নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

সিলেটের দক্ষিণ সুরমার নাজিরবাজারের কুতুবপুর এলাকায় ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বাদশা (২২) নামের আরেক যুবক। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫।
বাদশা সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ভাটিপাড়া এলাকার মায়েদ নুরের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার সুদীপ দাশ।
গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ৫টার দিকে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের দক্ষিণ সুরমার নাজির বাজার এলাকার কুতুবপুর নামক স্থানে দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে ১১ জনের মৃত্যু হয়। আর হাসপাতালে নিয়ে আসার পর আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছিল।
এর আগে নিহত ১৪ জন হলেন—সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার মো. সিজিল মিয়া (৫৫), একলিম মিয়া (৫৫), হারিছ মিয়া (৬৫), সৌরভ মিয়া (২৭), সায়েদ নুর (৫০), বাদশা মিয়া (৩০), সাধু মিয়া (৫০), রশিদ মিয়া (৫০) ও মেহের (২৫) ; সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার শাহীন মিয়া (৪০), দুলাল মিয়া (২৬) ও আওলাদ হোসেন (৫০) ; হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের আমিনা বেগম (৪৫) এবং নেত্রকোনা বারহাট্টার আওলাদ মিয়া (৪০)। নিহতদের বেশির ভাগই সুনামগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।
নিহতদের স্বজনেরা জানান, নিহত সবাই নির্মাণশ্রমিক। দৈনিক মজুরিতে তাঁরা বাসার ছাঁদ ঢালাইয়ের কাজ করতেন। বুধবার ভোরে তাঁরা একটি বাসার ঢালাইকাজের জন্য নগরের আম্বরখানা থেকে সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় যাচ্ছিলেন। পথে দুর্ঘটনার শিকার হন তাঁরা। ১৪ জন নির্মাণশ্রমিক নিহতের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে এ ঘটনার পর থেকেই ট্রাক-পিকআপ ভ্যানের চালকেরা পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুদ্দোহা। তিনি বলেন, ‘ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানের চালকদের ধরতে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় নিহত মো. সায়েদ নুরের ছেলে ইজাজুল বাদী হয়ে থানায় মোটরযান আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানের চালককে আসামি করা হয়েছে।’
এদিকে সিলেট জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে ২০ হাজার এবং আহত ব্যক্তিদের পরিবারকে ১০ হাজার করে টাকা দেওয়া হয়েছে।
সেই সঙ্গে সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ২৫ হাজার টাকার অনুদান প্রদান করেন।

সিলেটের দক্ষিণ সুরমার নাজিরবাজারের কুতুবপুর এলাকায় ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বাদশা (২২) নামের আরেক যুবক। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫।
বাদশা সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ভাটিপাড়া এলাকার মায়েদ নুরের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার সুদীপ দাশ।
গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ৫টার দিকে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের দক্ষিণ সুরমার নাজির বাজার এলাকার কুতুবপুর নামক স্থানে দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে ১১ জনের মৃত্যু হয়। আর হাসপাতালে নিয়ে আসার পর আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছিল।
এর আগে নিহত ১৪ জন হলেন—সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার মো. সিজিল মিয়া (৫৫), একলিম মিয়া (৫৫), হারিছ মিয়া (৬৫), সৌরভ মিয়া (২৭), সায়েদ নুর (৫০), বাদশা মিয়া (৩০), সাধু মিয়া (৫০), রশিদ মিয়া (৫০) ও মেহের (২৫) ; সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার শাহীন মিয়া (৪০), দুলাল মিয়া (২৬) ও আওলাদ হোসেন (৫০) ; হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের আমিনা বেগম (৪৫) এবং নেত্রকোনা বারহাট্টার আওলাদ মিয়া (৪০)। নিহতদের বেশির ভাগই সুনামগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।
নিহতদের স্বজনেরা জানান, নিহত সবাই নির্মাণশ্রমিক। দৈনিক মজুরিতে তাঁরা বাসার ছাঁদ ঢালাইয়ের কাজ করতেন। বুধবার ভোরে তাঁরা একটি বাসার ঢালাইকাজের জন্য নগরের আম্বরখানা থেকে সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় যাচ্ছিলেন। পথে দুর্ঘটনার শিকার হন তাঁরা। ১৪ জন নির্মাণশ্রমিক নিহতের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে এ ঘটনার পর থেকেই ট্রাক-পিকআপ ভ্যানের চালকেরা পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুদ্দোহা। তিনি বলেন, ‘ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানের চালকদের ধরতে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় নিহত মো. সায়েদ নুরের ছেলে ইজাজুল বাদী হয়ে থানায় মোটরযান আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানের চালককে আসামি করা হয়েছে।’
এদিকে সিলেট জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে ২০ হাজার এবং আহত ব্যক্তিদের পরিবারকে ১০ হাজার করে টাকা দেওয়া হয়েছে।
সেই সঙ্গে সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ২৫ হাজার টাকার অনুদান প্রদান করেন।

রাজধানীর মগবাজার মোড়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে লোহার পাইপ মাথায় পড়ে তাইজুল ইসলাম (২০) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
১৪ মিনিট আগে
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, চন্দ্রদ্বীপসহ বাউফলের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কর্মসূচিতে বাধা, দোকানে চাঁদা দাবি, চাঁদা না দিলে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া কয়েকটি ঘটনায় হত্যাচেষ্টার ও সাক্ষীদের ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
২২ মিনিট আগে
নারায়ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আজিজুল ইসলাম পেশায় ছোট চা-দোকানি। তিনি গ্রামের পাশের কালারচর বাজারে ব্যবসা করেন। বুধবার রাতে বড় মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দোকানে ছিলেন। এ সময় বাড়িতে শহিদা বেগম ও তাঁর চার বছর বয়সী ছোট মেয়ে ছিল। শহিদা রাতের রান্নার চাল ধুতে নলকূপের...
১ ঘণ্টা আগে
জানাজা শেষে ডাবলুর বড় ভাই শরিফুল ইসলাম কাজল বলেন, ‘গতকাল জানাজায় সবাই সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। আমরা শুধু আশ্বাসে বিশ্বাসী না, জড়িতদের বিচার চাই। কেউ যেন ছাড় না পায়। আমরা যেন বিচার দেখে যেতে পারি।’
১ ঘণ্টা আগে