
ফেরত আসা এক ভুক্তভোগী জানান, পাঁচ লাখ টাকার বেশি খরচ করে বৈধ ছাড়পত্র নিয়ে কম্বোডিয়ায় গেলেও সেখানে কোনো প্রতিশ্রুত চাকরি পাননি। বিমানবন্দরে এক মাসের ভিজিট ভিসায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও পরে আর প্রয়োজনীয় ভিসা ব্যবস্থা করা হয়নি।

কম্বোডিয়ার বিভিন্ন সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে উদ্ধার হওয়া আরও ৫২ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। এর আগে গত ১২ ও ১৩ জুন আরও ৯১ জন দেশে ফেরেন...

কম্বোডিয়ার বিভিন্ন সাইবার স্ক্যাম সেন্টার থেকে উদ্ধার হওয়া আরও ৫৪ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। আজ শনিবার দুপুরে থাই এয়ারওয়েজের (টিজি-৩২১) একটি ফ্লাইটে তাঁরা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান...

ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কম্পাউন্ডগুলোতে তাঁদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে অনলাইন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে বাধ্য করা হতো। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন উন্নত দেশের নাগরিকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত সাইবার প্রতারণা কার্যক্রমে অংশ নিতে চাপ দেওয়া হতো।