আমিনুল হক, ফুলছড়ি (গাইবান্ধা)

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান্তি ও কৌতূহল।
স্থানীয় সূত্র জানায়, জাতীয় পার্টি থেকেই দুজন প্রার্থী হওয়ায় নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে মতভেদ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। নেতা-কর্মীদের মধ্যেও দ্বিধা দেখা দিয়েছে। অনেকেই প্রকাশ্যে, আবার কেউ কেউ নীরবে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে আলাদাভাবে প্রচার চালাচ্ছেন।
ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কেউ দলীয় প্রতীককে গুরুত্ব দিয়ে ভোট দেওয়ার কথা ভাবছেন। আবার অনেকে ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা, স্থানীয় যোগাযোগ ও অতীত ভূমিকার কথা বিবেচনা করে রঞ্জুর পক্ষে অবস্থান নিচ্ছেন। এতে জাতীয় পার্টির ভোটব্যাংক ভাগ হয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা।
দলের এলাকার কয়েকজন সমর্থক বলেন, একজন দলের মহাসচিব, আরেকজন ভাইস চেয়ারম্যান—দুজনই গুরুত্বপূর্ণ নেতা। কিন্তু একজন স্বতন্ত্র হওয়ায় সাধারণ ভোটার বুঝতে পারছেন না, কাকে ভোট দিলে দল উপকৃত হবে। এতে করে ভোটের শেষ মুহূর্তে কী হবে, বলা যাচ্ছে না। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কোনো শীর্ষস্থানীয় নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে, সেটি দলের সাংগঠনিক ঐক্যে প্রভাব ফেলে। এতে একদিকে দলীয় ভোটব্যাংক ভাগ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে, অন্যদিকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা লাভবান হতে পারেন। শেষ পর্যন্ত দুজনের প্রার্থিতা থাকলে নির্বাচনী সমীকরণকে জটিল করে তুলবে।
নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই ভোটারদের কৌতূহল বাড়ছে। শেষ পর্যন্ত এই দ্বন্দ্বের প্রভাব ভোটের ফলাফলে কতটা পড়ে, তা এই মুহূর্তে অনুমান করা কঠিন। সব মিলিয়ে জাতীয় পার্টির মহাসচিবের বিপরীতে একই দলের ভাইস চেয়ারম্যানের স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া এবারের নির্বাচনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ভোটারদের সিদ্ধান্ত কোন দিকে যায়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
ফুলছড়ি উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া সবুজ বলেন, ‘দলের মধ্যে বিভাজন নিরসনে মহাসচিব এখানে প্রার্থী হয়েছেন। দলের সিদ্ধান্তের বাহিরে গিয়ে কেউ সুবিধা করতে পারবেন না। কারণ ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার মানুষ লাঙ্গলের ভক্ত। তাঁরা প্রার্থী নন, প্রতীক দেখেই ভোট দেন। তা ছাড়া, শামীম হায়দার পাটোয়ারী একজন অত্যন্ত ভালো মানুষ। জাতীয় পার্টির ঘাঁটিতে অন্য কোনো প্রার্থী নির্বাচিত হতে পারবেন না।’
স্বতন্ত্র প্রার্থী এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু এ বিষয়ে বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকার মানুষের পাশে ছিলাম। দলীয় পরিচয়ের বাইরেও জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন আমার মূল শক্তি। আমি বিশ্বাস করি, ভোটাররা ব্যক্তি ও কাজের মূল্যায়ন করেই সিদ্ধান্ত নেবেন।’ তিনি বলেন, ‘আমার প্রার্থিতা কোনো বিভাজনের জন্য নয়, বরং জনগণের প্রত্যাশা থেকেই আমি নির্বাচনে এসেছি।’

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান্তি ও কৌতূহল।
স্থানীয় সূত্র জানায়, জাতীয় পার্টি থেকেই দুজন প্রার্থী হওয়ায় নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে মতভেদ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। নেতা-কর্মীদের মধ্যেও দ্বিধা দেখা দিয়েছে। অনেকেই প্রকাশ্যে, আবার কেউ কেউ নীরবে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে আলাদাভাবে প্রচার চালাচ্ছেন।
ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কেউ দলীয় প্রতীককে গুরুত্ব দিয়ে ভোট দেওয়ার কথা ভাবছেন। আবার অনেকে ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা, স্থানীয় যোগাযোগ ও অতীত ভূমিকার কথা বিবেচনা করে রঞ্জুর পক্ষে অবস্থান নিচ্ছেন। এতে জাতীয় পার্টির ভোটব্যাংক ভাগ হয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা।
দলের এলাকার কয়েকজন সমর্থক বলেন, একজন দলের মহাসচিব, আরেকজন ভাইস চেয়ারম্যান—দুজনই গুরুত্বপূর্ণ নেতা। কিন্তু একজন স্বতন্ত্র হওয়ায় সাধারণ ভোটার বুঝতে পারছেন না, কাকে ভোট দিলে দল উপকৃত হবে। এতে করে ভোটের শেষ মুহূর্তে কী হবে, বলা যাচ্ছে না। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কোনো শীর্ষস্থানীয় নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে, সেটি দলের সাংগঠনিক ঐক্যে প্রভাব ফেলে। এতে একদিকে দলীয় ভোটব্যাংক ভাগ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে, অন্যদিকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা লাভবান হতে পারেন। শেষ পর্যন্ত দুজনের প্রার্থিতা থাকলে নির্বাচনী সমীকরণকে জটিল করে তুলবে।
নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই ভোটারদের কৌতূহল বাড়ছে। শেষ পর্যন্ত এই দ্বন্দ্বের প্রভাব ভোটের ফলাফলে কতটা পড়ে, তা এই মুহূর্তে অনুমান করা কঠিন। সব মিলিয়ে জাতীয় পার্টির মহাসচিবের বিপরীতে একই দলের ভাইস চেয়ারম্যানের স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া এবারের নির্বাচনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ভোটারদের সিদ্ধান্ত কোন দিকে যায়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
ফুলছড়ি উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া সবুজ বলেন, ‘দলের মধ্যে বিভাজন নিরসনে মহাসচিব এখানে প্রার্থী হয়েছেন। দলের সিদ্ধান্তের বাহিরে গিয়ে কেউ সুবিধা করতে পারবেন না। কারণ ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার মানুষ লাঙ্গলের ভক্ত। তাঁরা প্রার্থী নন, প্রতীক দেখেই ভোট দেন। তা ছাড়া, শামীম হায়দার পাটোয়ারী একজন অত্যন্ত ভালো মানুষ। জাতীয় পার্টির ঘাঁটিতে অন্য কোনো প্রার্থী নির্বাচিত হতে পারবেন না।’
স্বতন্ত্র প্রার্থী এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু এ বিষয়ে বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকার মানুষের পাশে ছিলাম। দলীয় পরিচয়ের বাইরেও জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন আমার মূল শক্তি। আমি বিশ্বাস করি, ভোটাররা ব্যক্তি ও কাজের মূল্যায়ন করেই সিদ্ধান্ত নেবেন।’ তিনি বলেন, ‘আমার প্রার্থিতা কোনো বিভাজনের জন্য নয়, বরং জনগণের প্রত্যাশা থেকেই আমি নির্বাচনে এসেছি।’

পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
২ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয়
২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানির এক পর্যায়ে ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) বাগ্বিতণ্ডায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে বাধে হট্টগোল।
৪ ঘণ্টা আগে
সংবাদ সম্মেলনে নাম উল্লেখ না করে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীদের উদ্দেশে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আপনারা যদি জনপ্রতিনিধি হতে চান, তাহলে প্রকৃত অর্থে প্রথমে এককভাবে বাংলাদেশের নাগরিক হন। আমরা কোনো বিদেশি নাগরিককে বাংলাদেশে নির্বাচন করতে দেব না। যদি নির্বাচন কমিশন এ ক্ষেত্রে সংবিধান লঙ্ঘন করার...
৬ ঘণ্টা আগে