীদের উদ্দেশে বলেন, ‘সহিংসতা বন্ধ করে আত্মসমর্পণের পথে আসুন।’
প্রসঙ্গত, আগামীকাল ১০ জুন মাওবাদীদের ডাকা বন্ধ (হরতাল) উপলক্ষে সুকমা ও সংলগ্ন এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। তারই অংশ হিসেবে এই পেট্রোলিং চলছিল বলে জানা গেছে।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, আহতদের রায়পুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে এবং সুকমার বিভিন্ন এলাকায় বাড়তি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর দাবি, এই বিস্ফোরণ তাদের মনোবল নষ্ট করতে পারবে না। মাওবাদী দমন অভিযানে কোনো রকম ছাড় দেওয়া হবে না।

ইরানে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের লক্ষ্য অর্জনে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয়েছে বলে বিশ্বের প্রধান ৮০টি থিংকট্যাংক বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ’ গত এক মাসে প্রকাশিত এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ...
১ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি সচল করতে সামরিক অভিযানের বৈধতা চেয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপনের চেষ্টা চালাচ্ছে আমিরাত। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলোকে নিয়ে একটি শক্তিশালী সামরিক জোট গঠনের জন্যও তারা লবিং করছে বলে জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে স্থল অভিযান চালালে মার্কিন সেনারা শুধু ছদ্মবেশী জঙ্গি বা লুকিয়ে থাকা সন্ত্রাসীদেরই মুখোমুখি হবে না; তাদের সামনে দাঁড়াবে একটি সুসংগঠিত ও বিপুলসংখ্যক যোদ্ধার বাহিনী, যারা মাতৃভূমি রক্ষাকে সর্বোচ্চ লক্ষ্য হিসেবে দেখে। গত চার দশকে বিপুল অর্থ ব্যয় করে প্রতিরক্ষার এই কাঠামো গড়ে তুলেছে তেহরান।
২ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর প্রেক্ষাপটে ১৯৪৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ন্যাটো সামরিক জোট গঠিত হয়। এই জোটের উদ্দেশ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব রক্ষা। স্নায়ুযুদ্ধের পুরোটা সময় ন্যাটো জোট কাজ করেছে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্প্রসারণবাদ ও প্রভাব মোকাবিলায়।
৪ ঘণ্টা আগে