
‘এসো মিলি সবে নবান্নের উৎসবে’—এ প্রতিপাদ্যে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হলো নবান্ন উৎসব। রোববার (১৬ নভেম্বর) বিকেলে একাডেমির হলরুমে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সাজানো হয় বর্ণাঢ্য লোকজ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন একাডেমির নৃত্যশিক্ষক মালা মার্থা আরেং। এতে স্থানীয় শিল্পীরা গ্রামবাংলার লোকজ নৃত্য, গানসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করেন, যা দর্শকদের মুগ্ধ করে।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন একাডেমির পরিচালক কবি পরাগ রিছিল। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এম এ জিন্নাহ, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি আব্দুল্লাহ আল মুকুল, প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুম বিল্লাহ, সাংবাদিক সমিতির আহ্বায়ক সজিম শাইন, কবি লোকান্ত শাওন, শফিউল আলম স্বপন, দুনিয়া মামুন, জন ক্রসওয়েল খকসি প্রমুখ।

একাডেমির পরিচালক কবি পরাগ রিছিল বলেন, ‘বাংলার কৃষিজীবী সমাজে শস্য উৎপাদনের বিভিন্ন পর্যায়ে যে আচার-অনুষ্ঠান ও উৎসব পালিত হয়, নবান্ন তার মধ্যে অন্যতম। নবান্ন উৎসবের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাঙালির ঐতিহ্য। অগ্রহায়ণ মাসের শুরুতেই চলে উৎসবের নানা আয়োজন। নতুন ধান কাটা এবং সে ধানের প্রথম অন্ন ভোজনকে কেন্দ্র করে এ উৎসব পালন করা হয়।’ এ ঐতিহ্য ধরে রাখতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকেরা। দাবি বাস্তবায়ন না হলে পরবর্তী কর্মসূচিতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা। গতকাল রোববার দিবাগত রাত ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে এসব দাবি তুলে...
৯ মিনিট আগে
সাভারে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিটি ইউনিভার্সিটির একটি শিক্ষার্থীবাহী বাসের স্টাফ ও কয়েকজন শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় যাঁরা লোকজন ও ভারী যন্ত্রপাতি ভাড়া করতে অর্থায়ন করেছেন এবং ভাঙার নির্দেশ দিয়েছেন, তাঁদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। বিভিন্ন সংস্থা তদন্ত করে ঘটনায় জড়িত প্রায় ৪০ জনের একটি তালিকা করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
সাজানো-গোছানো সংসার ছিল ক্ষুদিরাম-চিত্রা বিশ্বাস দম্পতির। ঘরের আসবাব থেকে শুরু করে স্বপ্নের বসতভিটা—সবই এখন পানির নিচে। নিজের ঘর ছেড়ে গৃহপালিত পশু সঙ্গে নিয়ে এই সড়কের পাশেই আশ্রয় নিয়েছেন তাঁরা। এক-দুই দিন নয়, দীর্ঘ চার মাস এভাবেই কাটছে তাঁদের যাযাবর জীবন।
১ ঘণ্টা আগে