মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি

মাগুরার মহম্মদপুরে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের ইট-খোয়া ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এতে স্থানীয়দের বাধায় নির্মাণকাজ বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ।
নিম্নমানের ইট-খোয়া ব্যবহারের বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) মহম্মদপুর উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাদ্দাম হোসাইন। তিনি বলেন, ‘নিম্নমানের ইট-খোয়া ব্যবহার করায় আপাতত কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পুনরায় ভালোমানের নির্মাণসামগ্রী আনলে সেটা দেখে কাজ শুরু করা হবে।’
উপজেলা এলজিইডির কার্যালয় থেকে জানা গেছে, মহম্মদপুর সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বঙ্গেশ্বর গ্রামের মোজাম মোল্যার মোড় থেকে দীঘা জোড়া ব্রিজ পর্যন্ত তিন কিলোমিটার সড়ক উন্নয়নের কাজ হচ্ছে। খুলনা বিভাগীয় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এই সড়ক নির্মাণের বাজেট পাস করা হয়। নির্মাণকাজের চুক্তিমূল্য ১ কোটি ১৭ লাখ টাকা। নির্মাণকাজ বাস্তবায়নে রয়েছে এলজিইডি বিভাগ এবং মাগুরা রহিমা ট্রেডার্স নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে সরেজমিন জানা গেছে, উপজেলার দীঘা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ধুলজুড়ী বাজার হয়ে বঙ্গেশ্বর গ্রামের মোজাম মোল্লার মোড় পর্যন্ত সড়ক নির্মাণে ট্রাক দিয়ে ইট এনে রাস্তার কাজ করা হচ্ছে। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দা আলতাব শেখ, মুজিবর রহমান, মঞ্জুর ফকিরসহ এলাকার লোকজন সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে নিম্নমানের ইট দিয়ে কাজ করতে বাধা দেন। ঠিকাদারের ব্যবহৃত নিম্নমানের ইট রাস্তা থেকে তুলে ফেলে দেন তাঁরা।
বঙ্গেশ্বর গ্রামের বাসিন্দা মো. জিয়াউল হক বলেন, ‘রাস্তা নির্মাণের জন্য যে মানের ইট দেওয়ার কথা, ঠিকাদার তা দিচ্ছেন না। ফলে স্থানীয়দের বাধার মুখে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়।’
ঠিকাদার মকবুল হোসেন মাকুল বলেন, ‘ওই রাস্তায় আগে ইট বিছানো ছিল। ওই ইট উঠিয়ে ভেঙে খোয়া তৈরি করে সেই খোয়া রাস্তায় ব্যবহার করার কথা। স্থানীয় একটি ভাটা থেকে ইট আনা হয়েছে, এর মধ্যে ভাটা কর্তৃপক্ষ কিছু খারাপ ইট দেওয়ায় এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। খারাপ ইট তুলে ভালো ইট দিয়ে কাজ করা হবে।’

মাগুরার মহম্মদপুরে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের ইট-খোয়া ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এতে স্থানীয়দের বাধায় নির্মাণকাজ বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ।
নিম্নমানের ইট-খোয়া ব্যবহারের বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) মহম্মদপুর উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাদ্দাম হোসাইন। তিনি বলেন, ‘নিম্নমানের ইট-খোয়া ব্যবহার করায় আপাতত কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পুনরায় ভালোমানের নির্মাণসামগ্রী আনলে সেটা দেখে কাজ শুরু করা হবে।’
উপজেলা এলজিইডির কার্যালয় থেকে জানা গেছে, মহম্মদপুর সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বঙ্গেশ্বর গ্রামের মোজাম মোল্যার মোড় থেকে দীঘা জোড়া ব্রিজ পর্যন্ত তিন কিলোমিটার সড়ক উন্নয়নের কাজ হচ্ছে। খুলনা বিভাগীয় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এই সড়ক নির্মাণের বাজেট পাস করা হয়। নির্মাণকাজের চুক্তিমূল্য ১ কোটি ১৭ লাখ টাকা। নির্মাণকাজ বাস্তবায়নে রয়েছে এলজিইডি বিভাগ এবং মাগুরা রহিমা ট্রেডার্স নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে সরেজমিন জানা গেছে, উপজেলার দীঘা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ধুলজুড়ী বাজার হয়ে বঙ্গেশ্বর গ্রামের মোজাম মোল্লার মোড় পর্যন্ত সড়ক নির্মাণে ট্রাক দিয়ে ইট এনে রাস্তার কাজ করা হচ্ছে। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দা আলতাব শেখ, মুজিবর রহমান, মঞ্জুর ফকিরসহ এলাকার লোকজন সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে নিম্নমানের ইট দিয়ে কাজ করতে বাধা দেন। ঠিকাদারের ব্যবহৃত নিম্নমানের ইট রাস্তা থেকে তুলে ফেলে দেন তাঁরা।
বঙ্গেশ্বর গ্রামের বাসিন্দা মো. জিয়াউল হক বলেন, ‘রাস্তা নির্মাণের জন্য যে মানের ইট দেওয়ার কথা, ঠিকাদার তা দিচ্ছেন না। ফলে স্থানীয়দের বাধার মুখে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়।’
ঠিকাদার মকবুল হোসেন মাকুল বলেন, ‘ওই রাস্তায় আগে ইট বিছানো ছিল। ওই ইট উঠিয়ে ভেঙে খোয়া তৈরি করে সেই খোয়া রাস্তায় ব্যবহার করার কথা। স্থানীয় একটি ভাটা থেকে ইট আনা হয়েছে, এর মধ্যে ভাটা কর্তৃপক্ষ কিছু খারাপ ইট দেওয়ায় এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। খারাপ ইট তুলে ভালো ইট দিয়ে কাজ করা হবে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে