সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

গত কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের নদ-নদীর পানি বেড়ে যায়। ফলে আবারও বন্যার শঙ্কা বাড়তে থাকে। তবে গতকাল মঙ্গলবার থেকে আজ বুধবার রাত পর্যন্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় সুরমা নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। এতে স্বস্তি ফিরেছে জনমনে।
আজ বেলা ৪টা পর্যন্ত সুরমা নদীর ষোলঘর পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ নিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। অন্যদিকে সুরমা নদীর ছাতক পয়েন্টে বিপৎসীমার ১২২ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে।
জেলার অন্তত ৬ উপজেলার নিম্নাঞ্চল আংশিক প্লাবিত হয়। তবে হাওর ও নদী থেকে পানি কমতে শুরু করায় প্লাবিত এলাকাগুলো থেকেও কমতে শুরু করেছে পানি। তবে এখনো পানিবন্দী এসব এলাকার মানুষ। অনেকের ঘরে পানি ওঠায় তাঁরা আশ্রয়কেন্দ্র ও উঁচু জায়গাতে আশ্রয় নিয়েছেন।
এদিকে বৃষ্টি কিছুটা কম হলেও সুনামগঞ্জ সদর, দোয়ারাবাজার, ছাতক, বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, শান্তিগঞ্জ ও জগন্নাথপুর উপজেলায় পানি বেড়ে প্লাবিত হয়েছে নিচু এলাকা।
এদিকে সুনামগঞ্জ পৌরসভার পূর্ব সুলতানপুর, হাসননগর, কালিপুর এলাকায় অনেক বাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে। ওই এলাকার কমপক্ষে ৫০টি পরিবার সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজে আশ্রয় নিয়েছে। এ ছাড়া শহরের পশ্চিম হাজীপাড়া ও বড়পাড়া এলাকার অনেক স্থানে পানি ওঠায় বড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছে ১০টি পরিবার।
এ ছাড়া ছাতক ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার একাধিক বিদ্যালয়ে মানুষজন আশ্রয় নিয়েছে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যা আক্রান্তদের জন্য প্রস্তুতির কথা জানালেন। জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী জানান, বন্যাকবলিতদের জন্য ইতিমধ্যে প্রত্যেক উপজেলায় শুকনা খাবার ও জিআর চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রের জন্য সব বিদ্যালয় খুলে দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

গত কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের নদ-নদীর পানি বেড়ে যায়। ফলে আবারও বন্যার শঙ্কা বাড়তে থাকে। তবে গতকাল মঙ্গলবার থেকে আজ বুধবার রাত পর্যন্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় সুরমা নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। এতে স্বস্তি ফিরেছে জনমনে।
আজ বেলা ৪টা পর্যন্ত সুরমা নদীর ষোলঘর পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ নিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। অন্যদিকে সুরমা নদীর ছাতক পয়েন্টে বিপৎসীমার ১২২ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে।
জেলার অন্তত ৬ উপজেলার নিম্নাঞ্চল আংশিক প্লাবিত হয়। তবে হাওর ও নদী থেকে পানি কমতে শুরু করায় প্লাবিত এলাকাগুলো থেকেও কমতে শুরু করেছে পানি। তবে এখনো পানিবন্দী এসব এলাকার মানুষ। অনেকের ঘরে পানি ওঠায় তাঁরা আশ্রয়কেন্দ্র ও উঁচু জায়গাতে আশ্রয় নিয়েছেন।
এদিকে বৃষ্টি কিছুটা কম হলেও সুনামগঞ্জ সদর, দোয়ারাবাজার, ছাতক, বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, শান্তিগঞ্জ ও জগন্নাথপুর উপজেলায় পানি বেড়ে প্লাবিত হয়েছে নিচু এলাকা।
এদিকে সুনামগঞ্জ পৌরসভার পূর্ব সুলতানপুর, হাসননগর, কালিপুর এলাকায় অনেক বাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে। ওই এলাকার কমপক্ষে ৫০টি পরিবার সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজে আশ্রয় নিয়েছে। এ ছাড়া শহরের পশ্চিম হাজীপাড়া ও বড়পাড়া এলাকার অনেক স্থানে পানি ওঠায় বড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছে ১০টি পরিবার।
এ ছাড়া ছাতক ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার একাধিক বিদ্যালয়ে মানুষজন আশ্রয় নিয়েছে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যা আক্রান্তদের জন্য প্রস্তুতির কথা জানালেন। জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী জানান, বন্যাকবলিতদের জন্য ইতিমধ্যে প্রত্যেক উপজেলায় শুকনা খাবার ও জিআর চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রের জন্য সব বিদ্যালয় খুলে দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পাউবোর নীলফামারী উপবিভাগীয় প্রকৌশলী জুলফিকার আলী বাদী হয়ে জলঢাকা থানায় শুক্র ও শনিবার পৃথক দুটি মামলা করেন। এতে ১৯ ও ২২ জনের নাম উল্লেখ করে ৬৯১ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ঘন কুয়াশার কারণে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টা থেকে এই নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়।
২ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনায় টাকার বিনিময়ে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও জন্মনিবন্ধন তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, নেত্রকোনা সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসের একটি সংঘবদ্ধ চক্র নিয়মবহির্ভূতভাবে রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করছে। এর মাধ্যমে রোহিঙ্গারা পাচ্ছে বাংলাদেশি নাগরিকত্ব।
৭ ঘণ্টা আগে
যশোরের মনিরামপুরে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা) কর্মসূচির আওতায় নেওয়া ১৮টি প্রকল্পের বিল এক মাস আগে স্বাক্ষর হলেও এখন পর্যন্ত টাকা পাননি প্রকল্পের সভাপতিরা। অভিযোগ উঠেছে, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) দপ্তর বিলে স্বাক্ষর করিয়ে টাকা আটকে রেখে সভাপতিদের ঘুরাচ্ছে।
৮ ঘণ্টা আগে