রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি

আজ সারা দেশ যে ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে, তার উৎপত্তিস্থল লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ভাদুর ইউনিয়নের সিরুন্দী গ্রাম বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ ঘটনায় উপজেলায় কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি। তবে এমন তীব্র ভূকম্পন গত কয়েক বছরের মধ্যে তাঁরা অনুভব করেননি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা এক চিঠিতে ভূমিকম্পের কেন্দ্র যে রামগঞ্জে, সে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সকাল ৯টা ৩৫ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডে ৫ দশমিক ৬ রিখটার স্কেলের মাঝারি মাত্রার ভূকম্পনটি অনুভূত হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ভূমিকম্পের সময় তাঁদের বিল্ডিং কেঁপে উঠেছে। এ ধরনের ভূকম্পন এলাকায় আর দেখা যায়নি। মনে হচ্ছিল ঘরবাড়ি-গাছপালা তাঁদের ওপর ভেঙে পড়ছে।
রামগঞ্জের দরবেশপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমি শুয়ে ছিলাম। হঠাৎ করে খাট নড়ে উঠছিল। পুরো বিল্ডিংটাই নড়ছিল। এ ধরনের ভূমিকম্প গত কয়েক বছরে দেখিনি। গণমাধ্যম সূত্রে জানতে পেরেছি, আমাদের পার্শ্ববর্তী এলাকায় ভূকম্পনের উৎপত্তিস্থল। তাৎক্ষণিক স্থানীয় ইউপি সদস্য মামুন হোসেনের সঙ্গে কথা বলেছি। কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবুও খোঁজ নেওয়া হয়েছে।’
রামগতির প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের পর্যবেক্ষক সোহরাব হোসেন বলেন, ‘রামগঞ্জে ভূকম্পনের উৎপত্তি হয়েছে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে আমাদের চিঠি দিয়ে জানিয়েছে। রামগতিতেও ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে।’
লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক (ডিসি) সুরাইয়া জাহান জানান, ভূমিকম্পটি রামগঞ্জ থেকে উৎপত্তি হয়েছে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে। কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবুও রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের খোঁজ নিতে বলা হয়েছে।

আজ সারা দেশ যে ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে, তার উৎপত্তিস্থল লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ভাদুর ইউনিয়নের সিরুন্দী গ্রাম বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ ঘটনায় উপজেলায় কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি। তবে এমন তীব্র ভূকম্পন গত কয়েক বছরের মধ্যে তাঁরা অনুভব করেননি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা এক চিঠিতে ভূমিকম্পের কেন্দ্র যে রামগঞ্জে, সে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সকাল ৯টা ৩৫ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডে ৫ দশমিক ৬ রিখটার স্কেলের মাঝারি মাত্রার ভূকম্পনটি অনুভূত হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ভূমিকম্পের সময় তাঁদের বিল্ডিং কেঁপে উঠেছে। এ ধরনের ভূকম্পন এলাকায় আর দেখা যায়নি। মনে হচ্ছিল ঘরবাড়ি-গাছপালা তাঁদের ওপর ভেঙে পড়ছে।
রামগঞ্জের দরবেশপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমি শুয়ে ছিলাম। হঠাৎ করে খাট নড়ে উঠছিল। পুরো বিল্ডিংটাই নড়ছিল। এ ধরনের ভূমিকম্প গত কয়েক বছরে দেখিনি। গণমাধ্যম সূত্রে জানতে পেরেছি, আমাদের পার্শ্ববর্তী এলাকায় ভূকম্পনের উৎপত্তিস্থল। তাৎক্ষণিক স্থানীয় ইউপি সদস্য মামুন হোসেনের সঙ্গে কথা বলেছি। কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবুও খোঁজ নেওয়া হয়েছে।’
রামগতির প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের পর্যবেক্ষক সোহরাব হোসেন বলেন, ‘রামগঞ্জে ভূকম্পনের উৎপত্তি হয়েছে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে আমাদের চিঠি দিয়ে জানিয়েছে। রামগতিতেও ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে।’
লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক (ডিসি) সুরাইয়া জাহান জানান, ভূমিকম্পটি রামগঞ্জ থেকে উৎপত্তি হয়েছে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে। কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবুও রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের খোঁজ নিতে বলা হয়েছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
১ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে