নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ থেকে

প্রায় সাড়ে চার বছর পর ময়মনসিংহে আসছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁকে স্বাগত জানিয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়কে জাতীয় সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে অস্থায়ী তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। জাতীয় পার্টির নেতারা জানিয়েছেন, আজকের সমাবেশে তাঁদের দলের নেতা-কর্মীরাও অংশ নেবেন।
আজ বেলা ৩টা থেকে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠের দলীয় জনসভায় বক্তব্য রাখবেন শেখ হাসিনা। তাঁর আগমনে শুভেচ্ছা জানিয়ে জেলা ও নগরীর বিভিন্ন সড়কে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা প্রায় লক্ষাধিক ব্যানার, পোস্টার, তোরণ লাগিয়েছেন। জনসমাবেশস্থল ও শহরের প্রবেশমুখসহ বিভিন্ন সড়কে জাতীয় পার্টির কয়েকটি তোরণ দেখা গেছে ।
নগরীর কাচারি রোডে জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদের পৈতৃক বাড়ি সুন্দর মহল। এই বাড়ির সামনেই প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদের ছবি দিয়ে ওই তোরণে লেখা রয়েছে—ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে, তিলোত্তমা নগরী আমার প্রাণের শহর ময়মনসিংহে আপনার আগমনে আমি উচ্ছ্বসিত। এতে আরও লেখা রয়েছে—ব্রহ্মপুত্রের তীরে আপনাকে স্বাগতম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
এসব তোরণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদসহ সাবেক প্রেসিডেন্ট ও জাতীয় পার্টির প্রয়াত চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ, বর্তমানে দলটির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের, মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুসহ জেলার নেতাদের ছবি রয়েছে। কাচারি রোড ছাড়াও টাউন হল মোড় গাঙানিনার পাড়সহ বেশ কয়েকটি সড়কে তোরণ নির্মাণ করেছে জাতীয় পার্টি।
ময়মনসিংহ মহানগর জাতীয় পার্টির সদস্যসচিব আবদুল আউয়াল সেলিম বলেন, ‘ময়মনসিংহ সদরের সংসদ সদস্য হচ্ছেন রওশন এরশাদ। এখানকার উন্নয়নের দাবিদার হচ্ছেন তিনি। কিন্তু এই দাবিগুলো পূরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই হিসেবে আমাদের নেত্রী মনে করেন এই অঞ্চলের উন্নয়নের রূপকার প্রধানমন্ত্রী। তাই ওনাকে আমাদের দলের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানানো প্রয়োজন বলে মনে করেন বিরোধীদলীয় নেতা। সে কারণে তাঁর নির্দেশে আমরা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে তোরণসহ বিলবোর্ড স্থাপন করেছি।’
প্রধানমন্ত্রীকে সম্মান জানানোর জন্যই তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে বলে জানান জাপার এই নেতা। দলীয় নেতা-কর্মীরাও জনসভায় যোগ দেবেন বলে জানান সেলিম।
২০০৮ সাল থেকেই ময়মনসিংহ-৪ আসন তথা সদরের সংসদ সদস্য রওশন এরশাদ। এখানে তাঁকে ঘিরেই জাতীয় পার্টির কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে।

প্রায় সাড়ে চার বছর পর ময়মনসিংহে আসছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁকে স্বাগত জানিয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়কে জাতীয় সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে অস্থায়ী তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। জাতীয় পার্টির নেতারা জানিয়েছেন, আজকের সমাবেশে তাঁদের দলের নেতা-কর্মীরাও অংশ নেবেন।
আজ বেলা ৩টা থেকে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠের দলীয় জনসভায় বক্তব্য রাখবেন শেখ হাসিনা। তাঁর আগমনে শুভেচ্ছা জানিয়ে জেলা ও নগরীর বিভিন্ন সড়কে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা প্রায় লক্ষাধিক ব্যানার, পোস্টার, তোরণ লাগিয়েছেন। জনসমাবেশস্থল ও শহরের প্রবেশমুখসহ বিভিন্ন সড়কে জাতীয় পার্টির কয়েকটি তোরণ দেখা গেছে ।
নগরীর কাচারি রোডে জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদের পৈতৃক বাড়ি সুন্দর মহল। এই বাড়ির সামনেই প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদের ছবি দিয়ে ওই তোরণে লেখা রয়েছে—ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে, তিলোত্তমা নগরী আমার প্রাণের শহর ময়মনসিংহে আপনার আগমনে আমি উচ্ছ্বসিত। এতে আরও লেখা রয়েছে—ব্রহ্মপুত্রের তীরে আপনাকে স্বাগতম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
এসব তোরণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদসহ সাবেক প্রেসিডেন্ট ও জাতীয় পার্টির প্রয়াত চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ, বর্তমানে দলটির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের, মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুসহ জেলার নেতাদের ছবি রয়েছে। কাচারি রোড ছাড়াও টাউন হল মোড় গাঙানিনার পাড়সহ বেশ কয়েকটি সড়কে তোরণ নির্মাণ করেছে জাতীয় পার্টি।
ময়মনসিংহ মহানগর জাতীয় পার্টির সদস্যসচিব আবদুল আউয়াল সেলিম বলেন, ‘ময়মনসিংহ সদরের সংসদ সদস্য হচ্ছেন রওশন এরশাদ। এখানকার উন্নয়নের দাবিদার হচ্ছেন তিনি। কিন্তু এই দাবিগুলো পূরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই হিসেবে আমাদের নেত্রী মনে করেন এই অঞ্চলের উন্নয়নের রূপকার প্রধানমন্ত্রী। তাই ওনাকে আমাদের দলের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানানো প্রয়োজন বলে মনে করেন বিরোধীদলীয় নেতা। সে কারণে তাঁর নির্দেশে আমরা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে তোরণসহ বিলবোর্ড স্থাপন করেছি।’
প্রধানমন্ত্রীকে সম্মান জানানোর জন্যই তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে বলে জানান জাপার এই নেতা। দলীয় নেতা-কর্মীরাও জনসভায় যোগ দেবেন বলে জানান সেলিম।
২০০৮ সাল থেকেই ময়মনসিংহ-৪ আসন তথা সদরের সংসদ সদস্য রওশন এরশাদ। এখানে তাঁকে ঘিরেই জাতীয় পার্টির কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে