
পদ্মা নদীর দুর্গম চরাঞ্চলে সন্ত্রাসী তৎপরতা দমন, অবৈধ দখল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আবারও সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে চার জেলার পুলিশ। আজ শুক্রবার ভোররাত থেকে রাজশাহী, নাটোর, পাবনা ও কুষ্টিয়া জেলার সীমান্তবর্তী পদ্মার চরাঞ্চলে এ যৌথ অভিযান শুরু হয়। এতে কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের প্রায় ২০০ সদস্য অংশ নিয়েছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পদ্মার দুর্গম চরাঞ্চলকে নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে একাধিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। চরের নিয়ন্ত্রণ, বালুমহাল দখল, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান, কৃষিজমির ফসল লুট এবং আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এসব এলাকায় প্রায়ই গোলাগুলি ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে স্থানীয় বাসিন্দা ও কৃষকদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।
এ পরিস্থিতি মোকাবিলা ও চরাঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে চার জেলার পুলিশ সমন্বিতভাবে অভিযান চালাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে কুষ্টিয়ার সীমান্তসংলগ্ন পদ্মার দুর্গম চরাঞ্চলে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের পাশাপাশি বিভিন্ন মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের আটকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর, চিলমারী, ফিলিপনগর ও মরিচা ইউনিয়ন এবং ভেড়ামারা উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সম্ভাব্য অপরাধীদের অবস্থান শনাক্ত করতে চরাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে অভিযান ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
এর আগে গত বছরের নভেম্বরেও এসব চরাঞ্চলে একাধিক অভিযান চালিয়েছিল পুলিশ। সে সময় বেশ কয়েকজন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে দুর্গম চরাঞ্চলে অপরাধমূলক তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে রাখতে আবারও সমন্বিত অভিযান শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, চরাঞ্চলে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের তৎপরতা দমন ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শুক্রবার ভোররাত থেকে বিশেষ যৌথ অভিযান শুরু হয়েছে। চরের বিভিন্ন স্থানে পুলিশি তল্লাশি চলছে। আজ বিকেল পর্যন্ত অভিযান চলার কথা রয়েছে।
কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ বলেন, শুক্রবার ভোর থেকে অভিযান শুরু হয়েছে, যা এখনো চলছে। এতে জেলা পুলিশের প্রায় ২০০ সদস্য অংশ নিয়েছেন। বিকেল পর্যন্ত অভিযান চলতে পারে। অভিযান শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো সম্ভব হবে।

কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং ও কিশোর অপরাধ দমনে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে আরও ২৫২ জনকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর থেকে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ভোর পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানায় একযোগে এ অভিযান চালানো হয়। এ নিয়ে গত কয়েক দিনের অভিযানে জেলায় মোট আটক ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৫৯৮।
৪৩ মিনিট আগে
পুলিশের তথ্যমতে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুরু হওয়া এ অভিযানে ছয় দিনে মোট ৯১৭ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬৩০ জনকে যাচাই-বাছাই শেষে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ২৮৭ জনকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এক তরুণসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে নতুন করে ৫১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন এবং হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৭ জন...
১ ঘণ্টা আগে
মাগুরা পৌরসভার কলেজপাড়া এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে ২৮ হাজার ইয়াবা বড়ি, চার বোতল ফেনসিডিল ও মাদক কারবারের ১৯ লাখ ৫৮ হাজার ১০০ টাকা উদ্ধার করেছে এসআরবি-৬, ঝিনাইদহ ক্যাম্প। এ সময় রাশেদ শেখ (৪১) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে