খানকা শরিফের রান্নাঘরে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক, ‘খাবার না পেয়ে’ বাবুর্চিকে পিটিয়ে হত্যা

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ফজের আলী সরদার (৭০) নামের এক খানকা শরিফের বাবুর্চিকে লাকড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন বাবুর্চির এক সহকারী। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মানসিক ভারসাম্যহীন এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।
আজ শুক্রবার বেলা ৩টার দিকে উপজেলার দৌলতদিয়া আঞ্জুমান কাদেরিয়া খানকা শরিফ প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ফজের আলী সরদার সদর উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের মল্লিকপাড়া গ্রামের মৃত আহমেদ আলীর ছেলে। আহত নারী সোনাভান বিবি (৭০) গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া এলাকার সাইমুদ্দিন শেখের স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরের খানকা শরিফের রান্নাঘরে প্রবেশ করেন অভিযুক্ত যুবক। তিনি বাবুর্চির কাছে খাবার চান। তখন খাবার না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে রান্নার লাকড়ি দিয়ে ফজের আলীর মাথা ও ঘাড়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন ওই যুবক। বাবুর্চিকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হন তাঁর সহকারী সোনাভান বিবিও।
পরে আশপাশের লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ফজের আলীকে মৃত ঘোষণা করেন। সোনাভান বিবির অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত আনুমানিক ৩৫ বছর বয়সী মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে আটক করেছে। তাঁর পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাঁর চিকিৎসা চলছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।









