
তিস্তার পানি কমছে, কিন্তু কমছে না নদীপাড়ের মানুষের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। বরং পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় নদীর দুই তীরে শুরু হয়েছে ভয়াবহ ভাঙন। স্থানীয়দের দাবি, জিও ব্যাগ ফেলে সাময়িকভাবে ভাঙন ঠেকানো গেলেও স্থায়ী সমাধান মিলবে না। তিস্তা খনন ছাড়া এই সংকটের কোনো বিকল্প নেই।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ভোরের পাখিচরের অর্ধশতাধিক বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙন থেকে বাঁচতে বসতঘর সরিয়ে নিচ্ছেন চরবাসী। এদিকে পানি বাড়তে থাকায় তিস্তার চরের নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হয়েছে।

নোয়াখালীর হাতিয়ায় চরঈশ্বর ইউনিয়নের তালুকদার গ্রামের পাশে শুক্রবার বিকেলে বেড়িবাঁধ ভেঙে তিনটি ওয়ার্ড প্লাবিত হয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, জোয়ারের ঢেউয়ে বাঁধ ভেঙে এক, দুই ও তিন নম্বর ওয়ার্ডের বিস্তীর্ণ এলাকা পানির নিচে চলে যায়। বিষয়টি জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে।

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে পাঁচ বছর আগে প্রায় ৮ কোটি টাকায় পুনঃখনন হওয়া ধাইজান নদীকে ইজিপিপি প্রকল্পের কাগজে ‘খাল’ দেখিয়ে ৩৯ লাখ টাকায় দেড় কিলোমিটার অংশে খনন চলছে। এ নিয়ে প্রকল্পের বৈধতা, স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।