লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারে গিয়ে ট্রলার ডুবে নিখোঁজ চার জেলের আজ রোববার পর্যন্ত ১৫ দিনেও সন্ধান মেলেনি। তাঁরা বেঁচে আছেন কি না, তা নিয়ে পরিবারের সদস্যরা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় পথ চেয়ে আছেন।
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার এসব জেলে গত ২৫ জুলাই বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবে নিখোঁজ হন। তাঁদের সঙ্গে থাকা অন্য জেলেরা তীরে ফিরতে পারলেও এই চারজন ফিরতে পারেননি। নিখোঁজ জেলেরা হলেন কমলনগরের মধ্য চরফলকনের জেলে দিদার হোসেন (৩৮), চর ফলকনের মো. সেলিম (৫০), মো. সোহেল (৩৫) ও কামাল হোসেন (৪০)।
১৫ দিনের কামালের সন্ধান মেলেনি বলে জানিয়েছে ছেলে তানভীর হোসেন বলেন, ‘আমার বাবাসহ অন্য জেলেরা জীবিত অবস্থায় আছেন, নাকি মারা গেছেন, তা-ও জানি না।’
কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নিখোঁজ চার জেলের সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি। তাঁদের সন্ধানের কাজ চলছে।’
ঝড়ের কবলে পড়ে ফিরে আসা রুবেল মাঝি জানান, সাগর উত্তাল থাকায় ট্রলার নিয়ে তীরে ফিরছিলাম। পথে হঠাৎ দুর্ঘটনায় তাঁর সবকিছু শেষ হয়ে যায়। তিনি এবং অন্য ১২ জেলে কোনোমতে জীবন নিয়ে ফিরতে পারলেও অন্য চারজনের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। ৮০ লাখ টাকার ট্রলারটিরও ডুবে গেছে। সন্ধান পাইনি। এলাকায় ফেরার পর থেকে তিনি নিখোঁজ জেলেদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।
নিখোঁজ দিদার হোসেনের শ্বশুর আবুল বাশার জানান, তাঁর জামাতা দরিদ্র পরিবারের সন্তান। দুর্ঘটনায় নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে দিদারের স্ত্রী ও তিন সন্তানের কান্না থামছে না। মেয়ে ও নাতিদের ভবিষ্যৎ নিয়েই দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে বাশারের।
চরফলকন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন বাঘা বলেন, ‘নিখোঁজ জেলেদের জন্য স্বজনের কান্না থামছে না। তাঁদের সান্ত্বনা দেওয়ার কোনো ভাষা নেই। বিভিন্ন স্থানে স্থানে খোঁজা হচ্ছে। পরিবারগুলো খাওয়াদাওয়া ছেড়ে দিয়েছে। উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে।’
জানা গেছে, ট্রলারটির মালিক কমলনগরের পাটোয়ারীর হাট এলাকার রুবেল মাঝির। ১৭ জন জেলেকে নিয়ে তিনি ১০ জুলাই গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারে যান। এরই মধ্যে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়। এর প্রভাবে সাগর উত্তাল হয়ে উঠলে ২৫ জুলাই ট্রলারটি কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার পশ্চিমে গ্যাস পাম্পের কাছে ঝড়ের কবলে পড়ে। তীব্র ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারটি কাত হয়ে ডুবে যায়। এ সময় ট্রলারের মাঝি রুবেলসহ ১৩ জেলে অন্য জেলেদের সহায়তায় সাঁতরে আরেকটি ট্রলারে ওঠেন। কিন্তু চার জেলে উঠতে পারেননি।

বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারে গিয়ে ট্রলার ডুবে নিখোঁজ চার জেলের আজ রোববার পর্যন্ত ১৫ দিনেও সন্ধান মেলেনি। তাঁরা বেঁচে আছেন কি না, তা নিয়ে পরিবারের সদস্যরা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় পথ চেয়ে আছেন।
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার এসব জেলে গত ২৫ জুলাই বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবে নিখোঁজ হন। তাঁদের সঙ্গে থাকা অন্য জেলেরা তীরে ফিরতে পারলেও এই চারজন ফিরতে পারেননি। নিখোঁজ জেলেরা হলেন কমলনগরের মধ্য চরফলকনের জেলে দিদার হোসেন (৩৮), চর ফলকনের মো. সেলিম (৫০), মো. সোহেল (৩৫) ও কামাল হোসেন (৪০)।
১৫ দিনের কামালের সন্ধান মেলেনি বলে জানিয়েছে ছেলে তানভীর হোসেন বলেন, ‘আমার বাবাসহ অন্য জেলেরা জীবিত অবস্থায় আছেন, নাকি মারা গেছেন, তা-ও জানি না।’
কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নিখোঁজ চার জেলের সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি। তাঁদের সন্ধানের কাজ চলছে।’
ঝড়ের কবলে পড়ে ফিরে আসা রুবেল মাঝি জানান, সাগর উত্তাল থাকায় ট্রলার নিয়ে তীরে ফিরছিলাম। পথে হঠাৎ দুর্ঘটনায় তাঁর সবকিছু শেষ হয়ে যায়। তিনি এবং অন্য ১২ জেলে কোনোমতে জীবন নিয়ে ফিরতে পারলেও অন্য চারজনের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। ৮০ লাখ টাকার ট্রলারটিরও ডুবে গেছে। সন্ধান পাইনি। এলাকায় ফেরার পর থেকে তিনি নিখোঁজ জেলেদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।
নিখোঁজ দিদার হোসেনের শ্বশুর আবুল বাশার জানান, তাঁর জামাতা দরিদ্র পরিবারের সন্তান। দুর্ঘটনায় নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে দিদারের স্ত্রী ও তিন সন্তানের কান্না থামছে না। মেয়ে ও নাতিদের ভবিষ্যৎ নিয়েই দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে বাশারের।
চরফলকন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন বাঘা বলেন, ‘নিখোঁজ জেলেদের জন্য স্বজনের কান্না থামছে না। তাঁদের সান্ত্বনা দেওয়ার কোনো ভাষা নেই। বিভিন্ন স্থানে স্থানে খোঁজা হচ্ছে। পরিবারগুলো খাওয়াদাওয়া ছেড়ে দিয়েছে। উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে।’
জানা গেছে, ট্রলারটির মালিক কমলনগরের পাটোয়ারীর হাট এলাকার রুবেল মাঝির। ১৭ জন জেলেকে নিয়ে তিনি ১০ জুলাই গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারে যান। এরই মধ্যে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়। এর প্রভাবে সাগর উত্তাল হয়ে উঠলে ২৫ জুলাই ট্রলারটি কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার পশ্চিমে গ্যাস পাম্পের কাছে ঝড়ের কবলে পড়ে। তীব্র ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারটি কাত হয়ে ডুবে যায়। এ সময় ট্রলারের মাঝি রুবেলসহ ১৩ জেলে অন্য জেলেদের সহায়তায় সাঁতরে আরেকটি ট্রলারে ওঠেন। কিন্তু চার জেলে উঠতে পারেননি।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে