Ajker Patrika

‘অত্যাবশ্যকীয়’ তালিকায় আরও ১৩৫টি ওষুধ, দাম বেঁধে দেবে সরকার

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
আপডেট : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১৯: ৪০
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মোঃ সায়েদুর রহমান আজ ঢাকায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে উপদেষ্টা পরিষদের সভা বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। এসময় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম উপস্থিত ছিলেন (বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি ২০২৬)। ছবি: পিআইডি
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মোঃ সায়েদুর রহমান আজ ঢাকায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে উপদেষ্টা পরিষদের সভা বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। এসময় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম উপস্থিত ছিলেন (বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি ২০২৬)। ছবি: পিআইডি

নতুন করে ১৩৫টি ওষুধকে ‘অত্যাবশ্যকীয়’ তালিকায় যুক্ত করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এর ফলে এখন এই তালিকায় ওষুধের সংখ্যা দাঁড়াল ২৯৫। অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ বিক্রির জন্য নির্দিষ্ট দাম বেঁধে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

আজ বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী মো. সায়েদুর রহমান।

বিদ্যমান অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকায় নতুন করে ‘১৩৫ বা ১৩৬টি’ ওষুধ যুক্ত হয়েছে জানিয়ে সায়েদুর রহমান বলেন, `আজকের উপদেষ্টা পরিষদের সভায় আরও এক–দুটি ওষুধ অন্তর্ভুক্তির অনুরোধ এসেছে। সেগুলো যুক্ত হলে তালিকায় ওষুধের সংখ্যা ২৯৫ বা ২৯৬ হতে পারে।’

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী বলেন, মানুষের চিকিৎসা ও ওষুধপ্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে ওষুধ বিক্রেতাদের সরকারের নির্ধারিত দামে এসব ওষুধ বিক্রি করতে হবে। তবে বাস্তবায়নের জন্য সময় দেওয়া হবে।

দাম নির্ধারণের প্রক্রিয়া তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘যেসব ওষুধ বর্তমানে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে, তাদের পর্যায়ক্রমে সেই দামে নেমে আসতে হবে। আর যেসব ওষুধ কম দামে রয়েছে, তারা চাইলে ওই নির্ধারিত দামের মধ্যে থাকতে পারবে অথবা সর্বোচ্চ সীমা পর্যন্ত মূল্য সমন্বয় করতে পারবে।’

২০১৬ সালে অ্যান্টিবায়োটিক, নিউমোনিয়া, সর্দি-জ্বর, উচ্চ রক্তচাপ, গ্যাস্ট্রিক আলসার, কৃমিনাশক, ব্যথানাশক, হাঁপানি ও ভিটামিনসহ ২৮৬টি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা করা হয়। তখন মাত্র ১১৭টি ওষুধের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল। যদিও প্রতিবছর তালিকা হালনাগাদের কথা থাকলেও গত নয় বছরে কার্যকর তদারকি ছিল না।

এর আগে ১৯৮২ সালের ওষুধ নীতিতেও ২৮৬টি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ছিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিবছর তালিকা হালনাগাদের কথা থাকলেও ২০০৮ ও ২০১৬ সালে মাত্র দুইবার তা হালনাগাদ করা হয়। ফলে অত্যাবশ্যকীয় তালিকার সুফল থেকে বঞ্চিত হয়েছে সাধারণ মানুষ।

জীবনরক্ষাকারী ২৮৬টি ওষুধের মধ্যে মাত্র ১১৭টির দাম সরকার নির্ধারণ করতে পেরেছিল। বাকি ওষুধগুলোর দাম নির্ধারণ করেছে প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে অনেক ক্ষেত্রে ইচ্ছামতো মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে এবং রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় বেড়েছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

ইরানে যাচ্ছে রাশিয়ার কার্গো বিমান—ব্রিটিশ এমপির দাবি ঘিরে জল্পনা

ওয়াশিংটন সফরে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, যা আলোচনা হলো মার্কিনদের সঙ্গে

শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম শহীদ ওসমান হাদি হল করার সুপারিশ

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে: মূল নকশার বাইরে চারটি র‍্যাম্প নির্মাণের ভাবনা

মার্কিন আগ্রাসন থেকে বিশ্ব ব্যবস্থা রক্ষায় ভারত ও ব্রাজিলের ভূমিকা চান জার্মান প্রেসিডেন্ট

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত