সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় উজালা আক্তার (২৮) নামের এক নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় স্বামী শিবলুকে (৩৬) আটক করা হয়েছে। বালিয়াটি ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামে স্বামীর বাড়ি থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকালে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। তরপর তাঁর স্বামী শিবলুকে আটক করে সাটুরিয়া থানার পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকুমার বিশ্বাস।
নিহত উজালা আক্তার ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার সানোড়া ইউনিয়নের সানোড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের মেয়ে। আটক শিবলু সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের রহিম বাদশার ছেলে।
নিহত উজালা স্বামীর বাড়ি থেকে ধামরাইয়ের সনুটেক্স গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। শিবলু পেশায় অটোভ্যানচালক। ১৩ বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়। তাঁদের দুটি সন্তান রয়েছে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের কারণে উজালা আক্তারের সঙ্গে তাঁর স্বামী শিবলুর প্রায়ই ঝগড়া হতো। গতকাল বুধবার মাঝরাতে উজালার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ওই বাড়িতে যান। তখন তাঁরা উজালার রক্তাক্ত মরদেহ আবিষ্কার করেন। স্বামী পলাতক ছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁরা সাটুরিয়া থানার পুলিশকে খবর দিলে নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।
নিহতের মা আনোয়ারা বেগম বলেন, ‘মেয়ের জামাই শিবলু ও ওর মা-বাবা আমার মেয়েকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। এর আগেও আমার মেয়েকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে মারপিট করেছিল। স্থানীয় মেম্বার ও মাতব্বরেরা ওই ঘটনা মীমাংসা করে। পরে আমার মেয়েকে এনে ওরা পিটিয়ে হত্যা করল। আমি আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই।’
এ ব্যাপারে সাটুরিয়া থানার ওসি সুকুমার বিশ্বাস বলেন, ঘটনাস্থল থেকে নিহতের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্ত স্বামীকে বৃহস্পতিবার সকালে আটক করা হয়েছে। একটি হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় উজালা আক্তার (২৮) নামের এক নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় স্বামী শিবলুকে (৩৬) আটক করা হয়েছে। বালিয়াটি ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামে স্বামীর বাড়ি থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকালে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। তরপর তাঁর স্বামী শিবলুকে আটক করে সাটুরিয়া থানার পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকুমার বিশ্বাস।
নিহত উজালা আক্তার ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার সানোড়া ইউনিয়নের সানোড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের মেয়ে। আটক শিবলু সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের রহিম বাদশার ছেলে।
নিহত উজালা স্বামীর বাড়ি থেকে ধামরাইয়ের সনুটেক্স গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। শিবলু পেশায় অটোভ্যানচালক। ১৩ বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়। তাঁদের দুটি সন্তান রয়েছে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের কারণে উজালা আক্তারের সঙ্গে তাঁর স্বামী শিবলুর প্রায়ই ঝগড়া হতো। গতকাল বুধবার মাঝরাতে উজালার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ওই বাড়িতে যান। তখন তাঁরা উজালার রক্তাক্ত মরদেহ আবিষ্কার করেন। স্বামী পলাতক ছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁরা সাটুরিয়া থানার পুলিশকে খবর দিলে নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।
নিহতের মা আনোয়ারা বেগম বলেন, ‘মেয়ের জামাই শিবলু ও ওর মা-বাবা আমার মেয়েকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। এর আগেও আমার মেয়েকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে মারপিট করেছিল। স্থানীয় মেম্বার ও মাতব্বরেরা ওই ঘটনা মীমাংসা করে। পরে আমার মেয়েকে এনে ওরা পিটিয়ে হত্যা করল। আমি আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই।’
এ ব্যাপারে সাটুরিয়া থানার ওসি সুকুমার বিশ্বাস বলেন, ঘটনাস্থল থেকে নিহতের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্ত স্বামীকে বৃহস্পতিবার সকালে আটক করা হয়েছে। একটি হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে