জয়পুরহাট প্রতিনিধি

বর্ষাকালে যেখানে মাঠভরা ধান চাষ হওয়ার কথা, সেখানে জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার বামোনগ্রামে চলছে উন্নত জাতের পিআই (PI) হাইব্রিড তরমুজ চাষের প্রস্তুতি। মাঠজুড়ে চলছে মাচা তৈরির কাজ। কৃষকেরা বলছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারও লাভের মুখ দেখবেন তাঁরা।
বামোনগ্রাম মাঠে সরেজমিন দেখা যায়, মাটি থেকে ১৫-২০ সেন্টিমিটার উঁচু লম্বা বেড তৈরি করে মালচিং পেপার (পলিথিনের মতো) দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। প্রতি চার হাত অন্তর বেড বসানো, চারপাশে নিখুঁত জালের বেড়া এবং ওপরে সুতা টেনে মাচা তৈরির কাজ চলছে। কৃষকেরা জানালেন, কয়েক দিনের মধ্যে গাছে জালি (মুকুল) আসবে, এরপর ধীরে ধীরে তরমুজ ধরবে।
এই এলাকায় পিআই জাতের তরমুজ চাষ করছেন আব্দুল মান্নান ( ৫০ শতক), আব্দুল হান্নান (৭ শতক), আরিফুল (৩৩ শতক), মোসলেম (৬৬ শতক), ফুলমিয়া (২০ শতক), বেনজির (১৫ শতক), আইজুল (৩৫ শতক) ও মুনছুরসহ (৪৫ শতক) অনেকে।
তরমুজচাষি আব্দুল মান্নান বলেন, ‘গত তিন বছর ধান বাদ দিয়ে আষাঢ়েই তরমুজ লাগাই। অল্প খরচে বেশি আয়—এই চাষে আমার ভাগ্য বদলেছে। ধানে যেখানে বিঘায় ১৫-২০ হাজার টাকার বেশি লাভ হয় না, সেখানে তরমুজে এক বিঘায় দেড় থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত আয় হয়।’
প্রতি শতাংশ জমিতে রোপণ করা যায় ২৩-২৬টি চারা। জমি প্রস্তুত থেকে ফল ধরার আগ পর্যন্ত এক বিঘায় খরচ হয় ৫০-৫৫ হাজার টাকা। প্রত্যাশিত ফলন বিঘাপ্রতি ১২০-১২৫ মণ। বাজার অনুযায়ী প্রতি মণের দাম ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত ওঠানামা করে। সব খরচ বাদ দিয়েও বিঘাপ্রতি আয় হতে পারে ১ লাখ ৮০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা।
কালাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. হারুনুর রশিদ বলেন, ‘জলাবদ্ধতা হয় না—এমন উঁচু জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করলে বর্ষাতেও ভালো ফলন পাওয়া যায়। এতে অল্প সময়ে লাভবান হওয়ায় কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে।’
তিনি আরও জানান, এটি একটি হাইব্রিড জাতের তরমুজ, যার ফলন সাধারণত ৬৫-৭৫ দিনের মধ্যে পাওয়া যায়। ফল লম্বাটে, বাইরের খোসা সবুজ ও গাঢ় ডোরা দাগযুক্ত। উজ্জ্বল লাল, মিষ্টি (Brix মাত্রা ১১-১৩), বীজ কম এবং রসাল। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও তুলনামূলক ভালো।

তবে অতিরিক্ত সার, সেচ বা বৃষ্টিতে ফল ফেটে যেতে পারে। তা ছাড়া হাইব্রিড জাত হওয়ায় নিজের বীজ পুনরায় ব্যবহার করা যায় না বলেও জানান তিনি।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘চলতি খরিপ-২ মৌসুমে জয়পুরহাট জেলায় ১ হাজার ৫৬০ হেক্টর জমিতে শাকসবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। পিআই জাতের তরমুজ চাষের এই ইতিবাচক পরিবর্তন শুধু ব্যক্তি কৃষকের আয়ই বাড়াচ্ছে না, বরং জেলার অর্থনীতিতেও যোগ করছে নতুন মাত্রা।’

