কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি

আওয়ামী লীগ আমলের ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক কারবারি গোলাম সারোয়ার (৪২) এখন যুবদলের নেতা। ফেনীতে ডিবির হাতে ২০০ ইয়াবাসহ আটক হয়ে দীর্ঘদিন জেলহাজতে ছিলেন তিনি। কমলনগর উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নের বাসিন্দা সারোয়ার বর্তমানে স্থানীয় ইউনিয়ন যুবদলের প্রচার সম্পাদক এবং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চরকাদিরা ইউনিয়ন বিএনপির কয়েকজন নেতা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে আঁতাত করে মোস্তফা ইয়াবা কারবারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এলাকার যুবসমাজকে তিনি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছেন। এখন যুবদলের নেতা হয়ে আগের ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার পাঁয়তারা করছেন।’
এলাকাবাসী জানিয়েছে, মোস্তফা সারোয়ার প্রায় ১০ বছর ধরে স্থানীয় আওয়ামী লীগের লোকজনের সঙ্গে আঁতাত করে মাদকের কারবার করেছেন। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ফেনীর মহিপাল থেকে ২০০ ইয়াবাসহ ডিবি পুলিশ তাঁকে আটক করে। ওই মামলায় দীর্ঘদিন তিনি জেলহাজতে ছিলেন। ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর আবার নতুন করে দৌড়ঝাঁপ শুরু হয় মোস্তফার। তিনি এখন বিএনপির সাবেক এমপি আশরাফ উদ্দিন নিজামসহ উপজেলা বিএনপি, যুবদলের বিভিন্ন নেতার সঙ্গে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করে তিনি নিজেকে যুবদলের বড় নেতা হিসেবে সব মহলে প্রচার করেন।
এ বিষয়ে মোস্তফা সারোয়ার বলেন, ‘ফেনী এলাকায় আমি ব্রিক ফিল্ডের কাজ করিয়েছি। ওই এলাকায় কাজ করতে গিয়ে একটি চক্রের সঙ্গে আড্ডা দিতে গিয়ে কিছুদিন ইয়াবা সেবনের সঙ্গে জড়িত ছিলাম। পরে ওই চক্র আমাকে ফাঁসিয়ে দেয়। আমি জেল থেকে মুক্ত হয়ে এখন আর এসবের সঙ্গে সম্পৃক্ত নেই।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চরকাদিরা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আকরাম হোসেন শাহেদ হাওলাদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মোস্তফা সারোয়ার মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত কি না, আমার জানা নেই। সে রাজনীতির মাঠে সক্রিয়। এর আড়ালে তার কোনো অপকর্ম থাকলে এর দায়ভার তাকেই নিতে হবে।’

আওয়ামী লীগ আমলের ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক কারবারি গোলাম সারোয়ার (৪২) এখন যুবদলের নেতা। ফেনীতে ডিবির হাতে ২০০ ইয়াবাসহ আটক হয়ে দীর্ঘদিন জেলহাজতে ছিলেন তিনি। কমলনগর উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নের বাসিন্দা সারোয়ার বর্তমানে স্থানীয় ইউনিয়ন যুবদলের প্রচার সম্পাদক এবং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চরকাদিরা ইউনিয়ন বিএনপির কয়েকজন নেতা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে আঁতাত করে মোস্তফা ইয়াবা কারবারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এলাকার যুবসমাজকে তিনি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছেন। এখন যুবদলের নেতা হয়ে আগের ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার পাঁয়তারা করছেন।’
এলাকাবাসী জানিয়েছে, মোস্তফা সারোয়ার প্রায় ১০ বছর ধরে স্থানীয় আওয়ামী লীগের লোকজনের সঙ্গে আঁতাত করে মাদকের কারবার করেছেন। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ফেনীর মহিপাল থেকে ২০০ ইয়াবাসহ ডিবি পুলিশ তাঁকে আটক করে। ওই মামলায় দীর্ঘদিন তিনি জেলহাজতে ছিলেন। ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর আবার নতুন করে দৌড়ঝাঁপ শুরু হয় মোস্তফার। তিনি এখন বিএনপির সাবেক এমপি আশরাফ উদ্দিন নিজামসহ উপজেলা বিএনপি, যুবদলের বিভিন্ন নেতার সঙ্গে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করে তিনি নিজেকে যুবদলের বড় নেতা হিসেবে সব মহলে প্রচার করেন।
এ বিষয়ে মোস্তফা সারোয়ার বলেন, ‘ফেনী এলাকায় আমি ব্রিক ফিল্ডের কাজ করিয়েছি। ওই এলাকায় কাজ করতে গিয়ে একটি চক্রের সঙ্গে আড্ডা দিতে গিয়ে কিছুদিন ইয়াবা সেবনের সঙ্গে জড়িত ছিলাম। পরে ওই চক্র আমাকে ফাঁসিয়ে দেয়। আমি জেল থেকে মুক্ত হয়ে এখন আর এসবের সঙ্গে সম্পৃক্ত নেই।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চরকাদিরা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আকরাম হোসেন শাহেদ হাওলাদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মোস্তফা সারোয়ার মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত কি না, আমার জানা নেই। সে রাজনীতির মাঠে সক্রিয়। এর আড়ালে তার কোনো অপকর্ম থাকলে এর দায়ভার তাকেই নিতে হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে