
রাজধানীর মগবাজারে আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ঠিক কী কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে থানা-পুলিশসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন।
আজ বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের (এসি) গ্যাস লিকেজ থেকে একটি ওয়ার্ডে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। ভোরের দিকে ঘটনাটি ঘটেছে।
তবে নিরপেক্ষ কোনো সূত্র থেকে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।
ডিএমপির রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা খবর পেয়েছি, আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তবে শিশুদের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে, আমিও সেখানে যাচ্ছি।’

টানা প্রায় আড়াই বছর নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ডে মেরামতের জন্য রাখা হয়েছিল বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) ফেরি সন্ধ্যামালতী। সেখানে ১০ লাখের বেশি টাকা ব্যয়ে মেরামতের পর গত ঈদুল আজহার আগে বরিশালের লাহারহাট ফেরিঘাটে পাঠানো হয়।
২ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীর সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজের প্রভাষক আব্দুল আলীমকে গত বছরের নভেম্বরে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ছাত্র হোস্টেল সুপারের। দায়িত্ব পাওয়ার পরই আর্থিক নয়-ছয়ের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। অভ্যন্তরীণ তদন্তেও অভিযোগের সত্যতা মেলে।
৩ ঘণ্টা আগে
আপাতত খাদ্যসহায়তা দেওয়া হচ্ছে। সবার সমন্বিত প্রচেষ্টায় দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব হয়েছে এবং এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে দুর্গতদের নৌকা দিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসা হচ্ছে। সেনাবাহিনী সেখানে কাজ করছে।
৫ ঘণ্টা আগে
গত কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও আকস্মিক বন্যায় আটকে পড়া বান্দরবানের ১২২ পরিবারকে উদ্ধার করেছে বিজিবি। প্রতিকূল আবহাওয়া, জলাবদ্ধতা এবং বন্যার প্রবল স্রোত উপেক্ষা করে শুক্রবার রাত থেকে বিজিবি বান্দরবান সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল রুবায়াত জামিলের নেতৃত্বে সেক্টর দপ্তরের
৬ ঘণ্টা আগে