
মাগুরার শ্রীপুরে পূর্ববিরোধের জেরে আকবর মণ্ডল (৫০) নামের এক কৃষককে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে। আজ সোমবার (১৮ মে) সকালে উপজেলার মাশালিয়া ঘুনিপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আকবর ঘুনিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে একই গ্রামের এক ব্যক্তির সঙ্গে আকবর মণ্ডলের বিরোধ চলছিল। আজ সকালে আকবর মণ্ডল গ্রামের মাঠে পাটখেতে কাজ করতে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁর ওপর হামলা চালান। হামলাকারীরা তাঁকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে মাঠে ফেলে যান। খবর পেয়ে স্বজনেরা তাঁকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. আশরাফুজ্জামান লিটন জানান, সকাল ৯টা ২০ মিনিটের দিকে আকবর মণ্ডলকে হাসপাতালে আনা হয়। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মাগুরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

বেলা সাড়ে ১১টা। গ্যাসপাম্পের সামনে তখনো সারি সারি সিএনজিচালিত অটোরিকশা। কোনো চালক গাড়ির পাশে বসে আছেন, কেউ ক্লান্ত শরীরে সিটে হেলান দিয়ে চোখ বুজেছেন। সবাই অপেক্ষায় কখন গ্যাস পাবেন, কখন গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামবেন। কিন্তু সেই অপেক্ষার শেষ হয় না।
১ ঘণ্টা আগে
ভাঙার জন্য জাহাজ আমদানির পর ইয়ার্ডের সৈকতে ভেড়ানোর জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘শিপ রিসাইক্লিং বোর্ড’ থেকে প্রাথমিক অনুমতি (বিচিং পারমিশন) নিতে হয়। আর জাহাজের ফুয়েল ট্যাংক বা কার্গো হোল্ডে কোনো বিষাক্ত বা দাহ্য গ্যাস আছে কি না, তা পরীক্ষা করে ‘হট ওয়ার্ক/গ্যাসমুক্ত সনদ’ দেয় বিস্ফোরক অধিদপ্তর।
১ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নে মনু সেচ প্রকল্পের কাশিমপুর পাম্প হাউস। কৃষকদের কথা চিন্তা করে হাওরের পানি কমানোর জন্য এই পাম্প স্থাপন করা হয়। একটা সময় এটি হাওরাঞ্চলের কৃষকের ভরসা ছিল। তবে এখন সেটিই যেন সংকটের কারণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। পাম্পগুলো দিয়ে পর্যাপ্ত পানি না কমায় কৃত্রিম
২ ঘণ্টা আগে
সারা দেশে চলমান লোডশেডিংয়ের প্রভাব পড়েছে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পেও। বিদ্যুৎ না থাকায় দিনের বেশির ভাগ সময় তাঁত বন্ধ থাকছে। এতে উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমে গেছে। সময়মতো অর্ডার সরবরাহ করতে না পারায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
২ ঘণ্টা আগে