
দুই আসনেই স্বতন্ত্র ও ছোট দলগুলোর ভরাডুবি হয়েছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী জামানত রক্ষায় মোট প্রদত্ত ভোটের ন্যূনতম ১২ দশমিক ৫ শতাংশ প্রয়োজন হলেও অধিকাংশ ছোট প্রার্থী সে সীমার কাছাকাছিও যেতে পারেননি। এতে জয়পুরহাটে ভোটের মেরুকরণ যে দ্বিমুখী, তা আরও স্পষ্ট হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়পুরহাটে ভোটাররা দুই আসনে ভিন্ন রায় দিয়েছেন। এক আসনে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বিজয়ী হলেও অন্য আসনে ধানের শীষ প্রতীক জয় ছিনিয়ে নিয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জয়পুরহাট-১ ও ২ আসনের প্রার্থীরা দিচ্ছেন একের পর এক প্রতিশ্রুতি। কেউ আর্থিক নিরাপত্তার কথা বলছেন, কেউ নৈতিক শাসনের, কেউ আবার কর্মসংস্থানের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন। কিন্তু সাধারণ ভোটারদের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে একটাই প্রশ্ন—‘এই প্রতিশ্রুতি কি নির্বাচনের পরও টিকে থাকবে?’

আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনমত গঠন করতে জয়পুরহাটে ‘প্রচারণা ক্যারাভান’ উদ্বোধন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় শহরের পাঁচুর মোড়ে এনসিপি জয়পুরহাট জেলা শাখার উদ্যোগে এবং জাতীয় ছাত্রশক্তির সহযোগিতায় এ কর্মসূচির উদ্বোধন হয়।