
দেশের হাজার কোটি টাকা পাচার করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) বিপুল সম্পদের মালিক বনে যাওয়া ৪৫৯ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে প্রায় তিন বছর আগে অনুসন্ধান শুরু করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযুক্তদের সবাই দুবাইয়ের ‘গোল্ডেন ভিসাধারী’।

বিগত সরকারের সময়ে শুধু অর্থ পাচারই হয়নি, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের নামেও ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার কাজ কাগজে-কলমে দেখানো হলেও বাস্তবে কোনো কাজ হয়নি। এক ইঞ্চি রাস্তা নির্মাণ হয়নি, এক কেজি রড কিংবা এক শ টাকার সিমেন্টও ব্যবহার হয়নি।

কৃষকদের টাকা দিলে তারা বিদেশে পাচার করবে না বলে মন্তব্য করেছেন লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল। তিনি বলেছেন, কৃষকেরা কৃষিতে বিনিয়োগ করে কৃষি বিপ্লব ঘটাবে। কৃষির উৎপাদন বাড়াতে কৃষককার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের সহায়তা দেওয়া হবে।

সিআইডির তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তরা দেশের বিভিন্ন এলাকায় অনলাইন বেটিংয়ের এজেন্ট নিয়োগ করে তাঁদের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করতেন। জুয়ার মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ থেকে কমিশন কেটে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও ক্রিপ্টোকারেন্সি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচার করা হতো।