নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

আরামিট গ্রুপের কর্মচারীকে ভুয়া মালিক সাজিয়ে চট্টগ্রামে ইউসিবিএল ব্যাংক থেকে ২৫ কোটি টাকা ঋণ তুলে আত্মসাৎ ও দেশের বাইরে পাচারের মামলায় সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, তাঁর স্ত্রী ইউসিবিএল ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান রুকমীলা জামানসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে দুদকের দেওয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন আদালত। একসঙ্গে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান অভিযোগপত্রের ওপর শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
গত বছরের ২৪ জুলাই চট্টগ্রাম দুদক কার্যালয়ে সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদসহ ৩১ জনকে আসামি করে মামলা করে দুদক।
আসামিদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে সাবেক ভূমিমন্ত্রীর পারিবারিক মালিকানাধীন আরামিট গ্রুপের এক কর্মচারীকে একটি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের ভুয়া মালিক সাজিয়ে ঋণ অনুমোদন দিয়ে ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও দেশের বাইরে পাচারের অভিযোগ আনা হয়।
৫ জানুয়ারি চট্টগ্রাম আদালতে এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদক প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান মামলাটির তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র জমা দেন।
অভিযোগপত্রে জাবেদ, তাঁর স্ত্রী রুকমীলা জামানসহ ৩৬ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. মোকাররম হোসাইন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ঋণের নামে ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ এবং দেশের বাইরে অর্থ পাচারের অপরাধে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, তাঁর স্ত্রী রুকমীলা জামান, ইউসিবিএল ব্যাংকের একাধিক কর্মকর্তাসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছিলেন তদন্ত কর্মকর্তা।
বুধবার শুনানি শেষে আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন। একই সঙ্গে সাবেক মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ও তাঁর স্ত্রী রুকমীলা জামানসহ পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন।
মো. মোকাররম হোসাইন জানান, বর্তমানে এই মামলায় চার আসামি গ্রেপ্তার রয়েছে। বাকিরা পলাতক।
দুদকের অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, চট্টগ্রামের ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসির (ইউসিবি) থেকে ভিশন ট্রেডিং নামীয় একটি নামসর্বস্ব কাগুজে প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়াই ২৫ কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন করিয়ে আত্মসাৎ করা হয়।
২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এই ঋণের টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটে।
দুদকের অনুসন্ধানে উঠে আসে, ভিশন ট্রেডিং নামের প্রতিষ্ঠানটির বাস্তবে কোনো অস্তিত্ব নেই এবং এটি ছিল আরামিট গ্রুপভুক্ত সাইফুজ্জামান চৌধুরীর একজন কর্মচারীকে মালিক সাজিয়ে তৈরি করা একটি কাগুজে প্রতিষ্ঠান।
ভুয়া কাগজপত্র দাখিল করে এই প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ অনুমোদনের পর অর্থটি স্থানান্তর করা হয় আলফা ট্রেডিং, ক্লাসিক ট্রেডিং, মডেল ট্রেডিং ও ইম্পেরিয়াল ট্রেডিংয়ের মতো কয়েকটি ভুয়া প্রতিষ্ঠানের হিসাবে, যেগুলো সবই সাইফুজ্জামান চৌধুরীর কর্মচারীদের নামে খোলা।

আরামিট গ্রুপের কর্মচারীকে ভুয়া মালিক সাজিয়ে চট্টগ্রামে ইউসিবিএল ব্যাংক থেকে ২৫ কোটি টাকা ঋণ তুলে আত্মসাৎ ও দেশের বাইরে পাচারের মামলায় সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, তাঁর স্ত্রী ইউসিবিএল ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান রুকমীলা জামানসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে দুদকের দেওয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন আদালত। একসঙ্গে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান অভিযোগপত্রের ওপর শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
গত বছরের ২৪ জুলাই চট্টগ্রাম দুদক কার্যালয়ে সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদসহ ৩১ জনকে আসামি করে মামলা করে দুদক।
আসামিদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে সাবেক ভূমিমন্ত্রীর পারিবারিক মালিকানাধীন আরামিট গ্রুপের এক কর্মচারীকে একটি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের ভুয়া মালিক সাজিয়ে ঋণ অনুমোদন দিয়ে ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও দেশের বাইরে পাচারের অভিযোগ আনা হয়।
৫ জানুয়ারি চট্টগ্রাম আদালতে এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদক প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান মামলাটির তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র জমা দেন।
অভিযোগপত্রে জাবেদ, তাঁর স্ত্রী রুকমীলা জামানসহ ৩৬ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. মোকাররম হোসাইন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ঋণের নামে ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ এবং দেশের বাইরে অর্থ পাচারের অপরাধে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, তাঁর স্ত্রী রুকমীলা জামান, ইউসিবিএল ব্যাংকের একাধিক কর্মকর্তাসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছিলেন তদন্ত কর্মকর্তা।
বুধবার শুনানি শেষে আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন। একই সঙ্গে সাবেক মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ও তাঁর স্ত্রী রুকমীলা জামানসহ পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন।
মো. মোকাররম হোসাইন জানান, বর্তমানে এই মামলায় চার আসামি গ্রেপ্তার রয়েছে। বাকিরা পলাতক।
দুদকের অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, চট্টগ্রামের ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসির (ইউসিবি) থেকে ভিশন ট্রেডিং নামীয় একটি নামসর্বস্ব কাগুজে প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়াই ২৫ কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন করিয়ে আত্মসাৎ করা হয়।
২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এই ঋণের টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটে।
দুদকের অনুসন্ধানে উঠে আসে, ভিশন ট্রেডিং নামের প্রতিষ্ঠানটির বাস্তবে কোনো অস্তিত্ব নেই এবং এটি ছিল আরামিট গ্রুপভুক্ত সাইফুজ্জামান চৌধুরীর একজন কর্মচারীকে মালিক সাজিয়ে তৈরি করা একটি কাগুজে প্রতিষ্ঠান।
ভুয়া কাগজপত্র দাখিল করে এই প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ অনুমোদনের পর অর্থটি স্থানান্তর করা হয় আলফা ট্রেডিং, ক্লাসিক ট্রেডিং, মডেল ট্রেডিং ও ইম্পেরিয়াল ট্রেডিংয়ের মতো কয়েকটি ভুয়া প্রতিষ্ঠানের হিসাবে, যেগুলো সবই সাইফুজ্জামান চৌধুরীর কর্মচারীদের নামে খোলা।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
২ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৫ দিন আগে