নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশে গত এক দিনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এক শিশুসহ (১৩) তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। ওই সময়ে হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৩২৫ জন ডেঙ্গু রোগী।
আজ শনিবার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় ডেঙ্গুবিষয়ক হালনাগাদকৃত তথ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৮ট পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে দুজন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এবং একজন বরিশাল বিভাগীয় এলাকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
নতুন রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৯৫ জন ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ ছাড়া বরিশাল বিভাগে ৬৬ জন, ঢাকা বিভাগে ৪৯, ময়মনসিংহ বিভাগে ছয়, চট্টগ্রাম বিভাগে ৫৪, খুলনা বিভাগে ১৪ এবং রাজশাহী বিভাগে ৪১ জন রোগী ভর্তি হয়েছে।
সরকারের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এখন পর্যন্ত ৯৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২৩ হাজার ৭৩৫ জন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১ হাজার ৩৩৩ জন ডেঙ্গু রোগী। এদের মধ্যে রাজধানীর হাসপাতালে ৩৮৩ জন।
এই বছর ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে জুলাইয়ে। ওই মাসে ৪১ জন চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়। আগস্টের প্রথম নয় দিনে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এ ছাড়া জানুয়ারিতে ১০ জন, ফেব্রুয়ারিতে তিন, এপ্রিলে সাত, মে মাসে তিন এবং জুনে ১৯ জন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়। মার্চ মাসে ডেঙ্গুতে কারও মৃত্যু হয়নি।
একইভাবে জানুয়ারিতে ১ হাজার ১৬১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩৭৪, মার্চে ৩৩৬, এপ্রিলে ৭০১ এবং মে মাসে ১ হাজার ৭৭৩ জন, জুনে ৫ হাজার ৯৫১, জুলাই মাসে ১০ হাজার ৬৮৪ এবং আগস্টের প্রথম নয় দিনে ২ হাজার ৭৫৫ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মারা গেছে ৫৭৫ জন। ২০২৩ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়। ওই বছর হাসপাতালে ভর্তি হয় মোট ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।

দেশে গত এক দিনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এক শিশুসহ (১৩) তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। ওই সময়ে হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৩২৫ জন ডেঙ্গু রোগী।
আজ শনিবার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় ডেঙ্গুবিষয়ক হালনাগাদকৃত তথ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৮ট পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে দুজন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এবং একজন বরিশাল বিভাগীয় এলাকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
নতুন রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৯৫ জন ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ ছাড়া বরিশাল বিভাগে ৬৬ জন, ঢাকা বিভাগে ৪৯, ময়মনসিংহ বিভাগে ছয়, চট্টগ্রাম বিভাগে ৫৪, খুলনা বিভাগে ১৪ এবং রাজশাহী বিভাগে ৪১ জন রোগী ভর্তি হয়েছে।
সরকারের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এখন পর্যন্ত ৯৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২৩ হাজার ৭৩৫ জন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১ হাজার ৩৩৩ জন ডেঙ্গু রোগী। এদের মধ্যে রাজধানীর হাসপাতালে ৩৮৩ জন।
এই বছর ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে জুলাইয়ে। ওই মাসে ৪১ জন চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়। আগস্টের প্রথম নয় দিনে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এ ছাড়া জানুয়ারিতে ১০ জন, ফেব্রুয়ারিতে তিন, এপ্রিলে সাত, মে মাসে তিন এবং জুনে ১৯ জন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়। মার্চ মাসে ডেঙ্গুতে কারও মৃত্যু হয়নি।
একইভাবে জানুয়ারিতে ১ হাজার ১৬১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩৭৪, মার্চে ৩৩৬, এপ্রিলে ৭০১ এবং মে মাসে ১ হাজার ৭৭৩ জন, জুনে ৫ হাজার ৯৫১, জুলাই মাসে ১০ হাজার ৬৮৪ এবং আগস্টের প্রথম নয় দিনে ২ হাজার ৭৫৫ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মারা গেছে ৫৭৫ জন। ২০২৩ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়। ওই বছর হাসপাতালে ভর্তি হয় মোট ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।

ঘাড়ের পেছনে বা বগলের নিচে ত্বক কুঁচকে কালো হয়ে যাওয়া মানেই সেটি সব সময় অপরিচ্ছন্নতার লক্ষণ নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এটি অনেক সময় ‘অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিকান্স’ হতে পারে। সাধারণভাবে এটি ক্ষতিকর না হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যার
১ দিন আগে
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
৪ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৫ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৫ দিন আগে