
গাইবান্ধায় তিস্তা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর ভয়াবহ ভাঙনে একের পর এক বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ইতিমধ্যে নদীগর্ভে চলে গেছে আটটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। আরও কয়েকটি বিদ্যালয় রয়েছে ভাঙনের ঝুঁকিতে। ভবন হারিয়ে কোথাও খোলা আকাশের নিচে, আবার কোথাও ছাপড়ার নিচে চলছে শিশুদের পাঠদান। এতে

মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে যমুনা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ৪১ কেজি ওজনের একটি বাগাড় মাছ। পরে মাছটি ৫৩ হাজার টাকায় কিনে নিয়েছেন স্থানীয় এক সৌদিপ্রবাসী। বিশাল আকৃতির মাছটি দেখতে বাঘুটিয়া চর বাজারে ভিড় করেন উৎসুক মানুষ...

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার বালাসী ঘাট ও জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাটের মধ্যে যমুনা নদীর ওপর সেতু নির্মাণের দাবিতে পদযাত্রায় নেমেছেন বাবা-ছেলে। দেশের বিভিন্ন জেলা ঘুরে তাঁরা মানুষের কাছে তুলে ধরছেন সেতুটির গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তার কথা। ১৬ আগস্ট শুরু করা এ পদযাত্রার অংশ হিসেবে গত শুক্রবার রাতে তাঁরা

বগুড়ার ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নে যমুনা নদীর শহড়াবাড়ি স্পারে আবারও ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে গতকাল শনিবার দুপুর পর্যন্ত স্পারের ১৫০ মিটার অংশ যমুনায় বিলীন হয়ে গেছে। স্পারের ভাঙনরোধে পানিতে বালুভর্তি জিও ট্যাক্স ব্যাগ ও জিও টিউব ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।