
গরুর মাংস, ছোলা, ব্রয়লার মুরগিসহ ২৯টি নিত্যপণ্যের দাম বেঁধে দিয়ে আদেশ জারি করেছে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর। আজ শুক্রবার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মাসুদ করিম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কৃষি বিপণন আইন ২০১৮-এর ৪ (ঝ) ধারার ক্ষমতা বলে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর কৃষিপণ্যের যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ করেছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এই দামে কৃষিপণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের অনুরোধ করা হলো।
নতুন এ দাম তিনটি স্তরে নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। একটি পণ্য উৎপাদক পর্যায়ে সর্বোচ্চ দাম, পাইকারি বাজারে এবং ভোক্তাপর্যায়ে খুচরা দাম কত হবে সেটা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন বেঁধে দেওয়া দাম অনুযায়ী, প্রতি কেজি গরুর মাংসের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৬৪ টাকা। এ ছাড়া ছাগলের মাংসের খুচরা মূল্য ১ হাজার ৩ টাকা। আর মাছের মধ্যে চাষের পাঙাশের খুচরা দাম ১৮১ টাকা ও কাতলা মাছের দাম সর্বোচ্চ ৩৫৪ টাকা; ব্রয়লার মুরগি ১৭৫ টাকা ও সোনালি মুরগি ২৬২ টাকা দরে বেচতে হবে। প্রতিটি ডিমের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে সর্বোচ্চ সাড়ে ১০ টাকা।
এ ছাড়া পাইকারি বাজারে ছোলার দাম সর্বোচ্চ সাড়ে ৯৩ টাকা এবং খুচরা পর্যায়ে ৯৮ টাকা দরে বিক্রি করা যাবে; মসুর ডালের খুচরা পর্যায়ে দাম হবে ১৩০ টাকা ৫০ পয়সা এবং মোটা দানার মসুর বিক্রি হবে ১০৫ টাকা ৫০ পয়সায়; খেসারি ডালের খুচরায় সর্বোচ্চ দাম হবে ৯৩ টাকা; প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৫ টাকা এবং রসুন ১২০ টাকা ও আদা ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হবে। এ ছাড়া কাঁচা মরিচ ৬০ টাকা কেজি দরে খুচরা বাজারে কিনতে পারবেন ক্রেতারা।
অন্যদিকে বাজারে প্রতি কেজি জাহেদি খেজুর ১৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সাগর কলার হালি খুচরায় ৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। চিড়ার খুচরা দাম ৬০ টাকা, টমেটো কেজিপ্রতি ৪০ টাকা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর।
এই নতুন দাম নির্ধারণের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর মহাপরিচালক মো. মাসুদ করিমকে আজকের পত্রিকার পক্ষ থেকে একাধিকবার ফোন কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। মেসেজ পাঠিয়েও সাড়া পাওয়া যায়নি।

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা ও মানসম্মত পরিচর্যা নিশ্চিত করতে সম্প্রতি এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ বাংলাদেশ ও বিএসআরএম একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ‘ফ্যামিলি হাউস সাপোর্ট ফর অলটারনেটিভ কেয়ার ফ্যাসিলিটিজ’ নামের উদ্যোগটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়...
১ ঘণ্টা আগে
উচ্চ মূল্যস্ফীতি, দুর্বল বিনিয়োগ, রাজস্ব ঘাটতি ও আর্থিক খাতের চাপের মধ্যে অর্থনীতিতে গতি ফেরানো এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে শুধু সরকারি ব্যয় বাড়িয়ে প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার চেষ্টা করলে মূল্যস্ফীতি আরও বেড়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআরআই)।
১৪ ঘণ্টা আগে
জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সবচেয়ে কম দায়ী দেশগুলোই এখন সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি কিংবা কৃষি উৎপাদনে ধাক্কা—সবকিছুর ভার বহন করছে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল ও দরিদ্র দেশগুলো।
১৫ ঘণ্টা আগে
উচ্চ মূল্যস্ফীতি, ব্যাংকঋণের বাড়তি সুদহার, ডলার-সংকট এবং বিনিয়োগে দীর্ঘ স্থবিরতার মধ্যেই ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশে বড় বিনিয়োগ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। নতুন অর্থবছরের বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩১ দশমিক ৪ শতাংশের সমপরিমাণ বিনিয়োগের লক্ষ্য ধরা হচ্ছে...
১৫ ঘণ্টা আগে