
দীর্ঘ ৩৮ বছর পর কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে যাচ্ছেন হুন সেন। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, আবারও তিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন, তবে ক্ষমতা গ্রহণের তিন সপ্তাহ পরই তিনি পদত্যাগ করে তাঁর বড় ছেলে হুন মানেতের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
আজ বুধবার কম্বোডিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী শাসক এবং কম্বোডিয়ান পিপলস পার্টির (সিপিপি) নেতা হুন সেন এই ঘোষণা দেন। এর আগে, গত রোববার অনুষ্ঠিত দেশটির সপ্তম জাতীয় নির্বাচনে সিপিপি ভূমিধস বিজয় অর্জন করে। অবশ্য নির্বাচনে উল্লেখ করার মতো কোনো বিরোধী দলকে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয়নি।
হুন সেন তাঁর ঘোষণায় বলেন, ‘আমি সবাইকে জানাতে চাই যে আমি আর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করব না। আমি চাই জনগণ বিষয়টি ভালোভাবে উপলব্ধি করুক।’ উল্লেখ্য, হুন সেন দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে কম্বোডিয়ার ক্ষমতায় ছিলেন। ৭০ বছর বয়সী এই রাজনীতিবিদ জানান, তিনি পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন, তবে কিছুদিন পরই ক্ষমতা তাঁর বড় ছেলে হুন মানেতের কাছে হস্তান্তর করবেন।
দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচার মাধ্যমে প্রচারিত এক ভাষণে হুন সেন বলেন, তিনি তাঁর ইচ্ছার বিষয়টি রাজা নরোদম সিহামনিকে অবগত করেছেন এবং রাজা তাঁর ইচ্ছার সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিটি গত রোববার হয়ে যাওয়া নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল জানানোর পরপরই তাঁর ছেলে হুন মানেত প্রধানমন্ত্রী হবেন।
হুন সেন জানিয়েছেন—কেবল প্রধানমন্ত্রী পদেই নয়, বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়েও পরিবর্তন আসবে। বুড়ো রাজনীতিবিদদের পরিবর্তে এসব মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আসবেন তরুণ প্রজন্মের নেতারা। আগামী ১২ আগস্ট দেশটির নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করা হবে।
৪৫ বছর বয়সী হুন মানেত বর্তমানে কম্বোডিয়ার সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আবার একই সঙ্গে তিনি গত রোববার হয়ে যাওয়া নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে জয়ও লাভ করেন। এ ছাড়া তাঁর দল সিপিপি দেশটির ১২৫ আসনে পার্লামেন্টের মধ্যে ১২০টি আসন পেয়ে এক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।
যদিও প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করছেন হুন সেন, তবে তারপরও দেশ পরিচালনায় তাঁর অংশগ্রহণ থেকে যাবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়লেও দেশের সিনেটের প্রেসিডেন্টের পদ থেকে সরবেন না।

দীর্ঘ ৩৮ বছর পর কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে যাচ্ছেন হুন সেন। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, আবারও তিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন, তবে ক্ষমতা গ্রহণের তিন সপ্তাহ পরই তিনি পদত্যাগ করে তাঁর বড় ছেলে হুন মানেতের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
আজ বুধবার কম্বোডিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী শাসক এবং কম্বোডিয়ান পিপলস পার্টির (সিপিপি) নেতা হুন সেন এই ঘোষণা দেন। এর আগে, গত রোববার অনুষ্ঠিত দেশটির সপ্তম জাতীয় নির্বাচনে সিপিপি ভূমিধস বিজয় অর্জন করে। অবশ্য নির্বাচনে উল্লেখ করার মতো কোনো বিরোধী দলকে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয়নি।
হুন সেন তাঁর ঘোষণায় বলেন, ‘আমি সবাইকে জানাতে চাই যে আমি আর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করব না। আমি চাই জনগণ বিষয়টি ভালোভাবে উপলব্ধি করুক।’ উল্লেখ্য, হুন সেন দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে কম্বোডিয়ার ক্ষমতায় ছিলেন। ৭০ বছর বয়সী এই রাজনীতিবিদ জানান, তিনি পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন, তবে কিছুদিন পরই ক্ষমতা তাঁর বড় ছেলে হুন মানেতের কাছে হস্তান্তর করবেন।
দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচার মাধ্যমে প্রচারিত এক ভাষণে হুন সেন বলেন, তিনি তাঁর ইচ্ছার বিষয়টি রাজা নরোদম সিহামনিকে অবগত করেছেন এবং রাজা তাঁর ইচ্ছার সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিটি গত রোববার হয়ে যাওয়া নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল জানানোর পরপরই তাঁর ছেলে হুন মানেত প্রধানমন্ত্রী হবেন।
হুন সেন জানিয়েছেন—কেবল প্রধানমন্ত্রী পদেই নয়, বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়েও পরিবর্তন আসবে। বুড়ো রাজনীতিবিদদের পরিবর্তে এসব মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আসবেন তরুণ প্রজন্মের নেতারা। আগামী ১২ আগস্ট দেশটির নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করা হবে।
৪৫ বছর বয়সী হুন মানেত বর্তমানে কম্বোডিয়ার সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আবার একই সঙ্গে তিনি গত রোববার হয়ে যাওয়া নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে জয়ও লাভ করেন। এ ছাড়া তাঁর দল সিপিপি দেশটির ১২৫ আসনে পার্লামেন্টের মধ্যে ১২০টি আসন পেয়ে এক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।
যদিও প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করছেন হুন সেন, তবে তারপরও দেশ পরিচালনায় তাঁর অংশগ্রহণ থেকে যাবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়লেও দেশের সিনেটের প্রেসিডেন্টের পদ থেকে সরবেন না।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৮ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৮ ঘণ্টা আগে