কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আজ বুধবার সন্ধ্যায় রংপুর শহর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কুড়িগ্রাম গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক বজলার রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সাদ্দামকে রংপুর থেকে গ্রেপ্তার করে কুড়িগ্রামে আনা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে কুড়িগ্রামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থী আশিক হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। বৃহস্পতিবার তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে ডিবি পরিদর্শক বলেন, সাদ্দামকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করা হবে।
আরও খবর পড়ুন:

নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আজ বুধবার সন্ধ্যায় রংপুর শহর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কুড়িগ্রাম গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক বজলার রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সাদ্দামকে রংপুর থেকে গ্রেপ্তার করে কুড়িগ্রামে আনা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে কুড়িগ্রামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থী আশিক হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। বৃহস্পতিবার তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে ডিবি পরিদর্শক বলেন, সাদ্দামকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করা হবে।
আরও খবর পড়ুন:

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে