আজকের পত্রিকা ডেস্ক

কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
এক প্রত্যক্ষদর্শী ইরান ইন্টারন্যাশনালকে জানিয়েছেন, শুক্রবার রাতে ‘স্বৈরশাসকের মৃত্যু হোক’ স্লোগানে মুখর হয়েছে তেহরানের রাজপথ। বিক্ষোভকারীরা পুলিশের গাড়ি ও ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর কয়েকটি যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় আইআরজিসি বাহিনীর পক্ষ থেকে গুলির শব্দ শোনা গেছে। অনেক সড়ক অবরোধ করা হয়েছে, আর শহরজুড়ে একটানা গাড়ির হর্ন বাজিয়েও প্রতিবাদ জানাচ্ছেন বিক্ষোভকারীরা।
প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল করে দিয়েছে। এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেছেন, ‘ইন্টারনেট পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কার্ড পেমেন্ট টার্মিনাল কাজ করছে না, ফোন কল করা যাচ্ছে না। শুধু রাইটেল নেটওয়ার্কের কিছু ব্যবহারকারী এসএমএস পাঠাতে পারছেন।’ এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এদিকে বিক্ষোভকারীদের নিহত হওয়ার ঘটনায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান সিনেটর বিল হ্যাগার্টি ইরান ইন্টারন্যাশনালকে বলেছেন, ‘ইরানের সরকার যা সব সময় করে এসেছে, সেটাই করছে—ইরানের জনগণকে দমন করে রাখছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করি, আমেরিকার জনগণ ইরানের জনগণের পাশে রয়েছে। আমরা সব সময়ই তাদের পাশে ছিলাম।’

ইরানে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন বিষয়ে জানতে চাইলে হ্যাগার্টি বলেন, এই সিদ্ধান্ত ইরানের জনগণই নেবে। তাঁর ভাষায়, বাইরের কোনো শক্তি নয়, বরং ইরানের মানুষই ঠিক করবে তাঁদের ভবিষ্যৎ।
বিশ্লেষকদের মতে, চলমান বিক্ষোভ ইরানে সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার গভীরতারই প্রতিফলন। কঠোর দমননীতি ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার পরও রাস্তায় মানুষের উপস্থিতি সরকারবিরোধী ক্ষোভ কতটা প্রবল, তা স্পষ্ট করে তুলছে।

কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
এক প্রত্যক্ষদর্শী ইরান ইন্টারন্যাশনালকে জানিয়েছেন, শুক্রবার রাতে ‘স্বৈরশাসকের মৃত্যু হোক’ স্লোগানে মুখর হয়েছে তেহরানের রাজপথ। বিক্ষোভকারীরা পুলিশের গাড়ি ও ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর কয়েকটি যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় আইআরজিসি বাহিনীর পক্ষ থেকে গুলির শব্দ শোনা গেছে। অনেক সড়ক অবরোধ করা হয়েছে, আর শহরজুড়ে একটানা গাড়ির হর্ন বাজিয়েও প্রতিবাদ জানাচ্ছেন বিক্ষোভকারীরা।
প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল করে দিয়েছে। এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেছেন, ‘ইন্টারনেট পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কার্ড পেমেন্ট টার্মিনাল কাজ করছে না, ফোন কল করা যাচ্ছে না। শুধু রাইটেল নেটওয়ার্কের কিছু ব্যবহারকারী এসএমএস পাঠাতে পারছেন।’ এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এদিকে বিক্ষোভকারীদের নিহত হওয়ার ঘটনায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান সিনেটর বিল হ্যাগার্টি ইরান ইন্টারন্যাশনালকে বলেছেন, ‘ইরানের সরকার যা সব সময় করে এসেছে, সেটাই করছে—ইরানের জনগণকে দমন করে রাখছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করি, আমেরিকার জনগণ ইরানের জনগণের পাশে রয়েছে। আমরা সব সময়ই তাদের পাশে ছিলাম।’

ইরানে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন বিষয়ে জানতে চাইলে হ্যাগার্টি বলেন, এই সিদ্ধান্ত ইরানের জনগণই নেবে। তাঁর ভাষায়, বাইরের কোনো শক্তি নয়, বরং ইরানের মানুষই ঠিক করবে তাঁদের ভবিষ্যৎ।
বিশ্লেষকদের মতে, চলমান বিক্ষোভ ইরানে সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার গভীরতারই প্রতিফলন। কঠোর দমননীতি ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার পরও রাস্তায় মানুষের উপস্থিতি সরকারবিরোধী ক্ষোভ কতটা প্রবল, তা স্পষ্ট করে তুলছে।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
১০ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
১০ ঘণ্টা আগে
কঠোর দমনপীড়নের মধ্যেও ইরানের রাজধানী তেহরানের রাস্তায় শুক্রবার রাতে আবার ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে বলে জানিয়েছেন এক প্রত্যক্ষদর্শী। ইরান ইন্টারন্যাশনালকে দেওয়া বর্ণনায় তিনি জানান, শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভকারীরা ‘স্বৈরশাসকের মৃত্যু হোক’ স্লোগান দিচ্ছেন।
১০ ঘণ্টা আগে