ভারতের ছত্তিশগড়ে পুলিশকে তথ্য দেওয়ার অভিযোগে সন্দেহজনক ৪ গ্রামবাসীকে হত্যা করেছে মাওবাদী নকশালরা। আজ বৃহস্পতিবার হিন্দুস্থান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানা গেছে।
রাজ্য কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুটি আলাদা ঘটনায় ওই চার ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছে। এর মধ্যে বুধবার রাত ও আজ বৃহস্পতিবার কংকার জেলার মরখান্দি গ্রামে প্রথমে তিনজনকে হত্যা করা হয়। তাঁদের বয়স ২৭ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নকশাল বিদ্রোহীরা ওই গ্রামে একটি পুস্তিকা বিতরণ করেছেন। যেখানে তাঁরা দাবি করেছেন, হত্যাকাণ্ডের শিকার তিনজনই পুলিশের ‘সি-৬০’ বাহিনীকে গোপনে তথ্য সরবরাহ করতেন। মহারাষ্ট্র পুলিশের বিশেষ এই ইউনিট মূলত নকশালবাদীদের দমনে কাজ করছে।
দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটেছে বিজাপুর জেলায়। সেখানে ৪০ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর রাস্তায় ফেলে রেখে যান নকশালবাদীরা।
দুটি ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনী আজ বৃহস্পতিবার একটি যৌথ অভিযান শুরু করেছে। হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া মাওবাদী নকশালদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছে তারা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ৭ নভেম্বর রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম ধাপে যে ২০টি আসনে ভোট গ্রহণ করা হবে—তার মধ্যে কংকার ও বিজাপুর রয়েছে। মোট ৯০টি আসনের মধ্যে বাকি ৭০টি আসনের ভোট গ্রহণ ১৭ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত হবে।
পুলিশের তথ্য মতে, গত চার দশকে ছত্রিশগড়ের বিভিন্ন এলাকায় মাওবাদীরা কোটি কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসের পাশাপাশি ১ হাজার ৭০০ নিরপরাধ নাগরিককে হত্যা করেছেন।

ইরানে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের লক্ষ্য অর্জনে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয়েছে বলে বিশ্বের প্রধান ৮০টি থিংকট্যাংক বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ’ গত এক মাসে প্রকাশিত এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ...
১ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি সচল করতে সামরিক অভিযানের বৈধতা চেয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপনের চেষ্টা চালাচ্ছে আমিরাত। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলোকে নিয়ে একটি শক্তিশালী সামরিক জোট গঠনের জন্যও তারা লবিং করছে বলে জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে স্থল অভিযান চালালে মার্কিন সেনারা শুধু ছদ্মবেশী জঙ্গি বা লুকিয়ে থাকা সন্ত্রাসীদেরই মুখোমুখি হবে না; তাদের সামনে দাঁড়াবে একটি সুসংগঠিত ও বিপুলসংখ্যক যোদ্ধার বাহিনী, যারা মাতৃভূমি রক্ষাকে সর্বোচ্চ লক্ষ্য হিসেবে দেখে। গত চার দশকে বিপুল অর্থ ব্যয় করে প্রতিরক্ষার এই কাঠামো গড়ে তুলেছে তেহরান।
২ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর প্রেক্ষাপটে ১৯৪৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ন্যাটো সামরিক জোট গঠিত হয়। এই জোটের উদ্দেশ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব রক্ষা। স্নায়ুযুদ্ধের পুরোটা সময় ন্যাটো জোট কাজ করেছে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্প্রসারণবাদ ও প্রভাব মোকাবিলায়।
৪ ঘণ্টা আগে