Ajker Patrika

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ গঠন, সভাপতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ গঠন, সভাপতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশের ঔষধ খাতের উন্নয়ন, জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে ‘জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ’ গঠন করেছে সরকার। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রীকে সভাপতি করে ২২ সদস্যের এ পরিষদ গঠন করা হয়েছে। গতকাল রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কমিটি বিষয়ক অধিশাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যা বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী। সদস্য হিসেবে রয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান, অর্থ বিভাগের সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান, লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিব, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির সভাপতি। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব পরিষদের সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

গেজেটে পরিষদের কার্যপরিধিও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ প্রদান, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন এবং দেশের চাহিদা অনুযায়ী ওষুধ উৎপাদন ও সরবরাহ নিশ্চিতকরণে দিকনির্দেশনা দেওয়া। এ ছাড়া অ্যালোপ্যাথিক, আয়ুর্বেদিক, ইউনানি, হোমিওপ্যাথিক, বায়োকেমিক, হারবাল ও ভেটেরিনারি ওষুধের মধ্য থেকে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা প্রণয়ন এবং প্রতি দুই বছর অন্তর তা হালনাগাদের বিষয়ে সুপারিশ করবে পরিষদ।

এ ছাড়া ওষুধ ও এর কাঁচামাল আমদানি, উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহসংক্রান্ত বিষয়ে সরকারকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবে পরিষদ। একই সঙ্গে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে ওষুধ উৎপাদন, আমদানি, বিতরণ ও বিক্রয়ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্ট যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতামত প্রদান করবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। তবে জরুরি প্রয়োজনে এর বেশি সভা আয়োজন করা যাবে। প্রয়োজন অনুযায়ী পরিষদ কো-অপ্ট সদস্যও অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত