লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

তীব্র শীতের কারণে হাসপাতালগুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ বাড়ছে। রোগীদের মধ্যে বেশির ভাগই শিশু। আক্রান্তদের অধিকাংশই জ্বর, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া, পেটের পীড়া ও নিউমোনিয়ায় ভুগছে। সরকারি হাসপাতালে শয্যার চেয়ে রোগী বেশি হওয়ায় বাধ্য হয়ে মেঝে ও বারান্দায় রেখে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। কোনো হাসপাতালে আবার একটি শয্যায় একাধিক শিশুকে রেখে চলছে চিকিৎসাসেবা। অনেককে বহির্বিভাগে ব্যবস্থাপত্র (প্রেসক্রিপশন) লিখে বাসায় বা বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
জানা গেছে, খুলনায় গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত তিন দিনে ১ হাজার ৪০০টি শিশু খুলনা বিভাগীয় শিশু হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে এসেছে। এদের মধ্যে যাদের অবস্থা গুরুতর, তাদের হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়। শিশু হাসপাতালের শয্যাসংকট থাকায় রোগীদের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে নিয়ে যান স্বজনেরা।
লক্ষ্মীপুরেও ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। পর্যাপ্ত শয্যা না থাকায় বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের মেঝে ও বারান্দায় ঠাঁই হচ্ছে রোগীদের। ফলে চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে শিশুসহ সব বয়সী রোগী ও স্বজনেরা। প্রতিদিনই গড়ে ৭০-৮০ জন রোগী শুধু লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। গত এক সপ্তাহে হাসপাতালটিতে চিকিৎসাসেবা নিয়েছে ছয় শতাধিক রোগী। এদের মধ্যে শিশুর সংখ্যাই বেশি। একই অবস্থা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতেও।
খুলনা বিভাগীয় শিশু হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তীব্র শীতের কারণে তিন দিনে বিভাগের ১০ জেলা থেকে পানিবাহিত ও ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে খুলনা শিশু হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসছে। এ সময়ে বহির্বিভাগে ১ হাজার ৪০০ জন বহির্বিভাগে চিকিৎসাসেবা নিয়েছে। এর মধ্যে ঠান্ডাজনিত কারণে আক্রান্ত হয়ে ৬৮ জন এবং অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়ে ১২৭ জনকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে। আক্রান্তদের অধিকাংশ শিশু। তারা জ্বর, সর্দি-কাশি, কোল্ড ডায়রিয়া, পেটের পীড়া ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে।
গতকাল দুপুরে শিশু হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, কোনো শয্যা খালি নেই। এ সময় বাগেরহাট থেকে শিশুসন্তানকে চিকিৎসা করাতে আসা নুরুন্নাহারের সঙ্গে কথা হয়। তাঁর তিন বছরের ছেলে হায়দার নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত। নুরুন্নাহার বলেন, ‘গত রোববার ছেলের হঠাৎ জ্বর আসে, সঙ্গে কাশি শুরু হয়। স্থানীয় চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলেও, কমেনি। পরে খুলনায় এসে শিশুচিকিৎসক ও বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে জানতে পারলাম, ছেলে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে।’
জানতে চাইলে খুলনা বিভাগীয় শিশু হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ডালিয়া বেগম বলেন, ‘গত তিন দিন ধরে খুলনায় তীব্র শীত পড়ছে। এ সময় হাসপাতালের বহির্বিভাগে শিশুরা চিকিৎসা নিয়েছে ১ হাজার ৪০০ জন। ঠান্ডাজনিত ও অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়ে ১৯৫ জন শিশু ভর্তি রয়েছে। প্রতিদিনই রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। আমরা সব রোগীকে ভর্তি করাতে পারছি না। হাসপাতালে শয্যাসংখ্যা কম থাকায় অনেকেই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বিভিন্ন ক্লিনিকে যাচ্ছেন।’
১০০ শয্যাবিশিষ্ট লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ৩৫-৪০টি শিশু ভর্তি হচ্ছে। এক সপ্তাহে শুধু এ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে ছয় শতাধিক রোগী। এ ছাড়া বহির্বিভাগেও ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ বাড়ছে। হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে শয্যা রয়েছে ১৫টি। যেখানে প্রতিটি শয্যায় একটি শিশুর চিকিৎসা নেওয়ার কথা, সেখানে প্রতি শয্যায় চিকিৎসা নিচ্ছে তিনটি শিশু।
অনেকে আবার হাসপাতালের মেঝে ও বারান্দাতে শিশুদের রেখে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছে। জেলার কমলনগর, রামগতি, রায়পুর ও রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিত্রও একই।
সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা অরূপ পাল আজকের পত্রিকাকে বলেন, পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও নার্স না থাকায় এসব রোগীর সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের। তারপরও তাঁরা চিকিৎসাসেবা চালিয়ে যাচ্ছেন।

তীব্র শীতের কারণে হাসপাতালগুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ বাড়ছে। রোগীদের মধ্যে বেশির ভাগই শিশু। আক্রান্তদের অধিকাংশই জ্বর, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া, পেটের পীড়া ও নিউমোনিয়ায় ভুগছে। সরকারি হাসপাতালে শয্যার চেয়ে রোগী বেশি হওয়ায় বাধ্য হয়ে মেঝে ও বারান্দায় রেখে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। কোনো হাসপাতালে আবার একটি শয্যায় একাধিক শিশুকে রেখে চলছে চিকিৎসাসেবা। অনেককে বহির্বিভাগে ব্যবস্থাপত্র (প্রেসক্রিপশন) লিখে বাসায় বা বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
জানা গেছে, খুলনায় গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত তিন দিনে ১ হাজার ৪০০টি শিশু খুলনা বিভাগীয় শিশু হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে এসেছে। এদের মধ্যে যাদের অবস্থা গুরুতর, তাদের হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়। শিশু হাসপাতালের শয্যাসংকট থাকায় রোগীদের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে নিয়ে যান স্বজনেরা।
লক্ষ্মীপুরেও ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। পর্যাপ্ত শয্যা না থাকায় বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের মেঝে ও বারান্দায় ঠাঁই হচ্ছে রোগীদের। ফলে চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে শিশুসহ সব বয়সী রোগী ও স্বজনেরা। প্রতিদিনই গড়ে ৭০-৮০ জন রোগী শুধু লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। গত এক সপ্তাহে হাসপাতালটিতে চিকিৎসাসেবা নিয়েছে ছয় শতাধিক রোগী। এদের মধ্যে শিশুর সংখ্যাই বেশি। একই অবস্থা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতেও।
খুলনা বিভাগীয় শিশু হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তীব্র শীতের কারণে তিন দিনে বিভাগের ১০ জেলা থেকে পানিবাহিত ও ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে খুলনা শিশু হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসছে। এ সময়ে বহির্বিভাগে ১ হাজার ৪০০ জন বহির্বিভাগে চিকিৎসাসেবা নিয়েছে। এর মধ্যে ঠান্ডাজনিত কারণে আক্রান্ত হয়ে ৬৮ জন এবং অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়ে ১২৭ জনকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে। আক্রান্তদের অধিকাংশ শিশু। তারা জ্বর, সর্দি-কাশি, কোল্ড ডায়রিয়া, পেটের পীড়া ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে।
গতকাল দুপুরে শিশু হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, কোনো শয্যা খালি নেই। এ সময় বাগেরহাট থেকে শিশুসন্তানকে চিকিৎসা করাতে আসা নুরুন্নাহারের সঙ্গে কথা হয়। তাঁর তিন বছরের ছেলে হায়দার নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত। নুরুন্নাহার বলেন, ‘গত রোববার ছেলের হঠাৎ জ্বর আসে, সঙ্গে কাশি শুরু হয়। স্থানীয় চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলেও, কমেনি। পরে খুলনায় এসে শিশুচিকিৎসক ও বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে জানতে পারলাম, ছেলে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে।’
জানতে চাইলে খুলনা বিভাগীয় শিশু হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ডালিয়া বেগম বলেন, ‘গত তিন দিন ধরে খুলনায় তীব্র শীত পড়ছে। এ সময় হাসপাতালের বহির্বিভাগে শিশুরা চিকিৎসা নিয়েছে ১ হাজার ৪০০ জন। ঠান্ডাজনিত ও অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়ে ১৯৫ জন শিশু ভর্তি রয়েছে। প্রতিদিনই রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। আমরা সব রোগীকে ভর্তি করাতে পারছি না। হাসপাতালে শয্যাসংখ্যা কম থাকায় অনেকেই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বিভিন্ন ক্লিনিকে যাচ্ছেন।’
১০০ শয্যাবিশিষ্ট লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ৩৫-৪০টি শিশু ভর্তি হচ্ছে। এক সপ্তাহে শুধু এ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে ছয় শতাধিক রোগী। এ ছাড়া বহির্বিভাগেও ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ বাড়ছে। হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে শয্যা রয়েছে ১৫টি। যেখানে প্রতিটি শয্যায় একটি শিশুর চিকিৎসা নেওয়ার কথা, সেখানে প্রতি শয্যায় চিকিৎসা নিচ্ছে তিনটি শিশু।
অনেকে আবার হাসপাতালের মেঝে ও বারান্দাতে শিশুদের রেখে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছে। জেলার কমলনগর, রামগতি, রায়পুর ও রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিত্রও একই।
সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা অরূপ পাল আজকের পত্রিকাকে বলেন, পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও নার্স না থাকায় এসব রোগীর সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের। তারপরও তাঁরা চিকিৎসাসেবা চালিয়ে যাচ্ছেন।

সুইস খাদ্যপ্রতিষ্ঠান নেসলে ঘোষণা করেছে, তারা ফ্রান্স, জার্মানি, অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, ইতালি, সুইডেনসহ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ থেকে কিছু ব্যাচের শিশুখাদ্য ফর্মুলা প্রত্যাহার করছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১ দিন আগে
দেশের বেসরকারি প্যাথলজিক্যাল ল্যাবগুলোর কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ফেরাতে জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আজ সোমবার জারি করা নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বা মেডিকেল অফিসারকে নিজ হাতে
২ দিন আগে
দেশে তিন সপ্তাহ ধরে তীব্র শীত চলছে। কিছু অঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা নেমে গেছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। এই অবস্থায় সারা দেশে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ বেড়েছে। হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত দুই মাসে প্রায় ১ লাখ বিভিন্ন বয়সের মানুষ শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
৩ দিন আগে
সুষম খাবারের অন্যতম উপাদান হচ্ছে চর্বি বা ফ্যাট। চর্বিযুক্ত খাবার মানেই খারাপ, বিষয়টি তেমন নয়। তবে সেই চর্বি বাছাই করা শিখতে হবে এবং জানতে হবে, কোন চর্বি ভালো আর কোনটি খারাপ। যেমন মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড ও পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড—এই ক্যাটাগরির চর্বি ভালো কিংবা গুড ফ্যাট।
৫ দিন আগে