কালাই (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার মাত্রায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও আনারস প্রতীক প্রার্থী মনোয়ার হোসেনের নির্বাচনী অফিসসহ কিছু দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে নৌকা প্রতীক প্রার্থী আ ন ম শওকত হাবিব তালুকদারের বিরুদ্ধে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে কালাই থানায় মামলা করেন বিদ্রোহী আনারস প্রতীক প্রার্থী মনোয়ার হোসেন। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে গতকাল বুধবার রাত ১০টার দিকে এ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তারকৃত গিয়ে দেখা গেছে, বিদ্রোহী প্রার্থী মনোয়ার হোসেনের নির্বাচনী অফিসে প্রায় শতাধিক চেয়ার, টেবিল ভাঙা অবস্থায় রয়েছে। মেঝেতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে। নির্বাচনী অফিস ঘরের টিন, মাত্রাই ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে চায়ের দোকান, মুরগির দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে ভেরেন্ডি উলিপুর মোড়ে নৌকা প্রতীক প্রার্থীর একটি পথসভা হয়। পথসভায় জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাহফুজ চৌধুরী উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তব্যে তিনি বলেন, মাত্রাই ইউনিয়নে আনারস প্রতীকের কোনো নির্বাচনী অফিস থাকবে না। যেগুলো আছে সেগুলো ভেঙে ফেলে দেও। এরই পরিপ্রেক্ষিতে পথসভা শেষে নৌকা প্রতীক প্রার্থীর সমর্থকেরা মাত্রাই বাজার সংলগ্ন মোল্লাপাড়ায় অবস্থিত আনারস প্রতীকের বিদ্রোহী প্রার্থী মনোয়ার হোসেনের নির্বাচনী অফিসসহ মুরগির দোকান, চায়ের দোকান ভাঙচুর করা হয়।
স্থানীয় নয়ন চন্দ্র মালী বলেন, নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থকেরা বলেন যদি নৌকায় ভোট দেও তাহলে ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে এসো, না হলে ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে আসার দরকার নেই।
এ বিষয়ে চায়ের দোকানি জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, নৌকা প্রতীক প্রার্থীর সমর্থকেরা আমার চায়ের দোকান ভাঙচুর করে ২১ হাজার ৩০০ টাকার সিগারেট নিয়ে গেছে।
মুরগির দোকানি সোহাগ মিয়া বলেন, আমার মুরগির দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে। এ সময় দোকান থেকে মিটার স্কেলসহ অনেক কিছু নিয়ে গেছেন তাঁরা।
আনারস প্রতীকের বিদ্রোহী প্রার্থী মনোয়ার হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ভেরেন্ডি উলিপুর মোড়ে নৌকা প্রতীক প্রার্থীর একটি পথসভা হয়। উক্ত পথসভায় জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাহফুজ চৌধুরী উসকানিমূলক বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে নৌকা প্রতীক প্রার্থীর সমর্থকেরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে আমার নির্বাচনী অফিসসহ কিছু দোকান ভাঙচুর করেছে। তাঁরা বঙ্গবন্ধুর ছবি, প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুর করে এবং আমার রক্ষিত পোস্টার, ব্যানার, হ্যান্ডবিল নিয়ে গেছে।
নৌকা প্রতীক প্রার্থী আ ন ম শওকত হাবিব তালুকদার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এ ব্যাপারে কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মালিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, তৃতীয় ধাপে মাত্রাই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নৌকা প্রতীক প্রার্থীর আ ন ম শওকত হাবিব তালুকদারের সমর্থকেরা বিদ্রোহী প্রার্থী আনারস প্রতীকের মনোয়ার হোসেনের নির্বাচনী অফিসসহ কিছু দোকান ভাঙচুর করেছে। তৎক্ষণাৎ পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার মাত্রায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও আনারস প্রতীক প্রার্থী মনোয়ার হোসেনের নির্বাচনী অফিসসহ কিছু দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে নৌকা প্রতীক প্রার্থী আ ন ম শওকত হাবিব তালুকদারের বিরুদ্ধে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে কালাই থানায় মামলা করেন বিদ্রোহী আনারস প্রতীক প্রার্থী মনোয়ার হোসেন। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে গতকাল বুধবার রাত ১০টার দিকে এ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তারকৃত গিয়ে দেখা গেছে, বিদ্রোহী প্রার্থী মনোয়ার হোসেনের নির্বাচনী অফিসে প্রায় শতাধিক চেয়ার, টেবিল ভাঙা অবস্থায় রয়েছে। মেঝেতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে। নির্বাচনী অফিস ঘরের টিন, মাত্রাই ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে চায়ের দোকান, মুরগির দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে ভেরেন্ডি উলিপুর মোড়ে নৌকা প্রতীক প্রার্থীর একটি পথসভা হয়। পথসভায় জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাহফুজ চৌধুরী উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তব্যে তিনি বলেন, মাত্রাই ইউনিয়নে আনারস প্রতীকের কোনো নির্বাচনী অফিস থাকবে না। যেগুলো আছে সেগুলো ভেঙে ফেলে দেও। এরই পরিপ্রেক্ষিতে পথসভা শেষে নৌকা প্রতীক প্রার্থীর সমর্থকেরা মাত্রাই বাজার সংলগ্ন মোল্লাপাড়ায় অবস্থিত আনারস প্রতীকের বিদ্রোহী প্রার্থী মনোয়ার হোসেনের নির্বাচনী অফিসসহ মুরগির দোকান, চায়ের দোকান ভাঙচুর করা হয়।
স্থানীয় নয়ন চন্দ্র মালী বলেন, নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থকেরা বলেন যদি নৌকায় ভোট দেও তাহলে ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে এসো, না হলে ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে আসার দরকার নেই।
এ বিষয়ে চায়ের দোকানি জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, নৌকা প্রতীক প্রার্থীর সমর্থকেরা আমার চায়ের দোকান ভাঙচুর করে ২১ হাজার ৩০০ টাকার সিগারেট নিয়ে গেছে।
মুরগির দোকানি সোহাগ মিয়া বলেন, আমার মুরগির দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে। এ সময় দোকান থেকে মিটার স্কেলসহ অনেক কিছু নিয়ে গেছেন তাঁরা।
আনারস প্রতীকের বিদ্রোহী প্রার্থী মনোয়ার হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ভেরেন্ডি উলিপুর মোড়ে নৌকা প্রতীক প্রার্থীর একটি পথসভা হয়। উক্ত পথসভায় জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাহফুজ চৌধুরী উসকানিমূলক বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে নৌকা প্রতীক প্রার্থীর সমর্থকেরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে আমার নির্বাচনী অফিসসহ কিছু দোকান ভাঙচুর করেছে। তাঁরা বঙ্গবন্ধুর ছবি, প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুর করে এবং আমার রক্ষিত পোস্টার, ব্যানার, হ্যান্ডবিল নিয়ে গেছে।
নৌকা প্রতীক প্রার্থী আ ন ম শওকত হাবিব তালুকদার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এ ব্যাপারে কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মালিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, তৃতীয় ধাপে মাত্রাই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নৌকা প্রতীক প্রার্থীর আ ন ম শওকত হাবিব তালুকদারের সমর্থকেরা বিদ্রোহী প্রার্থী আনারস প্রতীকের মনোয়ার হোসেনের নির্বাচনী অফিসসহ কিছু দোকান ভাঙচুর করেছে। তৎক্ষণাৎ পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে