বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার মাঝগাঁও ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনী অফিস পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলা মাঝগাঁই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নটাবাড়িয়া মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
বিদ্রোহী প্রার্থীর নাম খোকন মোল্লা (৫০)। তিনি মাঝগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান। তিনি চশমা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
খোকন মোল্লার ভাতিজা বাবলু মোল্লা বলেন, ‘গতকাল রাত সাড়ে ১২ দিকে ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নটাবাড়িয়া এলাকায় প্রচারণা শেষে আমাদের কর্মীরাসহ সবাই বাড়ি চলে যায়। আজ মঙ্গলবার ভোরে অফিসের পাশের চায়ের দোকানদার আরশেদ আলী এসে অফিসটি পোড়ানো অবস্থায় দেখতে পেয়ে আমাদের খবর দেন। পরে আমরা গিয়ে দেখি কেউ আমাদের অফিসের পোস্টার ও কাপড় পুরিয়ে দিয়েছে। এমনকি অফিসের ব্যবহৃত কোনো চেয়ারও নাই। এর আগেও নুরদহ গ্রামের আমার কর্মী নুরুল ও ফারুককে নৌকার কর্মীরা মারধর করেছিলেন।’
খোকন মোল্লা আরও বলেন, ‘আমার বিজয় নিশ্চিত সেটি বুঝতে পেরে এ ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। আমি জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত আবেদনের পাশাপাশি পুলিশ সুপার, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, ইউএনও, রিটার্নিং অফিসারকেও বিষয়টি নিয়ে অবহিত করা হবে।’
অভিযোগের বিষয়ে নৌকার প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল আজাদ দুলাল বলেন, ‘আমার কোনো কর্মী-সমর্থক এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নন।’
জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ রক্ষায় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার মাঝগাঁও ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনী অফিস পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলা মাঝগাঁই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নটাবাড়িয়া মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
বিদ্রোহী প্রার্থীর নাম খোকন মোল্লা (৫০)। তিনি মাঝগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান। তিনি চশমা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
খোকন মোল্লার ভাতিজা বাবলু মোল্লা বলেন, ‘গতকাল রাত সাড়ে ১২ দিকে ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নটাবাড়িয়া এলাকায় প্রচারণা শেষে আমাদের কর্মীরাসহ সবাই বাড়ি চলে যায়। আজ মঙ্গলবার ভোরে অফিসের পাশের চায়ের দোকানদার আরশেদ আলী এসে অফিসটি পোড়ানো অবস্থায় দেখতে পেয়ে আমাদের খবর দেন। পরে আমরা গিয়ে দেখি কেউ আমাদের অফিসের পোস্টার ও কাপড় পুরিয়ে দিয়েছে। এমনকি অফিসের ব্যবহৃত কোনো চেয়ারও নাই। এর আগেও নুরদহ গ্রামের আমার কর্মী নুরুল ও ফারুককে নৌকার কর্মীরা মারধর করেছিলেন।’
খোকন মোল্লা আরও বলেন, ‘আমার বিজয় নিশ্চিত সেটি বুঝতে পেরে এ ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। আমি জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত আবেদনের পাশাপাশি পুলিশ সুপার, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, ইউএনও, রিটার্নিং অফিসারকেও বিষয়টি নিয়ে অবহিত করা হবে।’
অভিযোগের বিষয়ে নৌকার প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল আজাদ দুলাল বলেন, ‘আমার কোনো কর্মী-সমর্থক এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নন।’
জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ রক্ষায় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে