ইমতিয়াজ আহমেদ, শিবচর (মাদারীপুর)

মনে হচ্ছিল সবই যেন দুঃস্বপ্ন! ঘুম ভাঙলেই সব স্বাভাবিক হয়ে আসবে—মো. উজ্জ্বল নামের আহত এক যুবক এভাবেই মাদারীপুরের শিবচরে সড়ক দুর্ঘটনার বর্ণনা দিচ্ছিলেন আজকের পত্রিকার কাছে। আহত হয়ে উজ্জ্বল শিবচরের পাঁচ্চর ইসলামিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ছাড়া শিবচরের পাঁচ্চর এলাকার কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন সাইদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, আরিফ শেখ, মো. মাসুদ, হানিফসহ কয়েকজন।
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থেকে আসা যুবক উজ্জ্বল বলেন, ‘শুরু থেকেই বাস দ্রুতগতিতে চলছিল। এক্সপ্রেসওয়েতে যাত্রীদের অনেকেই নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে ছিল। কেউ চোখ বন্ধ করে ঝিমুচ্ছিল। দুর্ঘটনার সময় কিছুই টের পাইনি। যখন জ্ঞান ফেরে, দেখি চারপাশে রক্ত আর লাশ। উঠে বসতে গেলে মাথা ঘুরে পড়ে যাই। পরে কিছুটা সুস্থ্য বোধ করলে চারপাশে বোঝার চেষ্টা করি। তখন টের পাই, ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে গেছে! সড়ক থেকে গাড়ি উল্টে নিচে পড়ে দুমড়েমুচড়ে গেছে।’
ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে মো. আরিফ নামের এক যুবক বলেন, ‘হঠাৎ করেই মনে হচ্ছিল বাসটি আকাশে উঠে যাচ্ছে। বাসটি উল্টে বিকট শব্দে নিচে পড়ে পল্টি খায়। বাসের মধ্যে সবকিছু অন্ধকার হয়ে আসে। রক্তের বন্যা বয়ে যায়।’ তিনি আরও বলেন, ‘নিহতদের রক্তও শরীরে লেগে ভিজে ছিল। চারপাশে লাশ আর লাশ!’
যাত্রীদের মধ্যে বাগেরহাটের মোল্লারহাট থেকে শিশু সাজ্জাদকে (৭) নিয়ে ঢাকার ধানমন্ডি যাচ্ছিলেন আনোয়ারা বেগম (২৭) নামের এক যাত্রী। তাঁরা অক্ষত আছেন। আনোয়ারা বলেন, ‘যেন চোখের পলকে সব ঘটে গেল! আমি আমার সন্তানকে বুকে চেপে রেখেছিলাম। বাসের মধ্য থেকে বের হওয়ার পরও বিশ্বাস হচ্ছিল না যে বেঁচে আছি, সুস্থ আছি! কেমন যেন ঘোরের মধ্যে ছিলাম। সারাক্ষণ আল্লাহকে ডেকেছি।’
শিবচর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু নাঈম মো. মোফাজ্জেল হক বলেন, ‘দুর্ঘটনার পরই আমরা ছুটে আসি। ১৪ জনকে মৃত বের করা হয় বাস থেকে। পরে আরও তিনজন মারা যায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে।’
উল্লেখ্য, আজ রোববার সকাল ৮টার দিকে শিবচরের এক্সপ্রেসওয়ের কুতুবপুর এলাকার ঢাকাগামী লেনে ইমাদ পরিবহনের বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেলিং ভেঙে উল্টে নিচে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই ১৪ জনের প্রাণহানি ঘটে। হাসপাতালে মারা যান আরও তিনজন। আহত ৩০ জন। দুর্ঘটনার পর হাইওয়ে পুলিশ, শিবচর থানার পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের দল উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছে।
আরও খবর পড়ুন:

মনে হচ্ছিল সবই যেন দুঃস্বপ্ন! ঘুম ভাঙলেই সব স্বাভাবিক হয়ে আসবে—মো. উজ্জ্বল নামের আহত এক যুবক এভাবেই মাদারীপুরের শিবচরে সড়ক দুর্ঘটনার বর্ণনা দিচ্ছিলেন আজকের পত্রিকার কাছে। আহত হয়ে উজ্জ্বল শিবচরের পাঁচ্চর ইসলামিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ছাড়া শিবচরের পাঁচ্চর এলাকার কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন সাইদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, আরিফ শেখ, মো. মাসুদ, হানিফসহ কয়েকজন।
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থেকে আসা যুবক উজ্জ্বল বলেন, ‘শুরু থেকেই বাস দ্রুতগতিতে চলছিল। এক্সপ্রেসওয়েতে যাত্রীদের অনেকেই নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে ছিল। কেউ চোখ বন্ধ করে ঝিমুচ্ছিল। দুর্ঘটনার সময় কিছুই টের পাইনি। যখন জ্ঞান ফেরে, দেখি চারপাশে রক্ত আর লাশ। উঠে বসতে গেলে মাথা ঘুরে পড়ে যাই। পরে কিছুটা সুস্থ্য বোধ করলে চারপাশে বোঝার চেষ্টা করি। তখন টের পাই, ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে গেছে! সড়ক থেকে গাড়ি উল্টে নিচে পড়ে দুমড়েমুচড়ে গেছে।’
ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে মো. আরিফ নামের এক যুবক বলেন, ‘হঠাৎ করেই মনে হচ্ছিল বাসটি আকাশে উঠে যাচ্ছে। বাসটি উল্টে বিকট শব্দে নিচে পড়ে পল্টি খায়। বাসের মধ্যে সবকিছু অন্ধকার হয়ে আসে। রক্তের বন্যা বয়ে যায়।’ তিনি আরও বলেন, ‘নিহতদের রক্তও শরীরে লেগে ভিজে ছিল। চারপাশে লাশ আর লাশ!’
যাত্রীদের মধ্যে বাগেরহাটের মোল্লারহাট থেকে শিশু সাজ্জাদকে (৭) নিয়ে ঢাকার ধানমন্ডি যাচ্ছিলেন আনোয়ারা বেগম (২৭) নামের এক যাত্রী। তাঁরা অক্ষত আছেন। আনোয়ারা বলেন, ‘যেন চোখের পলকে সব ঘটে গেল! আমি আমার সন্তানকে বুকে চেপে রেখেছিলাম। বাসের মধ্য থেকে বের হওয়ার পরও বিশ্বাস হচ্ছিল না যে বেঁচে আছি, সুস্থ আছি! কেমন যেন ঘোরের মধ্যে ছিলাম। সারাক্ষণ আল্লাহকে ডেকেছি।’
শিবচর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু নাঈম মো. মোফাজ্জেল হক বলেন, ‘দুর্ঘটনার পরই আমরা ছুটে আসি। ১৪ জনকে মৃত বের করা হয় বাস থেকে। পরে আরও তিনজন মারা যায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে।’
উল্লেখ্য, আজ রোববার সকাল ৮টার দিকে শিবচরের এক্সপ্রেসওয়ের কুতুবপুর এলাকার ঢাকাগামী লেনে ইমাদ পরিবহনের বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেলিং ভেঙে উল্টে নিচে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই ১৪ জনের প্রাণহানি ঘটে। হাসপাতালে মারা যান আরও তিনজন। আহত ৩০ জন। দুর্ঘটনার পর হাইওয়ে পুলিশ, শিবচর থানার পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের দল উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছে।
আরও খবর পড়ুন:

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৬ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে