
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন রংপুর বিভাগের ৩৩টি আসনের ফলাফল স্থানীয়ভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এর ১৭টি আসনে জিতেছে জামায়াতে ইসলামী। জাতীয় নাগরিক পার্টি–এনসিপি জিতেছে দুটি আসনে। স্বতন্ত্র জিতেছে একটি। তবে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাওয়া বিএনপি জিতেছে ১৩টি আসন। ফল বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, এই বিভাগের আটটি জেলার ৪ টির সবগুলো আসনেই একচেটিয়া জিতেছে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোট।
এক নজরে রংপুর বিভাগের বিজয়ী প্রার্থী ও তাদের দল
পঞ্চগড়-১ ব্যারিস্টার নওশাদ জমির (বিএনপি)
পঞ্চগড়-২ ফরহাদ হোসেন আজাদ (বিএনপি)
ঠাকুরগাঁও-১ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (বিএনপি)
ঠাকুরগাঁও-২ ডা. আব্দুস সালাম (বিএনপি)
ঠাকুরগাঁও-৩ জাহিদুর রহমান জাহিদ (বিএনপি)
দিনাজপুর-১ মো. মনজুরুল ইসলাম (বিএনপি)
দিনাজপুর-২ মো. সাদিক রিয়াজ (বিএনপি)
দিনাজপুর-৩ সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম (বিএনপি)
দিনাজপুর-৪ আখতারুজ্জামান মিয়া (বিএনপি)
দিনাজপুর-৫ এজেডএম রেজওয়ানুল হক (স্বতন্ত্র)
দিনাজপুর-৬ এজেএম জাহিদ হোসেন (বিএনপি)
নীলফামারী-১ আব্দুস সাত্তার (জামায়াত)
নীলফামারী-২ আল ফারুক আব্দুল লতিফ (জামায়াত)
নীলফামারী-৩ ওবায়দুল্লাহ সালাফি (জামায়াত)
নীলফামারী-৪ হাফেজ আব্দুল মুত্তাকিম (জামায়াত)
লালমনিরহাট-১ ব্যারিষ্টার হাসান রাজিব প্রধান (বিএনপি)
লালমনিরহাট-২ রোকন উদ্দিন বাবুল (বিএনপি)
লালমনিরহাট-৩ আসাদুল হাবিব দুলু (বিএনপি)
রংপুর-১ মো. রায়হান সিরাজী (জামায়াত)
রংপুর-২ এটিএম আজহারুল ইসলাম (জামায়াত)
রংপুর-৩ মো. মাহবুবুর রহমান বেলাল (জামায়াত)
রংপুর-৪ আখতার হোসেন (এনসিপি)
রংপুর-৫ অধ্যাপক গোলাম রব্বানী (জামায়াত)
রংপুর-৬ অধ্যাপক নুরুল আমিন (জামায়াত)
কুড়িগ্রাম-১ মো. আনোয়ারুল ইসলাম (জামায়াত)
কুড়িগ্রাম-২ ড. আতিকুর রহমান মোজাহিদ (এনসিপি)
কুড়িগ্রাম-৩ মাহবুবুল আলম সালেহী (জামায়াত)
কুড়িগ্রাম-৪ মো. মোস্তাফিজুর রহমান (জামায়াত)
গাইবান্ধা-১ মো. মাজেদুর রহমান (জামায়াত)
গাইবান্ধা-২ আব্দুল করিম (জামায়াত)
গাইবান্ধা-৩ আবুল কাওছার মোহাম্মাদ নজরুল ইসলাম (জামায়াত)
গাইবান্ধা-৪ শামীম কায়সার লিংকন (বিএনপি)
গাইবান্ধা-৫ মো. আব্দুল ওয়ারেছ (জামায়াত)

সিরাজগঞ্জ-১ আসনটি বরাবরই আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে পরিচিত। ১৯৮৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রত্যেকটা নির্বাচনেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। শুধু ১৯৮৮ সালে জাতীয় পার্টির শফিকুল ইসলাম একবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
৮ মিনিট আগে
এনসিপি প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফের মোট ভোটের মাত্র ২ হাজার ৯০৬টি পেয়েছেন, যা প্রদত্ত ভোটের তুলনায় খুবই কম। ফলে নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। চট্টগ্রাম-৮ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৯ জন। এনসিপি প্রার্থী মোট ভোটারের মাত্র শূন্য দশমিক ৫২ শতাংশ ভোট পান।
১৪ মিনিট আগে
সিলেট বিভাগের ১৯ আসনের মাত্র একটিতেও জিততে পারেনি জামায়াতে ইসলাম। তবে দলটির নেতৃত্বধীন ১১ দলীয় জোটের খেলাফতে মজলিস পয়েছে একটি আসন। আর বাকি ১৮টি আসনই জিতেছে বিএনপি।
২৩ মিনিট আগে
মেহেরপুর জেলার দুটি আসনেই জামায়াত জোট প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। তাঁরা হলেন মেহেরপুর-১ আসনে জেলা জামায়াতের আমির মাও. তাজ উদ্দীন খান এবং মেহেরপুর-২ আসনে জামায়াত নেতা নাজমুল হুদা।
৩৮ মিনিট আগে