বর্ষাকালে যেখানে মাঠভরা ধান চাষ হওয়ার কথা, সেখানে জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার বামোনগ্রামে চলছে উন্নত জাতের পিআই (PI) হাইব্রিড তরমুজ চাষের প্রস্তুতি। মাঠজুড়ে চলছে মাচা তৈরির কাজ। কৃষকেরা বলছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারও লাভের মুখ দেখবেন তাঁরা।
বামোনগ্রাম মাঠে সরেজমিন দেখা যায়, মাটি থেকে ১৫-২০ সেন্টিমিটার উঁচু লম্বা বেড তৈরি করে মালচিং পেপার (পলিথিনের মতো) দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। প্রতি চার হাত অন্তর বেড বসানো, চারপাশে নিখুঁত জালের বেড়া এবং ওপরে সুতা টেনে মাচা তৈরির কাজ চলছে। কৃষকেরা জানালেন, কয়েক দিনের মধ্যে গাছে জালি (মুকুল) আসবে, এরপর ধীরে ধীরে তরমুজ ধরবে।
এই এলাকায় পিআই জাতের তরমুজ চাষ করছেন আব্দুল মান্নান ( ৫০ শতক), আব্দুল হান্নান (৭ শতক), আরিফুল (৩৩ শতক), মোসলেম (৬৬ শতক), ফুলমিয়া (২০ শতক), বেনজির (১৫ শতক), আইজুল (৩৫ শতক) ও মুনছুরসহ (৪৫ শতক) অনেকে।
তরমুজচাষি আব্দুল মান্নান বলেন, ‘গত তিন বছর ধান বাদ দিয়ে আষাঢ়েই তরমুজ লাগাই। অল্প খরচে বেশি আয়—এই চাষে আমার ভাগ্য বদলেছে। ধানে যেখানে বিঘায় ১৫-২০ হাজার টাকার বেশি লাভ হয় না, সেখানে তরমুজে এক বিঘায় দেড় থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত আয় হয়।’
প্রতি শতাংশ জমিতে রোপণ করা যায় ২৩-২৬টি চারা। জমি প্রস্তুত থেকে ফল ধরার আগ পর্যন্ত এক বিঘায় খরচ হয় ৫০-৫৫ হাজার টাকা। প্রত্যাশিত ফলন বিঘাপ্রতি ১২০-১২৫ মণ। বাজার অনুযায়ী প্রতি মণের দাম ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত ওঠানামা করে। সব খরচ বাদ দিয়েও বিঘাপ্রতি আয় হতে পারে ১ লাখ ৮০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা।
কালাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. হারুনুর রশিদ বলেন, ‘জলাবদ্ধতা হয় না—এমন উঁচু জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করলে বর্ষাতেও ভালো ফলন পাওয়া যায়। এতে অল্প সময়ে লাভবান হওয়ায় কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে।’
তিনি আরও জানান, এটি একটি হাইব্রিড জাতের তরমুজ, যার ফলন সাধারণত ৬৫-৭৫ দিনের মধ্যে পাওয়া যায়। ফল লম্বাটে, বাইরের খোসা সবুজ ও গাঢ় ডোরা দাগযুক্ত। উজ্জ্বল লাল, মিষ্টি (Brix মাত্রা ১১-১৩), বীজ কম এবং রসাল। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও তুলনামূলক ভালো।

তবে অতিরিক্ত সার, সেচ বা বৃষ্টিতে ফল ফেটে যেতে পারে। তা ছাড়া হাইব্রিড জাত হওয়ায় নিজের বীজ পুনরায় ব্যবহার করা যায় না বলেও জানান তিনি।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘চলতি খরিপ-২ মৌসুমে জয়পুরহাট জেলায় ১ হাজার ৫৬০ হেক্টর জমিতে শাকসবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। পিআই জাতের তরমুজ চাষের এই ইতিবাচক পরিবর্তন শুধু ব্যক্তি কৃষকের আয়ই বাড়াচ্ছে না, বরং জেলার অর্থনীতিতেও যোগ করছে নতুন মাত্রা।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে