Ajker Patrika

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোটিপতি প্রার্থী ৫০১ জন

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১৪: ০৩
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোটিপতি প্রার্থী ৫০১ জন
প্রতীকী ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়া ১ হাজার ৮৪২ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫০১ জনই কোটি টাকার বেশি সম্পদের মালিক। অর্থাৎ গতকাল বুধবার পর্যন্ত মোট বৈধ প্রার্থীর ২৭ দশমিক ১৯ শতাংশই কোটিপতি। ৭ জন প্রার্থীর সম্পদের পরিমাণ শতকোটি টাকার বেশি।

সর্বোচ্চ কোটিপতি প্রার্থী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি)। এই তালিকায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), জাতীয় পার্টি, অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রার্থী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও রয়েছেন।

যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়া প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। প্রার্থীরা মনোনয়নপত্রের সঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া হলফনামায় তাঁদের আয়, সম্পদ, মামলাসহ অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য দিয়েছেন। হলফনামায় আয়কর রিটার্নে প্রদর্শিত সম্পদের পরিমাণের ঘরে প্রার্থীরা নিজেদের সম্পদ উল্লেখ করেছেন। আজকের পত্রিকা এই তথ্য বিশ্লেষণে মাইক্রোসফট এক্সেল সফটওয়্যার ব্যবহার করেছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ সংসদের ৩০০ আসনের জন্য মোট ৩ হাজার ৪০৬টি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন আগ্রহীরা। তবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত জমা পড়ে ২ হাজার ৫৬৮টি। এগুলোর মধ্যে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের ২ হাজার ৯০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। বাকি ৪৭৮ জন ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত বাছাই শেষে ১ হাজার ৮৪২টি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা।

হলফনামায় দেওয়া হিসাব প্রার্থী কীভাবে মিলিয়েছেন, তা খতিয়ে দেখার ওপর জোর দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সাবেক অতিরিক্ত সচিব জেসমিন টুলী। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, কেউ শতকোটি বা হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েও সম্পত্তি গোপন করল কি না বা আয় না থাকলেও নিজেকে কোটি টাকার মালিক দেখাল কি না, এসব খতিয়ে দেখতে হবে।

নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, মনোনয়নপত্রের সঙ্গে প্রার্থীদের ১০ ধরনের তথ্য হলফনামায় উল্লেখ করতে হয়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে পেশা, আয়ের উৎস, শিক্ষাগত যোগ্যতা, মামলা-সংক্রান্ত তথ্য এবং প্রার্থী ও তাঁর ওপর নির্ভরশীলদের সম্পদের বিবরণ। হলফনামায় অসত্য তথ্য দিলে প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। এমনকি নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পরও হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেওয়ার প্রমাণ মিললে সংসদের মেয়াদ চলাকালীন সদস্যপদ বাতিল করা যেতে পারে। ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নবম সংসদ নির্বাচন থেকে প্রার্থীদের হলফনামা দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়।

কোন দলের কোটিপতি প্রার্থী কত

বৈধ প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দল হিসেবে বিএনপির কোটিপতি প্রার্থী ২১২ জন। জামায়াতে ইসলামীর ৬৪ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৩৫, জাতীয় পার্টির ৩০, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ১২; গণঅধিকার পরিষদ, এনসিপি ও আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি) ৫ জন করে এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের ৪ জন প্রার্থী কোটিপতি। এ ছাড়া স্বতন্ত্র ৫৮ জন এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলের ৭১ জন প্রার্থী কোটিপতি।

হলফনামার তথ্য বলছে, বিভাগভিত্তিক হিসেবে সর্বোচ্চ কোটিপতি প্রার্থী ঢাকা বিভাগে, ১৪৩ জন। দ্বিতীয় অবস্থানে চট্টগ্রাম বিভাগ, যেখানে কোটিপতি প্রার্থী ১১৪ জন। রংপুর বিভাগে ৫১ জন, রাজশাহীতে ৪৭, খুলনায় ৪০, বরিশালে ৩৯, সিলেটে ৩৭ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৩০ জন কোটিপতি প্রার্থী রয়েছেন।

বান্দরবান ছাড়া দেশের সব জেলায় অন্তত একজন কোটিপতি প্রার্থী রয়েছেন। সর্বোচ্চ কোটিপতি প্রার্থী ঢাকা জেলায়, ৫১ জন। এরপর চট্টগ্রামে ৩৬ জন এবং কুমিল্লায় ২১ জন কোটিপতি প্রার্থী রয়েছেন। নোয়াখালীতে ১৭, ময়মনসিংহে ১৬, নারায়ণগঞ্জে ১৫ ও সিলেটে ১৩ প্রার্থী আছেন এই তালিকায়।

বরিশাল, টাঙ্গাইল ও নরসিংদী জেলায় কোটিপতি প্রার্থী ১২ জন করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১১ এবং বগুড়া ও গাজীপুরে ১০ জন করে কোটিপতি প্রার্থী রয়েছেন। রংপুর ও সুনামগঞ্জে ৯ জন করে; চাঁদপুর, গাইবান্ধা, দিনাজপুর, মাদারীপুর ও মৌলভীবাজারে ৮ জন করে প্রার্থী কোটিপতি। বাগেরহাট, লালমনিরহাট, হবিগঞ্জ, রাজশাহী, ফেনী, নেত্রকোনা, নীলফামারী, খুলনা, গোপালগঞ্জ, নওগাঁ ও ঝালকাঠি জেলায় ৭ জন করে কোটিপতি প্রার্থী রয়েছেন।

জামালপুর, কক্সবাজার, নাটোর, ফরিদপুর, ভোলা, মানিকগঞ্জ, যশোর, লক্ষ্মীপুর ও সিরাজগঞ্জে রয়েছেন ৬ জন করে কোটিপতি প্রার্থী। শরীয়তপুর, পিরোজপুর, পাবনা, পটুয়াখালী, কুড়িগ্রাম ও কুষ্টিয়ায় ৫ জন করে; কিশোরগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও, নড়াইল, বরগুনা ও মুন্সিগঞ্জে ৪ জন করে এবং রাজবাড়ী, সাতক্ষীরা, পঞ্চগড় ও ঝিনাইদহে ৩ জন করে প্রার্থী এমন সম্পদের মালিক। মেহেরপুর, মাগুরা ও জয়পুরহাটে রয়েছেন ২ জন করে; রাঙামাটি, শেরপুর, খাগড়াছড়ি ও চুয়াডাঙ্গায় একজন করে কোটিপতি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

শীর্ষস্থানীয় ১০ সম্পদশালী প্রার্থী

হলফনামা অনুযায়ী, শীর্ষ ১০ সম্পদশালী প্রার্থীর মধ্যে ৬ জনই বিএনপির। বাকি ৪ জনের দুজন স্বতন্ত্র এবং জামায়াতে ইসলামীর একজন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একজন। শীর্ষ ২০ তালিকায় বিএনপির প্রার্থী ১৪ জন, স্বতন্ত্র ৪ এবং জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের একজন করে প্রার্থী রয়েছেন।

হলফনামায় উল্লেখ করা সম্পদের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছেন চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৩৬৫ কোটি ৫ লাখ ২৮ হাজার ৮৩৬ টাকা। দ্বিতীয় অবস্থানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামান, তাঁর সম্পদ ২৬৫ কোটি ৩ লাখ ২ হাজার ৯৫৭ টাকার।

তৃতীয় স্থানে থাকা কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনের বিএনপির প্রার্থী জাকারিয়া তাহেরের সম্পদ আছে ২০৪ কোটি ৬২ লাখ ৯ হাজার ৪৩০ টাকার। এরপর রয়েছেন লক্ষ্মীপুর-১ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মো. জাকির হোসেন পাটওয়ারী (তাঁর সম্পদ ১২৬ কোটি ৪৭ লাখ ৫৫ হাজার ৭৩৬ টাকার) এবং চাঁদপুর-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. হারুনুর রশিদ (সম্পদ ১১৮ কোটি ২৩ লাখ ৩৫ হাজার ৩৬৯ টাকার)।

সম্পদে ষষ্ঠ ও সপ্তম স্থানে রয়েছেন ফেনী-৩ (সোনাগাজী–দাগনভূঞা) আসনে বিএনপির প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু ও ঢাকা-৭ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. এনায়াত উল্লা। আবদুল আউয়াল মিন্টুর সম্পদ ১১৬ কোটি ৯০ লাখ ৮৯ হাজার ১৫৯ টাকার। এনায়াত উল্লার সম্পদের পরিমাণ ১০৮ কোটি ৭৭ লাখ ৮০ হাজার ৯৯৯ টাকা।

সম্পদে শীর্ষস্থানীয় ১০ জনের শেষ তিনজন হলেন টাঙ্গাইল-৮ আসনে (বাসাইল-সখীপুর) স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর, ঢাকা-২০ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. তমিজ উদ্দিন ও ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে বিএনপির ফখর উদ্দিন আহমেদ। তাঁদের সম্পদের পরিমাণ যথাক্রমে ৯৮ কোটি ৮৫ লাখ ১৯ হাজার ৬৩৮ টাকা, ৮৯ কোটি ৮৫ লাখ ১৯ হাজার ১১২ টাকা এবং ৮৪ কোটি ৭৫ লাখ ১ হাজার ২৯১ টাকা।

ভোটে টাকার প্রভাব নিয়ে মিশ্র মত

নির্বাচনে টাকা ও কালোটাকার ছড়াছড়ি নিয়ে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অভিযোগ রয়েছে, অনেক প্রার্থী টাকা ছড়িয়ে নির্বাচন প্রভাবিত করেন। এবারের নির্বাচনেও টাকার প্রভাব নিয়ে বিভিন্ন মহল আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।

এবারের নির্বাচনে এতসংখ্যক কোটিপতি প্রার্থী থাকায় তা বাড়তি কোনো প্রভাব ফেলবে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক দলের নেতাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। গতকাল বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু আজকের পত্রিকাকে বলেন, আর্থিক সামর্থ্য থাকা তো অপরাধ নয়; বরং প্রচলিত রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং বিশেষত নির্বাচনে তা গুরুত্ব বহন করে। সেই হিসেবে আদর্শিক ব্যাপার যেমন গুরুত্বপূর্ণ, সচ্ছলতাও গুরুত্বপূর্ণ। বিষয়টি নির্বাচনে কোনো খারাপ প্রভাব ফেলবে না বলেই তিনি মনে করেন। ভোটাররা কোন বিবেচনায় কাকে ভোট দেবেন, সেটিই মুখ্য।

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘আমরা প্রার্থীর সম্পত্তিকে নয়, তাঁর নৈতিকতা ও জনপ্রিয়তা আছে কি না, সেটি গুরুত্ব দিয়েছি। সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব—এই নীতিতেই আমাদের প্রার্থী বাছাই করা হয়েছে।’ তিনি বলেন, কারও কাছে যদি কালোটাকা থাকে, সেই টাকা তো অবশ্যই নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে। প্রভাব ঠেকাতে আরপিও থাকলেও প্রয়োগ নেই। প্রয়োগ থাকলে কালোটাকার প্রভাব ঠেকানো যেত।

এনসিপির নির্বাচনী মিডিয়া কমিটির প্রধান মাহাবুব আলম বলেন, তাঁদের দলে কোটিপতি প্রার্থী কম থাকাকে তাঁরা দুর্বলতা নয়, বরং শক্তি হিসেবে দেখেন। কারণ, তাঁদের প্রার্থীদের জনগণ ভালোবেসে অর্থ দিচ্ছে, সময় দিচ্ছে, শ্রম দিচ্ছে। কোটিপতি প্রার্থীরা হয়তো অর্থের জোরে পোস্টার, ব্যানার ও প্রচারে বাড়তি সুবিধা নিতে পারেন, কিন্তু ভোটকেন্দ্রে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেবে জনগণ।

সম্পদের তথ্য যাচাইয়ের তাগিদ

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হলফনামায় প্রার্থীদের দেওয়া সম্পদের তথ্য যাচাই করা উচিত। এ ক্ষেত্রে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার পরামর্শ দেন তাঁরা।

হলফনামায় দেওয়া প্রার্থীদের সম্পদের তথ্য যাচাইয়ের সুযোগ এখনো আছে বলে মনে করেন গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। তিনি বলেন, উপযুক্ত তথ্য-উপাত্তসহ হলফনামা নেওয়া উচিত। প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়ের সঠিক হিসাব পাওয়া যায় না এবং এগুলোকে নির্ণয় করার মতো ইনস্ট্রুমেন্টও নির্বাচন কমিশনের হাতে নেই। প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়সংক্রান্ত বিষয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি আনা প্রয়োজন।

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘ঘোষণা অনুযায়ী তাঁরা কোটিপতি। কিন্তু এখন তাঁদের কত কোটি টাকা আছে, আমরা তো জানি না। আমাদের আশঙ্কা এবং অনেকের ধারণা, অনেক প্রার্থী তাঁদের তথ্য গোপন করছেন কিংবা বিভ্রান্তমূলক তথ্য দিচ্ছেন। আমরা নির্বাচন কমিশনকে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এসব তথ্য খতিয়ে দেখার প্রস্তাব করেছিলাম। কমিশন ওই প্রস্তাব আংশিক গ্রহণ করেছে। নির্বাচনের পরও এসব তথ্য খতিয়ে দেখা দরকার।’

হলফনামায় দেওয়া তথ্যের পর্যাপ্ততা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে সাধারণ মানুষের আস্থাহীনতা দীর্ঘদিনের বলে মন্তব্য করেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, হলফনামার তথ‍্য যেহেতু আয়কর রিটার্নের তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া বাঞ্ছনীয়, সে জন্য এনবিআরের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন ও দুদকের কাছে মানুষের প্রত‍্যাশা—কোনো ধরনের ভয়-করুণার ঊর্ধ্বে থেকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় হলফনামার তথ‍্য যাচাই করা। অসংগতির ক্ষেত্রে ইসির এখতিয়ার প্রার্থিতা বাতিল করা, এনবিআরের দায়িত্ব কর ফাঁকির জন‍্য, দুদকের এখতিয়ার অবৈধ সূত্রে অর্জিত অর্থ-সম্পদের প্রমাণসাপেক্ষে জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত যদি বদলাতে হয় তখন, বিসিবিকে তামিমের প্রশ্ন

ঋণখেলাপিতে আটকে যেতে পারেন কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল

তরুণ অফিসাররা র‍্যাব থেকে এমন চরিত্র নিয়ে ফিরত যেন পেশাদার খুনি: ইকবাল করিম ভূঁইয়া

আইসিসিকে নতুন করে চিঠিতে কী লিখেছে বিসিবি

সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নিচ্ছে ইরানিদের বিক্ষোভ, ছড়িয়ে পড়েছে দেশজুড়ে

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত