
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় কারণ অনুসন্ধান ও দায়ীদের চিহ্নিত করতে তদন্ত ৬ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।

মজনু মিয়া বলেন, ঈদে আমার ছেলে বাড়ি আসে। আমাদের সঙ্গে ঈদ করে বুধবার বিকেলে ঢাকায় ফিরছিল। তখনো জানতাম না, আমার ছেলে ওই গাড়ির ভেতরে ছিল। রাতে তাঁর ফোন বন্ধ পাওয়ায় সন্দেহ হলে আমরা পরিবারের সদস্যরা ঘাটে চলে আসি। রাতভর ছেলের খোঁজে কাটিয়ে দিই এখানে। এরপর সকালে আমার ছেলের লাশ পানি থেকে উদ্ধার করে ডুবুরি দল।

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ঘাটে পন্টুন থেকে পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া বাসটি ৬ ঘণ্টা পর টেনে তুলেছে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা। বুধবার রাত সোয়া ১১টার দিকে বাসের একটি অংশ দৃশ্যমান হয়। সাড়ে ১১টা নাগাদ পুরো বাসটি জাহাজ হামজার ক্রেন দিয়ে টেনে পানির ওপরে তোলা হয়।

কুষ্টিয়া কুমারখালীর পৌর টার্মিনাল থেকে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসে ওঠেন গিয়াস উদ্দিন ও মো. নুরুজ্জামান। তবে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাট থেকে পদ্মা নদীতে তলিয়ে যায় বাসটি। দুই পরিবারের শিশুসহ তিনজন এখনো নিখোঁজ রয়েছে।