সুবর্ণচর (নোয়াখালী) প্রতিনিধি

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলি ইউনিয়নে চায়ের দোকানে পাওয়ার টিলার ঢুকে দুজন নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার দুপুর ১২টার দিকে চরজব্বার-সোনাপুর সড়কের সুবর্ণচর ফায়ার সার্ভিসের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় আরও দুজন আহত হন। ঘটনার পর দ্রুত পালিয়ে যান গাড়ির চালক।
নিহতরা হলেন চরজুবলি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আলী আজমের ছেলে বাহার মাঝি (৬০) ও চর আমান উল্যাহ গ্রামের সিরাজ উদ্দিনের ছেলে জামাল উদ্দিন (৩৮)।
আহতরা হলেন উত্তর কচ্ছপিয়া গ্রামের নজির আহমদের ছেলে দুলাল হোসেন (৩৭) ও চরবাটা গ্রামের বাতান মিয়া (৭৫)।
স্থানীয়রা জানান, আজ দুপুর ১২টার দিকে সোনাপুর থেকে চরবাটার দিকে একটি খালি পাওয়ার টিলার যাচ্ছিল। পথে সুবর্ণচর ফায়ার সার্ভিসের সামনে পৌঁছালে পাওয়ার টিলারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মুন্সি মার্কেটের তৌহিদ স্টোরের ভেতরে ঢুকে পড়ে। এ সময় ওই দোকানের সামনে বসে চা খাওয়া অবস্থায় থাকা ছয়জনের মধ্যে চারজনকে চাপা দেয়। পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বাহার মাঝিকে মৃত ঘোষণা করেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য অপর আহত তিনজনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে জামাল উদ্দিন মারা যান। বাকি দুজনকে সেখানেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এ ঘটনায় ওই দোকানের একটি দেয়ালসহ সামনের অংশ ভেঙে গেছে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও জানিয়েছে স্থানীয়রা।
চরজব্বার থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নাল আবেদীন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার পরপরই পাওয়ার টিলারের চালক পালিয়ে যাওয়ায় তাঁকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে গাড়িটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ পরিদর্শক আরও বলেন, নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো থানায় কোনো অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলি ইউনিয়নে চায়ের দোকানে পাওয়ার টিলার ঢুকে দুজন নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার দুপুর ১২টার দিকে চরজব্বার-সোনাপুর সড়কের সুবর্ণচর ফায়ার সার্ভিসের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় আরও দুজন আহত হন। ঘটনার পর দ্রুত পালিয়ে যান গাড়ির চালক।
নিহতরা হলেন চরজুবলি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আলী আজমের ছেলে বাহার মাঝি (৬০) ও চর আমান উল্যাহ গ্রামের সিরাজ উদ্দিনের ছেলে জামাল উদ্দিন (৩৮)।
আহতরা হলেন উত্তর কচ্ছপিয়া গ্রামের নজির আহমদের ছেলে দুলাল হোসেন (৩৭) ও চরবাটা গ্রামের বাতান মিয়া (৭৫)।
স্থানীয়রা জানান, আজ দুপুর ১২টার দিকে সোনাপুর থেকে চরবাটার দিকে একটি খালি পাওয়ার টিলার যাচ্ছিল। পথে সুবর্ণচর ফায়ার সার্ভিসের সামনে পৌঁছালে পাওয়ার টিলারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মুন্সি মার্কেটের তৌহিদ স্টোরের ভেতরে ঢুকে পড়ে। এ সময় ওই দোকানের সামনে বসে চা খাওয়া অবস্থায় থাকা ছয়জনের মধ্যে চারজনকে চাপা দেয়। পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বাহার মাঝিকে মৃত ঘোষণা করেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য অপর আহত তিনজনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে জামাল উদ্দিন মারা যান। বাকি দুজনকে সেখানেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এ ঘটনায় ওই দোকানের একটি দেয়ালসহ সামনের অংশ ভেঙে গেছে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও জানিয়েছে স্থানীয়রা।
চরজব্বার থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নাল আবেদীন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার পরপরই পাওয়ার টিলারের চালক পালিয়ে যাওয়ায় তাঁকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে গাড়িটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ পরিদর্শক আরও বলেন, নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো থানায় কোনো অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে