সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের এনায়েতপুর থানার জালালপুরে গত কয়েক দিনে বাড়তে শুরু করেছে যমুনা নদীতে পানি। গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে আজ শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত) যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ হার্ড পয়েন্ট এলাকায় ৪ সেন্টিমিটার বেড়েছে। পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও ফসলি জমি। পানি বাড়ার সঙ্গে দেখা দিয়েছে তীব্র নদীভাঙন।
গতকাল জালালপুর গ্রামে যমুনার ভাঙনে সাতটি বসতবাড়ি, ফসলি জমি ও পরিত্যক্ত বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে পড়েছে জালালপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, জালালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জালালপুর রাহেলা খাতুন হাফিজিয়া মাদ্রাসা, বাঐখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বসতভিটা ও ফসলি জমি। ভাঙনের মুখে থাকা স্থাপনা অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন এলাকাবাসী।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) পানি পরিমাপক হাসানুজ্জামন বলেন, গত কয়েক দিন হলো আবারও যমুনা নদীতে পানি বাড়ছে। আজ সকাল ৬টায় যমুনা নদীর সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ হার্ড পয়েন্ট এলাকায় পানি রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৭৫ সেন্টিমিটার। একই সময় গতকাল বৃহস্পতিবার পানি রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৭১ সেন্টিমিটার। গত ২৪ ঘণ্টায় পানি বেড়েছে ৪ সেন্টিমিটার।
জালালপুর গ্রামের হোসেন বলেন, গত বুধবার রাত থেকে জালালপুর গ্রামের তীব্র নদীভাঙন শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। গতকাল সারা দিন নদীভাঙন অব্যাহত ছিল। সাতটি বাসতবাড়ি ভেঙে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে থাকা স্থাপনা ভেঙে অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন গ্রামবাসী।
সিরাজগঞ্জ পাউবোর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মিল্টন হোসেন বলেন, ভাঙন রোধে কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। প্রায় দুই মাস যাবৎ জালালপুর এলাকায় ভাঙন রোধে বালির বস্তা ফেলা হচ্ছে। এই কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের এনায়েতপুর থানার জালালপুরে গত কয়েক দিনে বাড়তে শুরু করেছে যমুনা নদীতে পানি। গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে আজ শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত) যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ হার্ড পয়েন্ট এলাকায় ৪ সেন্টিমিটার বেড়েছে। পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও ফসলি জমি। পানি বাড়ার সঙ্গে দেখা দিয়েছে তীব্র নদীভাঙন।
গতকাল জালালপুর গ্রামে যমুনার ভাঙনে সাতটি বসতবাড়ি, ফসলি জমি ও পরিত্যক্ত বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে পড়েছে জালালপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, জালালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জালালপুর রাহেলা খাতুন হাফিজিয়া মাদ্রাসা, বাঐখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বসতভিটা ও ফসলি জমি। ভাঙনের মুখে থাকা স্থাপনা অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন এলাকাবাসী।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) পানি পরিমাপক হাসানুজ্জামন বলেন, গত কয়েক দিন হলো আবারও যমুনা নদীতে পানি বাড়ছে। আজ সকাল ৬টায় যমুনা নদীর সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ হার্ড পয়েন্ট এলাকায় পানি রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৭৫ সেন্টিমিটার। একই সময় গতকাল বৃহস্পতিবার পানি রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৭১ সেন্টিমিটার। গত ২৪ ঘণ্টায় পানি বেড়েছে ৪ সেন্টিমিটার।
জালালপুর গ্রামের হোসেন বলেন, গত বুধবার রাত থেকে জালালপুর গ্রামের তীব্র নদীভাঙন শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। গতকাল সারা দিন নদীভাঙন অব্যাহত ছিল। সাতটি বাসতবাড়ি ভেঙে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে থাকা স্থাপনা ভেঙে অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন গ্রামবাসী।
সিরাজগঞ্জ পাউবোর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মিল্টন হোসেন বলেন, ভাঙন রোধে কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। প্রায় দুই মাস যাবৎ জালালপুর এলাকায় ভাঙন রোধে বালির বস্তা ফেলা হচ্ছে। এই কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৩০ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৩৪ মিনিট আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
১ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
১ ঘণ্টা আগে