চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেছে গোটা উপজেলা। কনকনে ঠান্ডায় ব্যাহত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবন। তীব্র ঠান্ডায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী ও খেটে খাওয়া মানুষেরা। সময়মতো কাজে বের হতে পারছেন না তাঁরা। বৃষ্টির ফোঁটার মতো পড়ছে কুয়াশা। শীতকষ্টে পড়েছে শিক্ষার্থীরাও।
আজ সোমবার সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঠান্ডায় সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী শতাধিক মানুষ। শীত নিবারণের জন্য তাঁরা খড়কুটো জ্বালিয়ে উষ্ণতা নিচ্ছেন। মাঠে কাজ করতে গিয়ে দুর্ভোগ বেড়েছে কৃষকদের।
এদিকে শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগ শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও সর্দি-কাশি। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালের ভর্তি রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।
থানাহাট পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোছা. আয়রিন খাতুন বলে, ঠান্ডার কারণে স্কুলে যেতে কষ্ট হচ্ছে।
থানাহাট ইউনিয়নের গাবের তল এলাকার রিকশাচালক আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘কয়েক দিন থেকে খুব ঠান্ডা। মানুষ বাড়ি থেকে বের হচ্ছে না। শহরে লোকজনও অনেক কম, রিকশার যাত্রী হচ্ছে না। শীতের কারণে আমরাও বিপদে পড়ছি।’
থানাহাট বাজারের ব্যবসায়ী বাদশা মিয়া বলেন, ‘আজ ৬-৭ দিন থেকে ঠান্ডার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে বাজারে লোক সমাগম অনেক কমে গেছে। আমাদের বিক্রিও অনেক কমে গেছে। খুব একটা প্রয়োজন ছাড়া মানুষ বাড়ি থেকে বাহির হচ্ছে না।’
কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, তাপমাত্রা আরও কয়েক দিন এমন থাকবে। বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা কম। তবে এ মাসে আরও একটি শৈত্যপ্রবাহ এ জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে।

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেছে গোটা উপজেলা। কনকনে ঠান্ডায় ব্যাহত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবন। তীব্র ঠান্ডায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী ও খেটে খাওয়া মানুষেরা। সময়মতো কাজে বের হতে পারছেন না তাঁরা। বৃষ্টির ফোঁটার মতো পড়ছে কুয়াশা। শীতকষ্টে পড়েছে শিক্ষার্থীরাও।
আজ সোমবার সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঠান্ডায় সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী শতাধিক মানুষ। শীত নিবারণের জন্য তাঁরা খড়কুটো জ্বালিয়ে উষ্ণতা নিচ্ছেন। মাঠে কাজ করতে গিয়ে দুর্ভোগ বেড়েছে কৃষকদের।
এদিকে শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগ শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও সর্দি-কাশি। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালের ভর্তি রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।
থানাহাট পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোছা. আয়রিন খাতুন বলে, ঠান্ডার কারণে স্কুলে যেতে কষ্ট হচ্ছে।
থানাহাট ইউনিয়নের গাবের তল এলাকার রিকশাচালক আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘কয়েক দিন থেকে খুব ঠান্ডা। মানুষ বাড়ি থেকে বের হচ্ছে না। শহরে লোকজনও অনেক কম, রিকশার যাত্রী হচ্ছে না। শীতের কারণে আমরাও বিপদে পড়ছি।’
থানাহাট বাজারের ব্যবসায়ী বাদশা মিয়া বলেন, ‘আজ ৬-৭ দিন থেকে ঠান্ডার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে বাজারে লোক সমাগম অনেক কমে গেছে। আমাদের বিক্রিও অনেক কমে গেছে। খুব একটা প্রয়োজন ছাড়া মানুষ বাড়ি থেকে বাহির হচ্ছে না।’
কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, তাপমাত্রা আরও কয়েক দিন এমন থাকবে। বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা কম। তবে এ মাসে আরও একটি শৈত্যপ্রবাহ এ জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে