
আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, এক লাখ স্বেচ্ছাসেবক তৈরির পাশাপাশি ভূমিকম্পের পর মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ৪৪৫টি অ্যাসেম্বলি পয়েন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে।

চীন-নেপাল সীমান্তের তিব্বত ও উত্তর নেপাল অঞ্চলে ভয়াবহ হিমবাহ ধস, ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শত শত মানুষ নিহত ও নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় উদ্ধার ও অনুসন্ধান অভিযান চলছে। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমও বড় ধরনের হতাহতের কথা জানিয়েছে।

নেপালে বুধবারের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার কারণ কোনো ভূমিকম্প নয়, বরং হিমবাহ থেকে বরফ ও পাথরের শক্তিশালী ধস। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) প্রথমে ঘটনাটিকে ৪ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প হিসেবে শনাক্ত করলেও পরে তথ্য সংশোধন করে জানায়, সেখানে কোনো ভূমিকম্প ঘটেনি।

নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী ভোতে কোশি নদীতে আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯৮ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ৫৭৯ জন। এদের মধ্যে ১১৩ জন নেপালি ও ১৩৩ জন ভারতীয় নাগরিকসহ ২৮ দেশের নাগরিক আছেন। নেপাল পুলিশের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি...