
চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল চলতি মাসের ১২ মে রোববার প্রকাশিত হবে। আজ শুক্রবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সেদিন সকাল ১০টায় গণভবনে মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষা ২০২৪-এর ফল এবং ফলের পরিসংখ্যান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হবে।
রেওয়াজ অনুযায়ী, ফল প্রকাশের দিন সকালে প্রধানমন্ত্রীর হাতে ফলের অনুলিপি তুলে দেবেন শিক্ষামন্ত্রীসহ শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা। এ সময় তিনি ফলের সারসংক্ষেপ তুলে ধরবেন। পরে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী।
এর আগে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল চলতি মাসের ৯ থেকে ১১ তারিখের মধ্যে প্রকাশের জন্য সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠায় আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।
পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সম্মতি সাপেক্ষে চলতি মাসের ১২ মে ফল প্রকাশের তারিখ চূড়ান্ত করা হয়।
গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় গত ১২ মার্চ। ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৩ থেকে ২০ মার্চের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়।
৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে এই পরীক্ষায় ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেওয়ার জন্য নিবন্ধন করে।

প্রান্তিকতার গণ্ডি পেরিয়ে স্বপ্নকে ছুঁয়ে দেখার গল্প সুমন সরেনের। রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ছোট্ট গ্রাম বাঁশবাড়ির একটি সাঁওতাল পরিবারে বেড়ে ওঠা তাঁর। নানা প্রতিকূলতার মধ্যে থেকেও তিনি নিজের স্বপ্নকে আঁকড়ে ধরে নিয়ে গেছেন অনূর্ধ্ব-২০ সাফ ফাইনালের মাটিতে।
২ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় শিক্ষা গন্তব্য হয়ে উঠতে নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে চীন। দেশটির ১৫তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় শিক্ষা খাতে উচ্চমানের উন্মুক্ততা বাড়ানোর পাশাপাশি ‘চীনে পড়াশোনা করুন’ ব্র্যান্ডকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
শিশু সুরক্ষা, মানবতা আর সাহসিকতার এক উজ্জ্বল নাম মাহমুদুর রহমান নাঈম। মাত্র ২১ বছর বয়সে গাজীপুরের টঙ্গীর ঘনবসতিপূর্ণ শিল্পাঞ্চল থেকে উঠে এসে তিনি সমাজ পরিবর্তনের এক অনন্য উদাহরণ তৈরি করেছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
শৈশব মানে হাসি, খেলা আর রঙিন স্বপ্নের এক পৃথিবী। কিন্তু সমাজের অনেক সুবিধাবঞ্চিত শিশুর জন্য সেই শৈশব খুব দ্রুত হারিয়ে যায় দারিদ্র্য, বৈষম্য ও অবহেলার কঠিন বাস্তবতায়। অর্থনৈতিক সংকটের কারণে অনেক শিশু ছিটকে পড়ে শিক্ষার মূলধারা থেকে।
৪ ঘণ্টা আগে