আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ
রাসেল মাহমুদ, ঢাকা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
এ অবস্থায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জামিনে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গতিবিধি এবং সম্ভাব্য কার্যক্রম নিবিড়ভাবে নজরদারিতে রেখে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর সাড়ে আট মাসে জামিনে মুক্তি পান বিশেষ ক্ষমতা আইনে জেলে থাকা ৪২৬ জন। তাঁদের পাশাপাশি আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসীদের বেশ কয়েকজনও জামিনে মুক্তি পান। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মোহাম্মদপুরের ইমামুল হাসান হেলাল ওরফে পিচ্চি হেলাল, মগবাজারের এস এম আরমান ওরফে আরমান, মিরপুরের আব্বাস আলী ওরফে কিলার আব্বাস, ধানমন্ডির খন্দকার নাঈম আহমেদ ওরফে টিটন, বাড্ডার খোরশেদ আলম ওরফে ফ্রিডম রাসু ও সোহেল রানা চৌধুরী ওরফে ফ্রিডম সোহেল, তেজগাঁওয়ের শেখ মোহাম্মদ আসলাম ওরফে সুইডেন আসলাম এবং হাজারীবাগ এলাকার সানজিদুল ইসলাম ওরফে ইমন। তাঁদের অধিকাংশ এক দশক থেকে দেড় দশক কারাগারে ছিলেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১২ আগস্ট আদালত থেকে জামিন পান শীর্ষ সন্ত্রাসী আব্বাস আলী ওরফে আব্বাস। মুক্তির পর থেকে তিনি পলাতক এবং তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। ১৩ আগস্ট জামিন পাওয়া খোরশেদ আলম ওরফে ফ্রিডম রাসু, ১৪ আগস্ট জামিন পাওয়া এস এম আরমান ওরফে আরমান এবং ১৫ আগস্ট জামিন পাওয়া ইমামুল হাসান হেলাল ওরফে পিচ্চি হেলালও মুক্তির পর থেকে আত্মগোপনে রয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। ২০১২ সালে জামিনে মুক্ত খন্দকার নাঈম আহমেদ ওরফে টিটনও দীর্ঘদিন ধরে পলাতক বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় বছরে রাজধানীতে অন্তত পাঁচটি হত্যাকাণ্ডে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের নাম এসেছে। ২০২৪ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রায়েরবাজারে দুই যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মোহাম্মদপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি হেলালের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা হয়। গত বছরের এপ্রিলে হাতিরঝিলে যুবদল নেতা আরিফ শিকদার এবং মে মাসে বাড্ডায় বিএনপি নেতা কামরুল আহসান হত্যাকাণ্ডের পেছনে শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন, পুরান ঢাকায় আদালত এলাকায় তারিক সাঈদ মামুন হত্যাকাণ্ডের পেছনে ইমনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া ফোর স্টার গ্রুপসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠী চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বে সক্রিয় হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
তাঁদের মধ্যে শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনকে গত বছরের ২৭ মে কুষ্টিয়া শহরের কালীশংকরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা জানান, জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে সহিংসতা, চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধ বাড়ছে। গত নভেম্বরে চট্টগ্রাম-৮ আসনের বিএনপির প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর গণসংযোগে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হন। ডিসেম্বরে ঢাকার পুরানা পল্টনে গুলিবিদ্ধ হন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদি, যিনি পরে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ছাড়া বিভিন্ন এলাকায় প্রার্থীদের হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক খন্দকার রফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জামিনে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসী ও তাঁদের সহযোগীদের, যাঁরা জাতীয় নির্বাচনের জন্য ভীতি সঞ্চার করতে পারেন বা আতঙ্ক তৈরি করতে পারেন, তাঁদের গ্রেপ্তার করতে বলা হয়েছে। নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে জামিনে থাকা ব্যক্তিদের ওপর বিশেষ নজরদারি রয়েছে। যাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে, তাঁদের গ্রেপ্তার করতেই হবে।’

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
এ অবস্থায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জামিনে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গতিবিধি এবং সম্ভাব্য কার্যক্রম নিবিড়ভাবে নজরদারিতে রেখে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর সাড়ে আট মাসে জামিনে মুক্তি পান বিশেষ ক্ষমতা আইনে জেলে থাকা ৪২৬ জন। তাঁদের পাশাপাশি আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসীদের বেশ কয়েকজনও জামিনে মুক্তি পান। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মোহাম্মদপুরের ইমামুল হাসান হেলাল ওরফে পিচ্চি হেলাল, মগবাজারের এস এম আরমান ওরফে আরমান, মিরপুরের আব্বাস আলী ওরফে কিলার আব্বাস, ধানমন্ডির খন্দকার নাঈম আহমেদ ওরফে টিটন, বাড্ডার খোরশেদ আলম ওরফে ফ্রিডম রাসু ও সোহেল রানা চৌধুরী ওরফে ফ্রিডম সোহেল, তেজগাঁওয়ের শেখ মোহাম্মদ আসলাম ওরফে সুইডেন আসলাম এবং হাজারীবাগ এলাকার সানজিদুল ইসলাম ওরফে ইমন। তাঁদের অধিকাংশ এক দশক থেকে দেড় দশক কারাগারে ছিলেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১২ আগস্ট আদালত থেকে জামিন পান শীর্ষ সন্ত্রাসী আব্বাস আলী ওরফে আব্বাস। মুক্তির পর থেকে তিনি পলাতক এবং তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। ১৩ আগস্ট জামিন পাওয়া খোরশেদ আলম ওরফে ফ্রিডম রাসু, ১৪ আগস্ট জামিন পাওয়া এস এম আরমান ওরফে আরমান এবং ১৫ আগস্ট জামিন পাওয়া ইমামুল হাসান হেলাল ওরফে পিচ্চি হেলালও মুক্তির পর থেকে আত্মগোপনে রয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। ২০১২ সালে জামিনে মুক্ত খন্দকার নাঈম আহমেদ ওরফে টিটনও দীর্ঘদিন ধরে পলাতক বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় বছরে রাজধানীতে অন্তত পাঁচটি হত্যাকাণ্ডে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের নাম এসেছে। ২০২৪ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রায়েরবাজারে দুই যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মোহাম্মদপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি হেলালের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা হয়। গত বছরের এপ্রিলে হাতিরঝিলে যুবদল নেতা আরিফ শিকদার এবং মে মাসে বাড্ডায় বিএনপি নেতা কামরুল আহসান হত্যাকাণ্ডের পেছনে শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন, পুরান ঢাকায় আদালত এলাকায় তারিক সাঈদ মামুন হত্যাকাণ্ডের পেছনে ইমনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া ফোর স্টার গ্রুপসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠী চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বে সক্রিয় হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
তাঁদের মধ্যে শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনকে গত বছরের ২৭ মে কুষ্টিয়া শহরের কালীশংকরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা জানান, জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে সহিংসতা, চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধ বাড়ছে। গত নভেম্বরে চট্টগ্রাম-৮ আসনের বিএনপির প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর গণসংযোগে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হন। ডিসেম্বরে ঢাকার পুরানা পল্টনে গুলিবিদ্ধ হন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদি, যিনি পরে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ছাড়া বিভিন্ন এলাকায় প্রার্থীদের হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক খন্দকার রফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জামিনে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসী ও তাঁদের সহযোগীদের, যাঁরা জাতীয় নির্বাচনের জন্য ভীতি সঞ্চার করতে পারেন বা আতঙ্ক তৈরি করতে পারেন, তাঁদের গ্রেপ্তার করতে বলা হয়েছে। নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে জামিনে থাকা ব্যক্তিদের ওপর বিশেষ নজরদারি রয়েছে। যাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে, তাঁদের গ্রেপ্তার করতেই হবে।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৬ ঘণ্টা আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১১ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৪ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১৬ দিন আগে