
যশোরের ঝিকরগাছায় চলতি মৌসুমে আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে ফলন ভালো হলেও মুখে হাসি নেই কৃষকের। তাঁরা বলছেন, পাইকারি বাজারে আলুর দাম কম হওয়ায় লোকসানের মুখে পড়ছেন তাঁরা। বিঘাপ্রতি আলু চাষে ৫-৭ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে তাঁদের।

মার্কিন বাজারে হঠাৎ ঝুঁকিতে পড়েছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি। কারণ, ভারতের পণ্যের ওপর মার্কিন পাল্টা শুল্ক কমে ১৮ শতাংশে নেমেছে, অথচ বাংলাদেশের পণ্যের ওপর সেই শুল্ক এখনো ২০ শতাংশে আটকে আছে। এই সামান্য পার্থক্যই দুই দেশের মধ্যে মূল্যগত প্রতিযোগিতায় বড় ফাঁক তৈরি করেছে।

বৈশ্বিক বাজারে রপ্তানি চাপে থাকলেও চামড়াশিল্প এখনো প্রবৃদ্ধির ধারা ধরে রেখেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে সার্বিক পণ্য রপ্তানি কমলেও তুলনামূলক ভালো অবস্থান বজায় রেখেছে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এ রপ্তানি খাতটি। তবে ডিসেম্বরে কিছুটা হোঁচট খাওয়ায় এই প্রবৃদ্ধির স্থায়িত্ব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

বছর ঘুরলেও বিশ্ববাজারে সোনার দামে অস্থিরতা থামেনি। বরং এরই মধ্যে দাম আগের পূর্বাভাস ছাড়িয়ে গেছে। তার প্রভাব পড়ছে দেশে দেশে, বড় ধাক্কা লেগেছে অর্থনীতিতে। বিশ্বজুড়ে দিনে দিনে যেভাবে অনিশ্চয়তা বাড়ছে, তাতে বিশ্লেষকেরা সঠিকভাবে বলতেও পারছেন না, ঠিক কবে নাগাদ সোনার বাজারে স্বস্তি ফিরবে।