
বিদ্যুতের ক্যাপাসিটি চার্জের সমালোচনা করে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ খাতে হরিলুট ও অর্থ পাচার হয়েছে। সরকার ক্যাপাসিটি চার্জ পর্যালোচনা করছে। বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিতে কিছু বিতর্কিত শর্তের কারণে জনগণের ওপর ব্যয়ের বোঝা বাড়ছে বলেও মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী।

আপনি যে প্রশ্নটি করেছেন এই প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। বিশেষ করে স্বৈরাচারের পতনের পরে আমরা আগেও দেখেছি এবং পতনের পরে আমরা আরও পরিষ্কারভাবে দেখতে পাচ্ছি যে কীভাবে দুর্নীতি এবং অর্থপাচারের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।

ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি অভিযোগ করেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানের পর আমরা আশা করেছিলাম সরকার বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেবে। কিন্তু এখন উল্টো ব্যাংকের ভেতরে বিতর্কিত ব্যক্তিদের বসানো হচ্ছে।’

ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর বিদেশে আশ্রয় নেওয়া আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাবশালী ব্যক্তি ও ঘনিষ্ঠজনেরা দেশে থাকা সম্পদ নিয়ে নতুন করে তৎপর হয়ে উঠেছেন। বিদেশে বসেই তাঁরা বিভিন্ন বাংলাদেশ মিশনে আমমোক্তারনামা (পাওয়ার অব অ্যাটর্নি) জমা দিচ্ছেন।