কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে ঘোড়াউত্রা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে দুর্বৃত্তের হামলায় সাইদুর রহমান (৩০) নামের এক জেলে নিহত হয়েছেন। এ সময় তাঁর দুই ভাইকে হাত-পা বেঁধে মারধর করে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। উপজেলার মুশুরিয়া এলাকায় গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে।
নিহত সাইদুর রহমান উপজেলার গোপদিঘী ইউনিয়নের ধলাই এলাকার ফুল মিয়ার ছেলে। আহত দুজন হলেন নিহত সাইদুরের ভাই আনিছুর (২৭) ও আতাউর (২৫)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে তিন ভাই ঘোড়াউত্রা নদীতে রিংজাল (চায়না দোয়ারি) দিয়ে মাছ ধরছিলেন। এ সময় মুখোশ পরা অজ্ঞাত পরিচয়ের চার দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্র-বল্লম ও দা নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা প্রথমে আনিছুর ও আতাউরকে হাত-পা বেঁধে মারধর করে। পরে সাইদুর রহমানকে নদীতে ফেলে দিয়ে বল্লম দিয়ে আঘাত করে। আক্রমণের একপর্যায়ে সাইদুর পানিতে ডুবে গেলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক সাইদুরকে ঘোষণা করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ-আল-শাফী বলেন, ভোর সাড়ে চারটার দিকে সাইদুরকে হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। পরে থানায় অবহিত অবহিত করা হয়।
এ বিষয়ে মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লিয়াকত আলী বলেন, সাইদুরের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন করে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।

চট্টগ্রামে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) সদর দপ্তরের নিজস্ব ভবনে অফিস শুরুর প্রথম দিনেই দেয়াল চুইয়ে ঢুকেছে বৃষ্টির পানি। এই পানি থেকে রক্ষা পেতে পাঁচতলা ভবন ত্রিপলে ঢেকে দেওয়া হয়।
১ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের ফকিরহাটে ভৈরব নদ পুনঃখননে ব্যয় হয়েছিল ২৩ কোটি টাকা। লক্ষ্য ছিল নাব্যতা ফিরিয়ে এনে আশপাশের এলাকার জলাবদ্ধতা কমানো এবং নৌপথ সচল করা। কিন্তু খননের ছয় মাসের মধ্যেই নদ আবার পলি জমে ভরাট হয়ে যায়। বন্ধ হয়ে যায় নৌযান চলাচল।
৫ ঘণ্টা আগে
কোলে দুই বছরের কন্যাশিশু। পরনে মলিন পোশাক। মাথার ওপর ছাদ বলতে চুয়াডাঙ্গা শহরের একটি সড়কের পাশের পরিত্যক্ত পানির ট্যাংকের একটুখানি ছাউনি। রোদ-বৃষ্টি কিংবা কনকনে শীত—সব আবহাওয়াতেই মা-মেয়ের ঠিকানা এই একচিলতে ফুটপাত।
৬ ঘণ্টা আগে
পঞ্চগড়ে ১১টি সরকারি প্রাথমিক স্কুলের ওয়াশ ব্লক নির্মাণের মেয়াদ শেষ হলেও সাতটির কাজ এখনো শুরু হয়নি। এমনকি ওই সব স্কুলের প্রধান শিক্ষকেরা জানেন না এমন প্রকল্পের অনুমোদন হয়েছে। তাঁদের দাবি, বিদ্যালয়ের নামে দরপত্র হলেও এ বিষয়ে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। তাঁরা সম্পূর্ণ অন্ধকারে ছিলেন।
৬ ঘণ্টা আগে